1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন

সবার দৃষ্টি আকর্ষন:
বিবিসিনিউজ২৪ডটকমডটবিডি এর পেইজে লাইক করে মুহূর্তেই পেয়ে যান আমাদের সকল সংবাদ
ব্রেকিং নিউজ :
পাহাড়তলী আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের কাউন্সিল সম্পন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে মানিকছড়িবাসীকে শুভেচ্ছা জানালেন যুবলীগ নেতা সামু চাঁপাইনবাবগঞ্জ কানসাট ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ও তার সহযোগি আটক কারাগারে প্রেরণ জামালপুর শহরে ট্রেনে কাটা পরে ১ জনের মৃত্যু রাঙামাটি’র ঘাগড়া’য় ১২০ লিঃ মদ সহ সিএনজি অটোরিকশা আটক নড়াইলে অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষককে গলা কেটে হত্যা রামগড়ে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজল চৌধুরীর শেষকৃত্য সম্পন্ন রামগড়ে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা শারদীয় দূ্র্গাপুজা উপলক্ষে হরিজন সম্প্রদায়ের শিশুদের মাঝে কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশের উপহার প্রদান গোবিন্দগঞ্জে গ্রেফতারী পরোয়ানার ৯ আসামী আটক
চট্টগ্রাম মেডিকেলে বেহাল দশা/চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরাই যেন সর্বেসর্বা

চট্টগ্রাম মেডিকেলে বেহাল দশা/চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীরাই যেন সর্বেসর্বা

Print Friendly, PDF & Email
মো আবু আবিদ,চীফ রির্পোটার : মুনির বাবা হঠাৎ ই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। টাকার অভাব নেই,তবে বড়লোকও নয়।উচ্চ মধ্যবিত্ত। ছোট একটা ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছে। ক্লিনিকে রাখল না,অবস্থা বেশি খারাপ। মেডিকেলে নিয়ে যেতে হবে।

কিন্তু মুনি তো জানে না মেডিকেল কোথায়। অপরিচিত ক্লিনিকের ডাক্তার আংকেলকে বললো কিভাবে নিয়ে যাব? আব্বু তো গাড়িতে উঠতে পারবে না। আংকেল মুনির অসহায়ত্ব দেখে একটা এম্বুলেন্স ঠিক করে দিল।এম্বুলেন্সের গন্তব্য চট্টগ্রাম মেডিকেলের ইমার্জেন্সি বিভাগ।
এম্বুলেন্স এসে থামল চট্টগ্রাম মেডিকেলের ইমার্জেন্সি বিভাগের সামনে। কিন্তু তারপর? মুনি তো জানে না,তারপর কি করতে হয়? সবার কাছে জিজ্ঞেস করছে, কেউ বলছেন না। অবশ্য কেউ বলার অবস্থাতেও নেই। কান্না আর হাঁপানির আওয়াজে কয়জনের কানেইবা ঢুকেছে, তা ঠিক জানা নেই। সবার দেখা দেখি মুনিও দৌড়ে গেল টিকিট কাউন্টারের দিকে। ১৫ টাকা দিয়ে টিকিট কিনলো। তারপর বাবার কাছে গেল। হুইল চেয়ার দরকার। হুইল চেয়ারের ওয়ার্ড বয়কে ডাকছে। সে তার কথায় পাত্তা দিচ্ছে না। মুনি তো জানে না, পাত্তা দেয়ার জন্য হাতে ১০০ টাকা দেয়া লাগে। তার ব্যাগেও টাকা আছে। কিন্তু জানে না,তা কোথায় দিতে হবে।অবশেষে কোনমতে ধরে বাবাকে ডাক্তার দেখালো। ওয়ার্ড নাম্বার লিখে দিয়েছে।
আবার সে-ই টিকিট কাউন্টার। ওমা, এ কি? মুনি খেয়াল করলো, তার বাবার নাম লেখা হয়েছে খোরশেদ। অথচ তার বাবার নাম হল- মোরশেদ। সে বললো, কাকু একটু দয়া করে নামরা ঠিক করে দিন। কাকু তো গরম হয়ে গেল। আমি ভুল লেখেছি, তুই আমাকে লেখা শিখাছ। মুনি তো অবাক। তুই তুকারি করছেন।মুনি বললো আমি তো ঠিকই বলেছি, কিন্তু করোনার জন্য যে কাচের সিস্টেম করেছেন, তারজন্য হয়তো শুনেন নি। কাউন্টারের আংকেল এবার বেজায় গরম। মুনিকে শাস্তিস্বরূপ ১৫ মিনিটের মত দাঁড় করিয়ে রাখল।তারপর ওয়ার্ডে যেতে হবে।
মুনি বুঝতে পারছে নাহ, কি করে বাবাকে ধরে নিয়ে যাবে। তাছাড়া ১৬ নাম্বার ওয়ার্ড কোথায় তাও তো চিনে না। এবার মুনি সিদ্ধান্ত নিল সে হুইল চেয়ারের বয় এর পা ধরবে।তাও বাবাকে বাঁচাতে হবে। এবার তার আকুতি দেখে একজন বলেই ফেললো, ১৫০ টাকা লাগবে। মুনি তো খুবই খুশি। সাথে সাথে সে টাকা দিয়ে দিল।
হুইল চেয়ার করে ওয়ার্ডে নেয়া হল। কিন্তু বেড নেই। কোথাও কোন বেড খালি নেই,বলছে নার্স। এবার মুনি কেঁদেই ফেললো,হাউমাউ করে কাঁদলো।কিন্তু কেউ তার কান্না থামাতে এল না। বাধ্য হয়ে কাঁদতে কাঁদতে এবার রওনা দিল বড় ক্লিনিকের পথে। মুনি তো জানে নাহ, আয়ার হাতে ২০০ টাকা দিলেই অটোমেটিক বেড পাওয়া যেত। মুনির চোখের কয়েক ফোটা জল হয়তো কারও পায়ের তলার পিষুনিতে মুছে যাবে। কিন্তু মুনির মনে থাকা স্মৃতি গুলো আজীবন গেঁথে রইবে।
মুনির এ ঘটনা ঘটার পেছনে ডাক্তার বা কর্তৃপক্ষের কোন দোষ-ই নয়। তারা কি করে জানবে? তাদের কাছে যে অভিযোগ করা যায় তাও তো জানত না,মুনি। কিন্তু সত্যি টা বড়ই নির্মম এটা কোন একটা মুনির গল্প নয়। এরকম শত মানুষ প্রতিনিয়ত মেডিকেলের প্রতি খারাপ ধারণা নিয়ে ফিরে যাচ্ছে। তাদের আমরা আজীবন চেষ্টা করলেও বোঝাতে পারি না, মেডিকেল কর্তৃপক্ষ ও ডাক্তার যথেষ্ট আন্তরিক। সত্য এটাই যে, আমাদের এখন উচিৎ চতুর্থ শ্রেণির বকশিস নামক যে একটা ভয়াল ইনকামের পথ রয়েছে তা সকলে মিলে রুখে দেয়া। আর হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট সকলকে এ বিষয়ে নজর দেয়ার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

আপনার মতামত দিন

Tayyaba Rent Car BBC News Ads

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team