1. [email protected] : Reporter : Reporter
  2. [email protected] : MJHossain : M J Hossain
  3. [email protected] : isaac10j54517 :
  4. [email protected] : janetbaader69 :
  5. [email protected] : katherinflower :
  6. [email protected] : makaylafriday8 :
  7. [email protected] : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. [email protected] : meredithbriley :
  9. [email protected] : olamcevoy1234 :
  10. [email protected] : roseannaoreily4 :
  11. [email protected] : sebastianstanfor :
  12. [email protected] : tangelamedina :
  13. [email protected] : teenaligar6 :
  14. [email protected] : xugmerri6352 :
  15. [email protected] : yzvhildegarde :
শিশু শিক্ষা ও বাঙ্গালী সংস্কৃতির পেছনের গল্প - BBC News 24

শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন

সবার দৃষ্টি আকর্ষন:
অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১: তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর লিখার কাজ চলছে। সর্বশেষ উপডেট পেতে সাথেই থাকুন
ব্রেকিং নিউজ :
কক্সবাজারে ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাব’র নিন্দা পশ্চিম বাকলিয়া সমাজ কমিটি ও সচেতন নাগরিক সমাজের ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ দরিদ্র কৃষকের পাকা ধান কেটে ঘরে তুলে দেন শরণখোলা উপজেলা ছাত্রলীগ ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে পাহাড় খেকোর মামলা, দুই বাংলা অনলাইন সাংবাদিক ফোরাম কক্সবাজার শাখ’র নিন্দা ও প্রতিবাদ ১৪ আসনে মহীয়সী নারী শিরিন রোকসানা নৌকার মাঝি হতে চান লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর জন্মদিন ৬ মে বিলাইছড়ি জোন কর্তৃক অবৈধ কাঠ উদ্ধার সড়ক দুর্ঘটনায় মনোতোষ নামে এক যুবকের মৃত্যু মৌলভীবাজারে কওমী মাদ্রাসা দুস্থ শিক্ষক ও ইমামদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের কর্মচারীেেদর মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
শিশু শিক্ষা ও বাঙ্গালী সংস্কৃতির পেছনের গল্প

শিশু শিক্ষা ও বাঙ্গালী সংস্কৃতির পেছনের গল্প

শিক্ষাই যখন একটি জাতির প্রধান হাতিয়ার তখন সেই জাতির শিক্ষার মধ্যেই যদি বিষ ঢেলে দেয়া হয় তবে সে জাতির ভাষা,সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের ভবিষ্যৎ

অবশ্যই অন্ধকার। আমাদের দেখা শিশু ও কিশোরদের শিক্ষার পেছনের গল্পটি খুবই ভয়ানক এবং আতঙ্কিত হওয়ার মতো।
আজ থেকে কয়েক হাজার বছর আগে গ্রীক দার্শনিক প্লেটো বলেছিলেন ; ধর্ম রাষ্ট্র পরিচালনার কোন অংশ হতে পারবেনা।তাহলেই শুরু হবে বিপত্তি। আজো প্লেটোর সেই বাণী এই দেশে,এই সমাজে তথা এই পৃথিবীতে প্রাসঙ্গিক।
দেশের প্রচলিত জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার ও মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে আরো একটি শিক্ষা ব্যবস্থা বেশ জনপ্রিয় তা হল ইংরেজি মাধ্যম বা ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষা ব্যবস্থা।
এদেশে প্লে থেকে উচ্চতর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা খুবই চোখে পরার মতো।বর্তমান দেশের বিভিন্ন স্থানে জঙ্গি সংশ্লিষ্ট কাজে মাদ্রাসার পাশাপাশি এদের সংশ্লিষ্টতা ক্রমে ক্রমে দৃশ্যমান হচ্ছে। আসলে কি এমন হওয়ার কথা? এমন কোন কথা ছিল না তবুও হচ্ছে।ইংলিশ মিডিয়ায় স্কুল চলে কেম্ব্রিজ ও ব্রিটিশ কারিকুলামে সেখানে কি তাহলে জঙ্গিবাদ উস্কে দিচ্ছে? এমন প্রশ্ন ২০২১ সালে। কেন তাহলে ২০২১ সালে এসে এই প্রতিষ্ঠানের শিশু ও কিশোরদের মাথা কিসে বিগড়ে দিচ্ছে?
কারা ঝুকছে ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের দিকে?

