1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ১২:১১ পূর্বাহ্ন

সবার দৃষ্টি আকর্ষন:
বিবিসিনিউজ২৪ডটকমডটবিডি এর পেইজে লাইক করে মুহূর্তেই পেয়ে যান আমাদের সকল সংবাদ
ব্রেকিং নিউজ :
পাহাড়তলী আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের কাউন্সিল সম্পন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে মানিকছড়িবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন যুবলীগ নেতা সামু চাঁপাইনবাবগঞ্জ কানসাট ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ও তার সহযোগি আটক কারাগারে প্রেরণ জামালপুর শহরে ট্রেনে কাটা পরে ১ জনের মৃত্যু রাঙামাটি’র ঘাগড়া’য় ১২০ লিঃ মদ সহ সিএনজি অটোরিকশা আটক নড়াইলে অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষককে গলা কেটে হত্যা রামগড়ে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজল চৌধুরীর শেষকৃত্য সম্পন্ন রামগড়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা শারদীয় দূ্র্গাপুজা উপলক্ষে হরিজন সম্প্রদায়ের শিশুদের মাঝে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের উপহার প্রদান গোবিন্দগঞ্জে গ্রেফতারী পরোয়ানার ৯ আসামী আটক
বেদে-অনগ্রসর ও বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি

বেদে-অনগ্রসর ও বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচি

Print Friendly, PDF & Email

মো. আবুল বশারঃ দেশের বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনায় এনে পৃথিবীর অন্যান্য কল্যাণ রাষ্ট্রের ন্যায় তাদেরকে আর্থিক অনুদান প্রদানের মাধ্যমে মনোবল জোরদার, পরিবারে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি ও নিরাপত্তাবোধ ফিরিয়ে আনা এবং দেশের দুঃস্থ, অবহেলিত, পশ্চাৎপদ, দরিদ্র, এতিম, প্রতিবন্ধী এবং অনগ্রসর মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নের ক্ষেত্রে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের রয়েছে ব্যাপক ও বহুমুখী কর্মসূচী।

বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৮ সালে দুঃস্থ ও বার্ধক্যে আক্রান্ত স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা অপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর জন্য বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম প্রবর্তণ করে আসছে। এর মধ্যে যারা ভূমিহীন, বিত্তহীন এবং বার্ধক্যের কারনে যারা দৈহিক পরিশ্রমে অক্ষম তারাই সবচেয়ে বেশি দারিদ্রের শিকার। বয়স্ক এবং কাজ করতে অক্ষম দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য সরকার বয়স্ক ভাতা প্রদান কর্মসূচী চালু করেছে। গ্রাম এলাকার বয়স্ক ভাতা কর্মসূচী বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পরিষদের রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার। এ কর্মসূচীর আওতায় প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়। পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের অঙ্গিকার হিসেবে ২০২১ সালের মধ্যে বয়স্কভাতাভোগীর সংখ্যা দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সে লক্ষ্যে ২০০৯-১০ অর্থ বছরে বয়স্কভাতাভোগীর সংখ্যা ২০ লক্ষ জন থেকে বৃদ্ধি করে ২২ লক্ষ ৫০ হাজার জনে এবং জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ২৫০ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৩০০ টাকায় উন্নীত করা হয়। ২০১০-১১ অর্থ বছরে বয়স্কভাতাভোগীর সংখ্যা ২ লক্ষ ২৫ হাজার জন বৃদ্ধি করে ২৪ লক্ষ ৭৫ হাজার জনে উন্নীত করা হয়। ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে ৩১ লক্ষ ৫০ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৫০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।

২০১৯-২০ অর্থ বছরে ৪৪ লক্ষ বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৫০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়। চলতি অর্থ বছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ২ হাজার ৬ শত ৪০ কোটি টাকা। ডাটাবেইজ প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ এবং ১০ টাকার বিনিময়ে সকল ভাতাভোগীর নিজ নামে ব্যাংক হিসাব খুলে ভাতার অর্থ পরিশোধ করার ব্যবস্থা করেছে সরকার। নির্দিষ্ঠ কোন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা, জন্ম নিবন্ধন অথবা জাতীয় পরিচিতি নম্বর, পুরুষের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬৫ বছর এবং মহিলাদের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৬২ বছর হতে হবে। বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধন সনদ, এসএসসি/সমমান পরীক্ষার সনদপত্র বিবেচনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে কোন বিতর্ক দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট কমিটির সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

