1. [email protected] : Reporter : Reporter
  2. [email protected] : MJHossain : M J Hossain
  3. [email protected] : isaac10j54517 :
  4. [email protected] : janetbaader69 :
  5. [email protected] : katherinflower :
  6. [email protected] : makaylafriday8 :
  7. [email protected] : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. [email protected] : meredithbriley :
  9. [email protected] : olamcevoy1234 :
  10. [email protected] : roseannaoreily4 :
  11. [email protected] : sebastianstanfor :
  12. [email protected] : tangelamedina :
  13. [email protected] : teenaligar6 :
  14. [email protected] : xugmerri6352 :
  15. [email protected] : yzvhildegarde :
পার্বত্য সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে সড়ক নির্মাণ ও বিজিবি ক্যাম্প স্থাপনেও উপজাতি সন্ত্রাসীদের বাধা - BBC News 24

শনিবার, ০৮ মে ২০২১, ০৯:৩৩ অপরাহ্ন

সবার দৃষ্টি আকর্ষন:
অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১: তৃতীয় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট এর উত্তর লিখার কাজ চলছে। সর্বশেষ উপডেট পেতে সাথেই থাকুন
ব্রেকিং নিউজ :
কক্সবাজারে ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, উখিয়া অনলাইন প্রেসক্লাব’র নিন্দা পশ্চিম বাকলিয়া সমাজ কমিটি ও সচেতন নাগরিক সমাজের ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ দরিদ্র কৃষকের পাকা ধান কেটে ঘরে তুলে দেন শরণখোলা উপজেলা ছাত্রলীগ ৬ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে পাহাড় খেকোর মামলা, দুই বাংলা অনলাইন সাংবাদিক ফোরাম কক্সবাজার শাখ’র নিন্দা ও প্রতিবাদ ১৪ আসনে মহীয়সী নারী শিরিন রোকসানা নৌকার মাঝি হতে চান লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর জন্মদিন ৬ মে বিলাইছড়ি জোন কর্তৃক অবৈধ কাঠ উদ্ধার সড়ক দুর্ঘটনায় মনোতোষ নামে এক যুবকের মৃত্যু মৌলভীবাজারে কওমী মাদ্রাসা দুস্থ শিক্ষক ও ইমামদের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর উপহার বিতরণ মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের কর্মচারীেেদর মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ
পার্বত্য সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে সড়ক নির্মাণ ও বিজিবি ক্যাম্প স্থাপনেও উপজাতি সন্ত্রাসীদের বাধা

পার্বত্য সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে সড়ক নির্মাণ ও বিজিবি ক্যাম্প স্থাপনেও উপজাতি সন্ত্রাসীদের বাধা

আরিফুল ইসলামঃ রাঙামাটির বাঘাইছড়ির সাজেকে ২০ ইসিবির (ইঞ্জিনিয়ার কন্সট্রাকশনস ব্যাটালিয়ন) তত্ত্বাবধানে শিজকছড়া থেকে উদয়পুর পর্যন্ত স্থলবন্দর নির্মাণের উদ্দেশ্যে ১৩ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ শুরু করছে বাংলাদেশ সরকার।

সেই সাথে উদয়পুরের উত্তরে ১০ কিলোমিটার এবং দক্ষিণে ১০ কিলোমিটার সীমান্ত সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। মূলত সীমান্ত এলাকায় উন্নয়ন প্রসারিত করা ও সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে এই সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য জোরদার হবে স্থলবন্দর, সড়ক নির্মাণ ও বিজিবি ক্যাম্প নির্মাণের ফলে। উপকৃত হবে এদেশের মানুষ।

3rd week assignment 2021

সবচেয়ে অবাক করা তথ্য হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম সীমান্তের ৭৪ কিলোমিটার এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া নেই। অবাধে চোরাকারবারি সীমান্ত দিয়ে চলাফেরা করে। অন্যদিকে অবাধে উপজাতি সন্ত্রাসীরা প্রতিবেশী রাস্ট্রে প্রবেশ করে অস্ত্র সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ নিচ্ছে। এতে দেশের ও জনগণের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। যার প্রেক্ষিতে সরকার সীমান্তের কিছু এলাকায় বিজিবির টহল যাতায়াতের জন্য সড়ক নির্মাণ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

 
hostseba.com
 

বর্ডারে নিরাপত্তা জোরদার করতে একটি বিজিবি ক্যাম্প স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিজিবি ক্যাম্প নির্মাণ হলে উপজাতি সন্ত্রাসীদের চাঁদাবাজি, অস্ত্র সরবরাহ ও খুনাখুনি সহ আধিপত্য বিস্তার করতে সমস্যা হবে। তাই সরকারে গৃহীত কাজের বিরোধিতা করে নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ভূমি দখলের মিথ্যা- বানোয়াট অভিযোগ তুলছে।

গত ২৪ ও ২৮ এপ্রিল কমলাক পাড়া, তালছড়া এবং ছৈনালছড়ার এলাকাবাসীকে মাঠে নামিয়ে বিজিবি ক্যাম্প স্থাপনে বাধা প্রদান করে ইউপিডিএফ প্রসিত গ্রুপ। প্রথাগত নিয়মের দোহাই দিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের সবধরনের ভূমি উপজাতিদের দাবি করে ইউপিডিএফ সাধারণ মানুষদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভে নামিয়ে মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে।

এতোদিন সন্ত্রাসীরা সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নমূলক কাজের বিরোধিতা করেছে। এখন বিরোধিতা করছে সীমান্তের নিরাপত্তা কাজেও৷ এটা খুবই আশ্চর্যজনক! আসলে এই সন্ত্রাসীরা কী চায়? তারা সবকিছুতে বিরোধিতা করে। সীমান্তে নিরাপত্তা স্থাপন কাজে বাধা দেওয়া মানে তারা চায় বাংলাদেশ অরক্ষিত থাকুক। যদি তারা তা না চায় তাহলে ভূমি দখলের অজুহাত দিয়ে সীমান্তে সড়ক নির্মাণ ও বিজিবি ক্যাম্প স্থাপন কাজের বিরোধিতা করতে পারে না। পৃথিবীতে এমন কোন দেশ নেই যে, যারা সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করেনি। সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য আন্তর্জাতিক আইন রয়েছে। শুধু শুধু রাস্ট্রের সব পদক্ষেপে বাধাপ্রাপ্ত করা মঙ্গল হতে পারে না।

প্রথমে উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী সংগঠন গুলো বলেছে পাহাড়ে পর্যটন, সেনা ক্যাম্প ও কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হলে উপজাতিরা উচ্ছেদের শিকার হবে। একই সঙ্গে সুর মিলিয়ে দেশের একটি স্বার্থন্বেষী মহল বলেছিল “পার্বত্য চট্টগ্রামে রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কাজের কারণে উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান বাধাগ্রস্ত হবে, পাহাড়ের বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ধ্বংস হবে। এমনকি জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়বে। উপজাতিদের ভূমি কেড়ে নিয়ে সরকারের এমন উন্নয়ন কাজ করা যেমন গুরুত্বপূর্ণ নয় তেমনিই পরিবেশবান্ধব নয়।” যারা এতোদিন এসব বলেছেন, তারা এখন কী বলবেন?

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team