1. [email protected] : Reporter : Reporter
  2. [email protected] : MJHossain : M J Hossain
  3. [email protected] : isaac10j54517 :
  4. [email protected] : janetbaader69 :
  5. [email protected] : katherinflower :
  6. [email protected] : makaylafriday8 :
  7. [email protected] : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. [email protected] : meredithbriley :
  9. [email protected] : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. [email protected] : olamcevoy1234 :
  11. [email protected] : roseannaoreily4 :
  12. [email protected] : sebastianstanfor :
  13. [email protected] : tangelamedina :
  14. [email protected] : teenaligar6 :
  15. [email protected] : xugmerri6352 :
  16. [email protected] : yzvhildegarde :

শনিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২১, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন

ব্রেকিং নিউজ :
চট্টগ্রাম আইনজীবী বিজয়া সম্মিলন পরিষদ অসম্প্রদায়িক চেতনার ধারকঃ অ্যাটর্নি জেনারেল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ওয়েষ্ট ইন্ডিজকে ২-০ তে হারিয়ে বিশ্ব রেকর্ড করলো বাংলাদেশ চিতলমারী সায়েন্স ক্লাবের জেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন ঝিনাইদহ হরিশংকরপুরে আ’লীগের জনসভায় এম,পি সমি সিদ্দিকী রাজারহাটে মোবাইল কোর্টে বাঁধা দেয়ায় মামলা,ব্যবসায়িদের মানব বন্ধন কালীগঞ্জে মাহতাব উদ্দীন ডিগ্রী কলেজ ৯৪ পুর্ণমিলন অনুষ্ঠিত মুজিব শতবর্ষ ব্যাডমিন্টন টুর্ণামেন্টে পাবেলের পক্ষ থেকে ফুলের শুভেচ্ছা বিনিময় উইন্ডিজের বিপক্ষে টাইগারদের সিরিজ জয় ঋণের দায়ে জিল বাংলা চিনি কল ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে দেওয়ানগঞ্জ কিশোরগঞ্জ সদর ইউপির আ’লীগ নেতাকর্মীদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
কালিয়ায় হরিলুটের পরিকল্পনায় ভেস্তে গেছে কর্মসৃজন প্রকল্প,তালিকাভুক্ত শ্রমিকের বদলে মাটি কেটেছে শিশুরা

কালিয়ায় হরিলুটের পরিকল্পনায় ভেস্তে গেছে কর্মসৃজন প্রকল্প,তালিকাভুক্ত শ্রমিকের বদলে মাটি কেটেছে শিশুরা

