1. [email protected] : Reporter : Reporter
  2. [email protected] : MJHossain : M J Hossain
  3. [email protected] : isaac10j54517 :
  4. [email protected] : janetbaader69 :
  5. [email protected] : katherinflower :
  6. [email protected] : makaylafriday8 :
  7. [email protected] : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. [email protected] : meredithbriley :
  9. [email protected] : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. [email protected] : olamcevoy1234 :
  11. [email protected] : roseannaoreily4 :
  12. [email protected] : sebastianstanfor :
  13. [email protected] : tangelamedina :
  14. [email protected] : teenaligar6 :
  15. [email protected] : xugmerri6352 :
  16. [email protected] : yzvhildegarde :

রবিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন

একজন মানবিক মিজানুর রহমান খান চলে গেলেন না ফেরার দেশে

একজন মানবিক মিজানুর রহমান খান চলে গেলেন না ফেরার দেশে

Print Friendly, PDF & Email

ডেস্ক রিপোর্টঃ মিজানুর রহমান খান বাংলাদেশ’র সাংবাদিকতার জগতে একটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম। সেই ছোটবেলা থেকেই আমরা পারিবারিক সম্পর্কে বেড়ে উঠেছি। তার বাবার সাথে আমার বাবার ছিল গভীর বন্ধুত্ব। ছোট্ট একটি মফস্বল শহরের সামাজিকতায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহণ করে বিএম কলেজ থেকে কমার্স গ্রুপে শিক্ষা অর্জন করলেও তিনি একজন সংবিধান বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। নলছিটির রফিকুল ইসলাম তালুকদার(বৈকালী)র টেবিলে সাংবাদিকতা শুর করা ছোট্ট মিজানুর রহমান খান আজ বাংলাদেশ’র কোটি কোটি পাঠকের কাছে অতি পরিচিত স্বজন হিসেবে পরিচিত একটি নাম। বিশ্বের সাংবাদিকদের কাছেও তিনি ছিলেন অনুকরণীয় এবং অনুসরণীয়। আমাকে দাদা খুব পছন্দ করতেন। কোন দরকারে ফোন করলে দাদা বলতেন ‘মিলন আপনি চলে আসেন’। বলতাম দাদা আমাকে আপনি বলেন কেন? দাদা বলতেন এরপর থেকে আপনাকে আর আপনি বলবো না। কিন্তু হাজারো বার একই কাজ করতেন। দাদা করোনার মধ্যেও নলছিটিতে এসেছিলেন গ্রামের বাড়ির খোজ খবর নিতে। অনেকক্ষণ তার সাথে ছিলাম ছায়ার মতো। অতুল দার দোকান থেকে ওষুধ কিনতে গিয়ে স্মৃতিচারণ চারণ করলেন অনেকক্ষণ। পরে ক্যানসার আক্রান্ত রফিকুল ইসলাম(বৈকালী’র) অবস্থা জানতে চাইলেন। বললেন দেখতে যাবেন তাকে, কি খেতে পারেন তাও জানতে চাইলেন। আমি বললাম আমাকে বলবেন,আমিও যাবো। পরদিন দাদা ফোন করে বললেন মিলন আপনাকে নিয়ে যেতে পারিনি। বৈকালীকে দেখে এসেছি,তার ছেলেটার জন্য কিছু করতে চাই। ওর ফোন নম্বর দিতে বললেন। আমি বৈকালী’র ছেলের সাথে যোগাযোগ করলাম এবং বিকেলে আসতে বললাম। সন্ধ্যার দিকে একটু পর বৈকালী’র ছেলে আসলে দাদাকে ফোন করলাম। ওর সাথে অনেকক্ষণ কথা বললেন। শেষে আমাকে বললো ওর পড়াশোনা শেষ হলে একটা চাকরির ব্যবস্থা করে দিবেন।