 
hostseba.com
 

তবে সরকারি কর্মচারী পেনশনভোগী হলে, দুঃস্থ মহিলা হিসেবে ভিজিডি কার্ডধারী হলে, অন্য কোনোভাবে নিয়মিত সরকারী অনুদান/ভাতা প্রাপ্ত হলে এবং কোনো বেসরকারি সংস্থা ও সমাজকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান হতে নিয়মিতভাবে আর্থিক অনুদান/ভাতা প্রাপ্ত হলে সে বয়স্ক ভাতার আওতায় আসবেন না।

এ প্রকল্পে নিঃস্ব, উদ্বাস্তত ও ভূমিহীন, বিধবা, তালাকপ্রাপ্তা, বিপত্নীক, নিঃসন্তান, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিদেরকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। ভূমিহীন ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এক্ষেত্রে বসতবাড়ী ব্যতীত কোনো ব্যক্তির জমির পরিমাণ ০.৫ একর বা তার কম হলে তিনি ভূমিহীন বলে গণ্য হবেন।শারীরিকভাবে অক্ষম কিংবা পর্দানশীন হওয়ার কারণে ভাতা গ্রহণের জন্য কেউ সশরীরে উপস্থিত হতে না পারলে তিনি তার পক্ষে একজনকে মনোনয়ন দেন। মনোনয়ন প্রাপ্ত ব্যক্তির ছবিতে মেম্বার/প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তা/উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকে। ভাতা গ্রহণের সময় মনোনীত ব্যক্তিকে ভাতা প্রাপ্ত ব্যক্তি জীবিত আছেন বলে এই মর্মে স্থানীয় প্রতিনিধি (ওয়ার্ড মেম্বার/ চেয়ারম্যান, ইউনিয়ন পরিষদ) এর সনদপত্র পেশ করতে হয়। এ ভাতা প্রতি মাসে দেওয়া হয়। কেউ এককালীন টাকা উঠাতে চাইলে নির্ধারিত সময়ের শেষে ভাতা উত্তোলন করতে হয়। বয়স্ক ভাতা গ্রহীতা মৃত্যুবরণ করলে সে সংবাদটি সমাজসেবা কর্মকর্তা স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নিকট থেকে মৃত্যু সনদপত্র সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষ ও কার্যালয়কে বিষয়টি অবহিত করবেন।