আসুন তবে আলোচনা করা যাক।
বর্তমানে মধ্যবিত্তদের মিছিল চলছে এই প্রতিষ্ঠানে কারন এদের কেউ কেউ আবার হঠাৎ আঙুল ফুলে কলাগাছ,কেউ কেউ সন্তানকে বিদেশে রেখে তারা নিশ্চিত হতে চান তাই সন্তানের চিন্তায় এই ব্যবস্থা। অবশ্যই এটা শুভ চিন্তা পিতামাতা হিসেবে।
ঢাকায় ৩ ধরনের ইংরেজি মিডিয়াম স্কুল দৃশ্যমান। হাই ক্লাস, মিডিল ক্লাস ও লো ক্লাস তাছাড়া ইংরেজি ভার্সনও এখন চোখে পড়ার মতো। হাইক্লাস স্কুল গুলো চলে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও পর্যবেক্ষণের মধ্যে তাই এটির কিছুটা নিয়ন্ত্রণ স্কুল কতৃপক্ষের হয়ত থাকে। মুল সমস্যা মিডিয়াম ও লো গ্রেডের স্কুল গুলো নিয়ে।

3rd week assignment 2021

এদের মধ্যে অনেক স্কুল এখন ধর্ম ভিত্তিক ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে পরিনত হয়েছে,এখানে বাচ্চাদের জুতা,প্যান্ট,মাথার ক্যাপ, স্কুল ড্রেস সবি ধর্মীয় লেবাসে মোড়ানো। শিক্ষকদের লেবাসও নজরকারার মতো। এক ঝলকে দেখে মনে হবে শিক্ষক নয় যেন ইরানী কোন মহিলা বণিক বা আরব্য উপদ্বীপের কোন রাজকন্যা। বেচারি ব্রিটিশ ও কেম্ব্রিজ কারিকুলাম ও ইংলিশ কালচারের যেন জানাযা পরানো হয়েছে।যেখানে চর্চা হওয়ার কথা উদারনীতি।পোশাকের সংকীর্ণতা ঝেড়ে ফেলে যেখানে চর্চা হওয়ার কথা ছিল বৈচিত্রতা এখানে এখন বোরকা ও হিজাব নেকাবের যেন দোকান খোলা হয়েছে। কোন কোন স্কুল বস্ত্রবিতানের সাথে চুক্তি করেও রেখেছে তাদের স্কুলের গুলোতে যেন এতো পারসেন্ট দেয়া হয়।
কোন কোন স্কুল শরীয়াহ ভিত্তিক বিজ্ঞাপন চালাচ্ছে টেলিভিশন ও খবরের কাগজে। এগুলো বাহিরের দৃশ্য।আসুন স্কুলের জরজায় গিয়ে দাড়াই। বাংলাদেশের স্কুলে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হবেনা তা কি হয়? আসলে হয়।
কিছু কিছু স্কুল এখনো কোন তোয়াক্কা করছে না।আবার এসেম্বলিতে জাতীয় সংগীত গাওয়ানোর সময় অনেক শিক্ষক হাসাহাসি করেন,গল্প করেন,মোবাইলে ম্যাসেজ চেক করেন,ভিডিও দেখেন এক কথা চরম অবমাননা এবং ধৃষ্টতা দেখাচ্ছেন অনবরত ।

 
hostseba.com
 

পথিতযশা একজন লেখক ও গবেষকের সাথে আলাপচারিতায় তিনি জানান ; এগুলো চরম ধৃষ্টতা এবং রাষ্ট্রদ্রোহীতার সামিল।তিনি বলেন; প্রতিষ্ঠানের মালিকের এবং প্রতিষ্ঠানের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সরকারের একান্ত দায়িত্ব। এছাড়াও শিক্ষকদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের উপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