সেই দিনের পর আর দাদার সাথে দেখা বা কথা হয়নি। তার অসুস্থতার খবর শোনা থেকেই ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করেছি। বিকেলে ভাই মশিউরের পোস্টে দেখলাম রক্তের দরকার। ভাবছিলাম সন্ধ্যার পর পলাশকে বলবো যে কোন ভাবেই যেন দাদার রক্তের জোগাড় করে দেয়। এরমধ্যেই বন্ধু জামান ফোন করে জানালো মিজান দাদার না ফেরার দেশে চলে যাওয়ার কথা। খবরটা শুনে দুচোখে জলের ধারা আটকে রাখতে পারলাম না। মনে পড়ে গেলো অনেক গুলো স্মৃতি। দুটি ঘটনা আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। একদিন একটা ল্যান্ড ফোন থেকে ফোন এলো আমার মোবাইলে। ওপাশ থেকে জানতে চাইলো আমি মিলন কান্তি দাস কি না। আমি হ্যা বলতেই উনি বললেন প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খান আপনার সাথে কথা বলবেন। দাদার স্বভাব সুলভ জিজ্ঞেসা কেমন আছেন? ভালো আছি বলার পর জানতে চাইলেন আমার কোলকাতা প্রবাসী দাদা *শ্যামল দাস) কেমন আছেন এবং কোন খবর জানি কি না। বললাম যোগাযোগ আছে এবং কিছু দিনের মধ্যেই আমি কোলকাতায় যাবো। দাদা বললেন যাওয়ার আগে অবশ্যই যেন তার সাথে দেখা করে যাই। এরপর ঢাকায় গিয়েছিলাম এবং দাদাকে বললাম আমি ঢাকাতে আছি। পরদিন সকালে তার সাথে দেখা করতে প্রথম আলোতে গেলে তিনি নিজে এসে রিসিভশণ থেকে আমাকে তার চেম্বারে নিয়ে যান। আপ্যায়ন করানোর পর বললেন শ্যামলদাকে একটা চিঠি আর একটা প্রনামী দিবো আপনি কি একটু পৌছে দিবেন? আমি লজ্জিত হয়ে বললাম দাদা আপনি যা বলবেন তাই করতেই আমি রাজি আছি। তখন অফিস থেকে বের হয়ে কাওরাণ বাজারের একটা শোরুমে নিয়ে গেলেন। শ্যামল দার ফতুয়া এবং বৌদির জন্য একটা শাড়ি কিনলেন। সেদিন তার মুখে যে তৃপ্তির হাসি দেখে ছিলাম তা হয়তো লক্ষ কোটি টাকায় পাওয়া যাবে না। এই প্যাকেট গুলো আমার হাতে দিয়ে বললেন আজকের মিজানুর রহমান খান হওয়ার পেছনে শ্যামল দাদার অবদান অনেক। আজ এই সামান্য গুরু দক্ষিণা পাঠাতে পেরে নিজেকে ধন্য মনে হচ্ছে। মিজান দাদার পাঠানো উপহার শ্যামল দার হাতে দিয়ে মিজান দাদাকে ফোন করেছিলাম। ফোনে গুরু শিষ্যের কথোপকথন আর গুরুর চোখের জল দেখে আবেগ আপ্লুত হলাম। জানি না তখন শিষ্যের চোখের আনন্দাশ্রু কি ভাবে ঝড়ছিলো।
আমি ২০১০ সালে অসুস্থ হওয়ার পর থেকেই তিনি আমার খবর রাখতেন। ২০১৪ সালের ডিসেম্বর মাসে কোলকাতার ডাক্তার দেখানোর পর সিদ্ধান্ত হলো ওপেন হার্ট করতে হবে। বাংলাদেশে এসে দাদাকে জানালাম। তিনি অভয় দিয়ে বললেন কোন ভয় নেই, যে কোন দরকারে যোগাযোগ রাখতে। তখন ইন্ডিয়ান হাইকমিশন থেকে আগে অন লাইন করে জমা দেওয়ার ডেট নিতে হতো। আমি অনেক চেষ্টার পরেও ডেট পাচ্ছিলাম না। শেষে মিজান দাদাকে বললাম যে ভিসা জমা দেওয়ার ডেট পাচ্ছি না। তিনি বললেন এখনই প্রথম আলোতে চলে আসেন আমি ভিসার ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। তখনই পাসপোর্ট গুলো নিয়ে তারকাছে ছুটে গেলাম। তিনি প্রথম আলোর সাংবাদিকদের ভিসার দিকটি যিনি দেখেন তাকে ফোন করে বললে তিনি জানালেন ভিসা পেতে এখন অন লাইন করেই যেতে হবে। একটু বিব্রত হয়ে বললেন এটা তার জানা ছিল না। আমাকে অভয় দিয়ে বললেন চিন্তা নেই একটা ব্যবস্থা হবেই। কিছুক্ষণ ভেবেই কাকে যেন ফোন করলেন। ফোন করে বললেন ‘সোহরাব ভাই আপনি কি রুমে আছেন? ওপাশ থেকে উত্তর এলো হ্যা রুমেই আছি। দাদা বললো আসেন ভিসার ব্যবস্থা হয়ে যাবে। সোহরাব হোসাইন ভাইয়ের রুমে ঢুকে আমার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। আমার বাবা আর তার বাবা বন্ধু ছিলেন এটাও তাকে বললেন। সোহরাব ভাই ইন্ডিয়ান হাই কমিশনে যোগাযোগ করলেন এবং ফর্ম পূরণ করে পরের দিন হাই কমিশনে গিয়ে জমা দিতে বললেন। জমা দিতে পারলেও ভিসা পেলাম না। আবার মিজান দাদাকে ফোন করলাম, বললাম দাদা ভিসা দেয়নি। সে সোহরাব ভাইয়ের সাথে কথা বলে জানালো টোকেনের কপি সোহরাব ভাইকে না দেওয়ার জন্য এই অবস্থা। পরের দিন আবার জমা দিতে বললেন। পরদিন আবার জমা দিলাম এবং টোকেন ফটোকপি করে দাদার কাছে দিয়ে আসলাম। দুই দিন পর ভিসা আনতে গিয়ে দেখি এবারেও ভিসা দেয়নি। ভিসা না পেয়ে চোখ থেকে জল পড়ছিলো। ফিরে আসার জন্য রিক্সায় উঠে দাদাকে জানালাম যে আজকেও ভিসা পাইনি। ভিসা পাইনি শুনেই তিনি কেমন যেন হয়ে গেলেন, বললো আপনি কোথায়? বললাম রিক্সায় উঠেছি ফিরে আসার জন্য,তিনি বললো রিক্সা থেকে নেমে ওখানে দাঁড়িয়ে থাকেন। আমি রিক্সা থেকে নেমে ওখানেই

আপনার মতামত দিন

Tayyaba Rent Car BBC News Ads

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team