বাংলাদেশ সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বয়স্কভাতা প্রদান কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে। এ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। এ কর্মসূচী সার্বিকভাবে তত্ত্বাবধানের জন্য মাননীয় অর্থ মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রীসভা কমিটি রয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী উক্ত কমিটির সদস্য। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কমিটিকে সার্বিক সহায়তা প্রদান করে। কমিটি প্রতি ৩ মাসে একবার বৈঠকে মিলিত হয়। প্রতি বছর মার্চ মাসে কমিটির বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয় এবং উক্ত সভায় বয়স্ক ভাতা প্রদান কর্মসূচীর পরবর্তী বছরে সার্বিক মূল্যায়ন ও পরবর্তী বাজেট নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।
বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা কর্মসূচি বাস্তবায়নে অধিকতর গতিশীলতা আনয়নের জন্য বর্তমান সরকার পুনরায় ২০১০-১১ অর্থ বছরে এ কর্মসূচি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করে। বর্তমান সরকারের উদ্যোগে প্রবর্তিত এ কর্মসূচি সমাজসেবা অধিদফতর সফলভাবে বাস্তবায়ন করছে। এ কর্মসূচির আওতায় ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ১৭ লক্ষ জন ভাতাভোগীর জন্য জনপ্রতি মাসিক ৫০০ টাকা হারে মোট ১০২০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করার পর বিগত ৬ বছরে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা বিতরণে প্রায় শতভাগ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটি ক্ষুদ্র অংশ ।সমাজসেবা অধিদফতরের জরিপমতে বাংলাদেশে প্রায় ১৩,২৯,১৩৫ জন অনগ্রসর জনগোষ্ঠী এবং ৭৫,৭০২ জন বেদে জনগোষ্ঠী রয়েছে। জেলে, সন্যাসী, ঋষি, বেহারা, নাপিত, ধোপা, হাজাম, নিকারী, পাটনী, কাওড়া, তেলী,পাটিকর , বাঁশফোর, ডোমার, রাউত, তেলেগু, হেলা, হাড়ি, লালবেগী, বাল্মিগী, ডোম ইত্যাদি তথাকথিত নিম্নবর্ণের জনগোষ্ঠী এ অনগ্রসর সম্প্রদায়ভুক্ত। যাযাবর জনগোষ্ঠীকে বেদে সম্প্রদায় হিসেবে পরিচিত। বেদে জনগোষ্ঠীর শতকরা ৯৯ ভাগ মুসলিম এবং শতকরা ৯০ ভাগ নিরক্ষর। ৮টি গোত্রে বিভক্ত বেদে জনগোষ্ঠীর মধ্যে মালবেদে, সাপুড়িয়া, বাজিকর, সান্দার, টোলা, মিরশিকারী, বরিয়াল সান্দা ও গাইন বেদে ইত্যাদি। এদের প্রধান পেশা হচ্ছে ক্ষুদ্র ব্যবসা, তাবিজ-কবজ বিক্রি, সর্প দংশনের চিকিৎসা, সাপ ধরা, সাপের খেলা দেখানো, সাপ বিক্রি, আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্য সেবা, শিংগা লাগানো, ভেষজ ঔষধ বিক্রি, কবিরাজি, বানর খেলা, যাদু দেখানো প্রভৃতি।
২০১২-২০১৩ অর্থ বছরে পাইলট কর্মসূচির মাধ্যমে ৭টি জেলায় এ কার্যক্রম শুরু হয়। পাইলট কার্যক্রমভুক্ত ৭টি জেলা হচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, পটুয়াখালী, নওগাঁ, যশোর ,বগুড়া এবং হবিগঞ্জ।২০১২-১৩ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৬৬,০০,০০০ (ছিষট্টি লক্ষ) টাকা। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে নতুন ১৪ জেলাসহ মোট ২১টি জেলায় এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয় এবং জেলাগুলো হচ্ছে ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, শেরপুর, টাঙ্গাইল, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, কুমিল্লা, পাবনা, নওগাঁ, দিনাজপুর, নীলফামারী, যশোর, কুষ্টিয়া, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী এবং হবিগঞ্জ। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ৭,৯৬,৯৮,০০০.০০ (সাত কোটি ছিয়ানববই লক্ষ আটানববই হাজার) টাকা। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে পূর্বের ২১ জেলায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ৯,২২,৯৪,০০০ টাকা। ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে ৬৪ জেলায় সম্প্রসারন করা হয়েছে এবং বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ১৮ কোটি টাকা।২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৬৪ জেলায় বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ৫০ কোটি ০৩ লক্ষ টাকা। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে ৬৪ জেলায় বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ৫৭ কোটি ৮৭ লক্ষ টাকা।
হিজড়া জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার একটি ক্ষুদ্র অংশ হলেও আবহমান কাল থেকে এ জনগোষ্ঠী অবহেলিত ও অনগ্রসর গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। সমাজে বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার এ জনগোষ্ঠীর পারিবারিক, আর্থসামাজিক, শিক্ষা ব্যবস্থা, বাসস্থান, স্বাস্থ্যগত উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ সর্বোপরি তাদেরকে সমাজের মূল স্রোতধারায় এনে দেশের সার্বিক উন্নয়নে তাদেরকে সম্পৃক্তকরণের লক্ষ্যে সরকার এ কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সমাজসেবা অধিদফতরের জরিপমতে বাংলাদেশে হিজড়ার সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার।২০১৯-২০ অর্থ বছরে মোট বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ৫,৫৬,০০,০০০/- (পাঁচ কোটি ছাপ্পান্ন লক্ষ) ) টাকা। ২০২০-২১ অর্থবছরে সামাজিক নিরাপত্তা খাতে মোট ৯৫ হাজার ৫৭৪ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা মোট বাজেটের ১৬.৮৩ শতাংশ এবং জিডিপির ৩.০১ শতাংশ। তথ্যসূত্র: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদফতর এর ওয়েব সাইড এবং ২০২০-২১ সালের জাতীয় বাজেট। পিআইডি ফিচার।

আপনার মতামত দিন

Tayyaba Rent Car BBC News Ads

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team