Print Friendly, PDF & Email

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলের কালিয়ায় অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থানের জন্য ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে বাস্তবায়নের জন্য কর্মসৃজন প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের ৪০ দিনের কাজ শ্রমিকের তালিকা প্রস্তুতে অনিয়ম, শ্রমিক অনুপস্থিতি, তদারকির অভাব ও হরিলুটের পরিকল্পনায় কর্মসৃজন প্রকল্প ভেস্তে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অনুপস্থিত শ্রমিকদের হাজিরা দেখিয়ে কাজ শেষ না করেই শ্রমিকদের ৩৫দিনের মজুরীর টাকার একটি অংশ সংশ্লিষ্টরা হরিলুট করে নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। উপজেলার ইউনিয়ন গুলোতে গৃহীত কিছু প্রকল্পে গত ৩৫ দিনে যেমন কাজ শুরু করতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা, তেমন সিংহভাগ প্রকল্পেই আংশিক কাজ করে মেয়াদ শেষের আগে ৩৫ দিনের মাথায় গত ৩০ ডিসেম্বর প্রকল্পগুলোর কাজ কর্মকর্তারা স্থগিত করে দিয়েছেন বলে জানা গেছে। আর শ্রমিকের তালিকা প্রস্তুতিতে সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে বদলী হিসেবে শিশু শ্রমিক দিয়ে মাটি কাটার কাজ করানো হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে অভিযোগও রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের দায়িত্বে নিয়োজিত উপ-সহকারি প্রকৌশলী দেবদাশ বিশ্বাস শিশু শ্রমিকদের দিয়ে মাটি কাটার কাজ করানোর সত্যতা স্বীকার করেছেন।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস সুত্রে জানা যায়, অতিদরিদ্রদের জন্য চলতি অর্থ বছরে সরকারে বাস্তবায়নাধীন কর্মসৃজন প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে ৪৮টি প্রকল্পের কাজ হাতে নেয়া হয়। ওইসব প্রকল্পের অনুকুলে ১ হাজার ২৩৯ জন শ্রমিক নিয়োগ করা হয়েছে। সরকারি বিধান অনুযায়ী ওইসব প্রকল্পের একজন শ্রমিক প্রতিদিন ৩৫ ঘনফুট মাটি কাটার বিনিময়ে ২০০ টাকা হারে মজুরী পাবেন। গত বছর ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হওয়া ৪০ দিনের ওই কর্মসূচীর কাজ চলতি বছর ৬ জানুয়ারী শেষ হওয়ার কথা। বিভিন্ন ইউনিয়ন ওইসব প্রকল্পের খোজ নিতে গিয়ে জানা গেছে, গত ৩৫ দিনে পেড়লী ইউনিয়নের ৫টি প্রকল্পের মধ্যে ৩টি প্রকল্পেই কাজের কোন নমুনা পাওয়া যায়নি। দু’টি প্রকল্পের কাজ আংশিক ভাবেই শেষ করা হয়েছে। প্রকল্প চেয়ারম্যানরা বলেছেন, শ্রমিক নিয়োগ ও স্থানীয় সমস্যার কারণে তারা কাজ করতে পারেননি। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে বার বার জানিয়েও কোন সুরাহা হয়নি।
চাচুড়ী ইউনিয়নের ৪টি প্রকল্পের মধ্যে ২টি প্রকল্পের কাজ আংশিক সম্পন্ন হয়েছে। ওই ইউনিয়নের ‘দাদনতলা মিজান মোল্যার বাড়ি থেকে শামছু মোল্যার ঘের অভিমুখী রাস্তা মাটি দ্বারা উন্নয়ন’ প্রকল্পে গিয়ে ২২ জন শ্রমিকের স্থলে ৩শিশুসহ ১০ জন শ্রমিককে কাজ করতে দেখা গেছে। শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শিশুরা বদলী শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি বাচ্চু মিয়া বলেন, ১৪ জন শ্রমিক নিয়মিত কাজ করে থাকেন, আর বাকি আটজন শ্রমিক অফিসের হিসেবে রয়েছে। এর বেশী আর কিছু তিনি বলতে রাজি হননি। শিশু শ্রমিক কাজ করে কি-না তিনি জানেন না।
একই ইউনিয়নের ‘কৃষ্ণপুর মুরালী বিশ্বাসের বাড়ি হতে বিল্লাল খার বাড়ি অভিমূখী রাস্তা মাটি দ্বারা উন্নয়ন’ প্রকল্পে গিয়ে ২২ জন শ্রমিকের স্থলে ১৭ জন শ্রমিককে কাজ করতে দেখা গেছে।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি মো, রবিউল ইসলাম বিপুল বলেন, প্রকল্পের কাজ চলছে। শ্রমিক অনুপস্থিতির বিষয়টি অস্বীকার করে তিনি নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন।
এছাড়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে খোজ নিয়ে জানা গেছে, শ্রমিক অনুপস্থিতির কারণে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্প গুলোর কাজ বেশীর ভাগই আংশিক সম্পন্ন হয়েছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শ্রমিকের তালিকা তৈরীর ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়মের কারণে অনেকেই প্রকল্পের কাজে যোগ দেন না। যে কারণে গত ৩৫ দিনে উপজেলার বেশীর ভাগ প্রকল্পের প্রায় অর্ধেক কাজ শেষ করেই বরাদ্দকৃত টাকার অর্ধেক টাকা সংশ্লিষ্টরা তুলে ভাগবাটেযারা করে নিচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
উপজেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নাছরিন সুলতানা বলেন, জেলার তিনটি উপজেলার দায়িত্বে থাকার কারণে সব কিছুর খেয়াল রাখা তার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে কোন অনিয়ম হয়ে থাকলে খোজ নিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
কালিয়ার ইউএনও মো. নাজমুল হুদা বলেন, অনিয়ম ও নানা সমস্যার কারণে উপজেলার কর্মসৃজন প্রকল্পের কাজ বন্ধরাখা হয়েছে। প্রকল্পের কাজের মেয়াদ বৃদ্ধি হলে আবার কাজ শুরু করা হবে।

আপনার মতামত দিন

Tayyaba Rent Car BBC News Ads

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team