অধিকাংশ স্কুল গুলোতে জাতীয় দিবস পালন করা হয় না,দেয়া হয় ছুটি। ফলে শিশুরা দেশের সংস্কৃতি সমন্ধ্যে জানা ও শেখার সুযোগও হারাচ্ছে,কারন প্রতিষ্ঠানের নেই কোন জবাবদিহিতা।

কিছু স্কুলে জাতীয় দিবস উৎযাপন হলেও বা সংস্কৃতির শিক্ষক থাকলেও তাদের পোহাতে হয় অনেক প্রতিবন্ধকতা বিশেষ করে আরবি বিষয়ের শিক্ষকরা শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছে বিষ বাষ্প সেগুলো হল;শহীদ মিনারে ফুল দেয়া হারাম,উৎসব হারাম, বাংলা নববর্ষ হারাম,গান তো অবশ্যই হারাম,বাজনা হারাম,কেউ যেন বাসায় গান না শুনে সে বিষয়ে ব্যাপকভাবে উৎসাহিত করা হয় পাশাপাশি শিশুদের হিজাব নিকাব ও বোরকার মতো পোশাকে উৎসাহিত করা হয়।

নামে মাত্র সংগীত ও অংকন শিক্ষক থাকলেও তাদের পরতে হচ্ছে অনেক বাধার, ছোট ছোট শিশুরা বলছে আরবি শিক্ষক বলেছেন গান হারাম, অংকন হারাম তাই আমরা গাইবো না বা আংকবো না ইত্যাদি ইত্যাদি। ইংরেজি মাধ্যম কে রীতিমতো বিভ্রান্তিকর এবং শিশুদের সুপ্ত প্রতিভা বিকাশে বাধার সম্মুখিন করছেন একশ্রেণির শিক্ষক নামধারী অজ্ঞ লোক এবং যাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে ইন্ধন দিচ্ছেন স্কুল কর্তৃপক্ষের কেউ কেউ ।

যারা অন্ধকারাচ্ছন্ন ও জাহেলি বর্বরচিন্তার বাহক যা ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলের মিশন বা ভিশন কোনটিই নয়। যে আশা বা স্বপ্ন নিয়ে মধ্যবিত্ত বাবা-মা বড় অংকের টাকা খরচ করছে সন্তানের শিক্ষার জন্য তা যেন নিরাশার মরিচিকা। এভাবে শত শত মেধাবী বাংলাদেশের কোমলমতি শিশু গড়ে উঠছে এই দেশ,এই ভাষা ও বাংলা সংস্কৃতি বিরোধী হয়ে।

এই জন্য কি ৫২ তে প্রাণ দিল বীর সন্তানেরা?এক সাগর রক্ত দিল ৭১ এ? এই প্রশ্নের উত্তর খুজতে হচ্ছে ২০২১ সালে। হয়ত আবারো নতুন করে ভাবার সময় এসেছে শিশুশিক্ষা ও শিক্ষা পদ্ধতি নিয়ে।জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানদন্ড বিচার করলে দেখা যায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিলেবাস খুবই আদর্শিক এবং যুগোপযোগী এখন তা বাস্তয়ন দরকার।

বাঙালী সংস্কৃতিতে দেশ, মাটি, ভাষা, লোক ঐতিহ্য, সংগীত ও ধর্ম অভিন্ন তাই উগ্রতা নয় চেতনা ও বিজ্ঞানের জ্ঞান নিয়ে পাড়ি দিতে হবে আগামীর সৃষ্টিশীল বিশ্বে।
-শাহ্জামাল সাগর
সংগীত শিল্পী ও শিক্ষক,ঢাকা।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team