1. [email protected] : Reporter : Reporter
  2. [email protected] : MJHossain : M J Hossain
  3. [email protected] : isaac10j54517 :
  4. [email protected] : janetbaader69 :
  5. [email protected] : katherinflower :
  6. [email protected] : makaylafriday8 :
  7. [email protected] : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. [email protected] : meredithbriley :
  9. [email protected] : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. [email protected] : olamcevoy1234 :
  11. [email protected] : roseannaoreily4 :
  12. [email protected] : sebastianstanfor :
  13. [email protected] : tangelamedina :
  14. [email protected] : teenaligar6 :
  15. [email protected] : xugmerri6352 :
  16. [email protected] : yzvhildegarde :

মঙ্গলবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২১, ০২:২৭ অপরাহ্ন

যশোর চৌগাছায় বই প্রদানকালে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

যশোর চৌগাছায় বই প্রদানকালে টাকা নেওয়ার অভিযোগ

Print Friendly, PDF & Email

নিলয় ধর, যশোর প্রতিনিধিঃ চৌগাছার বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যের বই বিতরণকালে টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এই টাকা আদায়ে কোনো ধরনের রশিদ দেওয়া হচ্ছে না শিক্ষার্থীদের। এমনকি কেন এই টাকা নেওয়া হচ্ছে তাও শিক্ষার্থী বা অভিভাবকদের জানানো হচ্ছে না। এই বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়েও প্রতিকার মিলছে না বলে অভিযোগ অভিভাবকদের।

রবিবার (৩ জানুয়ারি) উপজেলার সৈয়দপুর-কোটালীপুর (এসকে) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর অভিভাবক টাকা আদায়ের ভিডিওসহ উপজেলা শিক্ষা অফিসারের কাছে অভিযোগ করেছেন। শাহিনুর রহমান নামে ওই অভিভাবক জানিয়েছেন, স্কুলটিতে ৪শত থেকে সাড়ে ৪শত’ শিক্ষার্থী রয়েছে। সেখানকার শিক্ষকরা ষষ্ঠ শ্রেণিতে ২৫০ টাকা এবং সপ্তম, অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণিতে ২০০ টাকা করে আদায় করছেন। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে জানালে তিনি উল্টো তাকে বলেন, এক সপ্তাহ অপেক্ষা করেন, প্রতিষ্ঠান প্রধান এই বিষয়ে রশিদ দিয়ে দেবেন। উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কথায় সন্তুষ্ট না হতে পেরে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এই বিষয়ে অভিযোগ করেন।

শাহিনুর রহমান আরো বলেছেন, ‘আমার সন্তান ওই স্কুলে এই বছর নবম থেকে দশম শ্রেণিতে উঠেছে। তারসহ আমাদের বাড়ির আরো কিছু ছেলে-মেয়ে যারা বিভিন্ন ক্লাসে উঠেছে সবার কাছ থেকে ২০০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। আর ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ২৫০ টাকা করে আদায় করা হয়েছে। টাকা আদায় করছেন স্কুলের অফিস সহকারী শরিফুল ইসলাম বাদশাহ, শিক্ষক আক্তারুল ইসলাম ও স্কুলের বিএসসি শিক্ষক। তবে এটা কীসের টাকা কেন নেওয়া হচ্ছে তা এসব শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলেও তারা বলতে পারেননি। তারা শুধু বলেছেন প্রধান শিক্ষক এই টাকা নিতে বলেছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সৈয়দপুর-কোটালীপুর (এসকে) মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হানেফ আলী বলেছেন, ‘হ্যাঁ টাকা নেওয়া হচ্ছে। না নিলে প্রতিষ্ঠান কীভাবে চালাবো?’ পরে তিনি বলেন, এগুলো গত বছরের বেতন হিসেবে নেওয়া হচ্ছে। আর ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি ফি নেওয়ার জন্য সরকারি নির্দেশনা আছে। তবুও আমাদের শিক্ষা অফিসার স্যার বলেছেন ভর্তি ফি না নিয়ে বেতন হিসেবে নিতে। সে কারণে ৫০ টাকা করে হিসেবে ৫ মাসের অগ্রিম বেতন নেওয়া হচ্ছে। রশিদ শেষ হওয়ায় রশিদ দেওয়া হয়নি। তবে এক সপ্তাহের মধ্যে দিয়ে দেওয়া হবে।

 
hostseba.com
 

এই দিকে, খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার প্রায় অর্ধশত মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রায় সবগুলোতেই এভাবে টাকা আদায় করা হচ্ছে। এই নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন অভিভাবকরা। তারা বলছেন, করোনার কারণে গত বছর মার্চ মাস থেকেইে স্কুল বন্ধ রয়েছে। স্কুল যেখানে সারা বছরই বন্ধ রয়েছে, তাহলে স্কুলের খরচইবা কীসের? তাছাড়া শিক্ষকরা তো সরকারের দেওয়া বেতন নিয়েছেন। গ্রামের স্কুলগুলোর শিক্ষকরা তো এই ১০মাসে একটিবারের জন্যেও তাদের শিক্ষার্থীদের কোনো খোঁজ-খবর নেননি। তাদের তো শিক্ষার্থীদের জন্য মোবাইল ফোন খরচও হয়নি।

সেখানে করোনার বছরে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বেতনের টাকা আদায় করা হবে কেন? আর অগ্রিম বেতনই বা নেওয়া হবে কেন? বিষয়টিতে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। তবে এসব বিষয়ে কথা বলার জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম মো. রফিকুজ্জামানের ফোনে বেলা তিনটা ২০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে কয়েকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

আপনার মতামত দিন

Tayyaba Rent Car BBC News Ads

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team