1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

বৃহস্পতিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২০, ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন

সবার দৃষ্টি আকর্ষন:
বিবিসিনিউজ২৪ডটকমডটবিডি এর পেইজে লাইক করে মুহূর্তেই পেয়ে যান আমাদের সকল সংবাদ
ব্রেকিং নিউজ :
মাতারবাড়ি ডিপ সি পোর্ট চট্টগ্রাম আইনজীবী ভবন আমার আবেগ ও অনুভূতির জায়গাঃ ড. হাসান মাহমুদ উখিয়া মধ্য রাজাপালং সেড এনজিও কতৃক দূর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস বিষয়ক দ্বি-মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয় সম্প্রীতির হবিগঞ্জ সংগঠনের জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক হলেন সাংবাদিক আলী জাবেদ মান্না তেঁতুলিয়ায় দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণের অভিযোগে,গ্রেফতার ৩ চলে গেলেন ফুটবলের জাদুকর ম্যারাডোনা হালিশহর থানা মুক্তিযোদ্ধা কল্যান ও পুনর্বাসন সমবায় সমিতি নির্বাচন-২০২০ সমীকরণে এগিয়ে খায়ের-নাসির প্যানেল স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয় করণের দাবীতে ২৯ শে নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রার ঘোষণা ন্যাশনাল সার্ভিসের কর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগে ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেফতার নলছিটি তাঁরা মন্দিরে ৩ দিন ব্যাপী জগদ্ধাত্রী পূজো সমাপ্ত
নতুন ব্লগ তৈরি করুন, মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করুন, জেনে নিন কিভাবে

নতুন ব্লগ তৈরি করুন, মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করুন, জেনে নিন কিভাবে

নতুন ব্লগ তৈরি করুন, মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করুন, জেনে নিন কিভাবে
নতুন ব্লগ তৈরি করুন, মাসে ৩০ হাজার টাকা আয় করুন, জেনে নিন কিভাবে

Print Friendly, PDF & Email

ব্লগ শুরু করার নিয়ম

লিখেছেন – মুহাম্মদ জাবেদ হোসাইন

প্রযুক্তিপ্রেমী অগনিত মানুষের ভালবাসা ও উৎসাহ পেয়ে এগিয়ে নিয়ে যাব আপনাদেরই প্রিয় এই কৃপারামপুর ডট কম ব্লগ।এখানে যেকোন ভিজিটর ব্লগের যেকোন পোস্ট দেখতে, ডাউনলোড করতে পারবেন খুব সহজেই। এখানে নিবন্ধনের জন্য কোন বাধ্যবাধকতা নেই। কোন পোস্ট এ যদি কোন প্রশ্ন বা চাহিদা থাকে তবে আপনি খুব সহজেই এখানে কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে পারেন। যেহেতু আমরা অধিকাংশ মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করি, তাই আপনি খুব সহজেই আপনার ফেসবুক এর মাধ্যমে এর যে কোন পোস্টে কমেন্ট করে আপনার মতামত জানাতে পারেন।কিন্তু আপনি যদি চান এই ব্লগে আপনিও প্রযুক্তি বিষয়ক লেখা লিখে আপনার জানা টিপস সবার সাথে শেয়ার করবেন, তাহলে আপনাকে নিবন্ধন করতে হবে।নিবন্ধন খুবই সহজ,নিবন্দন করতে

–>>bbcnews24.com.bd/wp-login.php?action=register<<

–এই খানে আপনি Username এ আপনি আপনার নাম, সাংকেতিক শব্দ ইত্যাদি লিখতে পারেন। অবশ্যই ইংরেজিতে। এর পর E-mail এ আপনি আপনার ইমেইল এ্যাড্রেসটি লিখুন।এবং নিচের খালি ঘরে যা চাওয়া হয়েছে লিখুন তারপর নিবন্ধন এ ক্লিক করুন ।এর পর আপনার E-mail এ অটোমেটিক আপনার Username এবং Password পেয়ে যাবেন,একবার যাচাই করেই দেখুন।বাছ হয়ে গেল আপনার নিবন্ধন।

 
hostseba.com
 

ব্লগ তৈরী করার নিয়ম

★★★ ভাবছেন আপনার ওয়েব সাইট নেই, কম্পিউটার সম্পর্কে তেমন কিছু জানেন না.. তো কিভাবে সম্ভব? অসম্ভব নয় একেবারেই। একটু কষ্ট করলে আপনিও পেতে পারেন গুগলের চেক.. বাসায় বসেই। কিছু না হোক, অন্তত যদি নেটের বিল ও ব্যক্তিগত খরচটুকু চলে আসে, তাতেই বা কম কিসে? Google AdSense থেকে উপার্জনের কিছু থিউরিটিক্যাল ও প্রাকটিক্যাল আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছি। তার আগে আলোচনার একটি শ্রেণীবিভাগ করে নেই। আমরা মূলত পাঁচটি ভাগে আলোচনাটা করবো যাতে নির্দিষ্ট কোন টপিকে আলাদা আলাদা প্রশ্ন করা যায়।

১) AdSense সম্পর্কিত কিছু প্রাথমিক ধারণা

২) AdSense এর বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি (সাইট বা ব্লগ)

৩) AdSense এর জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া ও কিছু প্রাসঙ্গিক বিষয়

৪) এডস প্রতিস্থাপন ও আনুষাঙ্গিক বিষয়াদি

৫) গুগল থেকে টাকা নিজের পকেটে আনার প্রক্রিয়া এই সবগুলো ধাপের সাথেই থাকছে কিছু টিপস এন্ড ট্রিকস এবং করণীয় ও বর্জনীয়।

 

AdSense প্রাথমিক ধারণা

★★★ AdSense সম্পর্কিত কিছু প্রাথমিক ধারণা AdSense মূলত একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা যারা আপনার আমার জন্য বিভিন্ন কোম্পানী/ওয়েব থেকে বিজ্ঞাপন এনে দেয় এবং আপনার রেভিন্যু প্রাপ্তি নিশ্চিত করে। গুগলের আরেকটি সার্ভিস রয়েছে যেখানে যেকেউ তার কোম্পানী বা ওয়েবের বিজ্ঞাপন দিতে পারে। সেখান থেকে প্রাপ্ত বিজ্ঞাপনগুলো AdSense এর কোডের মাধ্যমে মাধ্যমে আপনার সাইটে রেন্ডমলি দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। সাধারনত প্রতিটি এডস প্রদর্শন, ক্লিক, ফ্রি সাইনআপ, বিক্রিয়, সেবাগ্রহন ইত্যাদির বিনিময়ে কোম্পানীগুলো গুগলকে টাকা দিয়ে থাকে। এই কাজটা যখন আপনার ওয়েব বা ব্লগের মাধ্যমে হয়ে থাকে তখন আপনাকে সেই টাকার একটা অংশ আপনাকে দেয় গুগল। পুরো প্রক্রিয়াটা খুবই সুক্ষ ও স্মার্টলি সম্পন্ন হয়.. সুতরাং নিশ্চিন্তে গুগলের উপরে ভরসা করতে পারেন।

★★★ AdSense এর বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য ক্ষেত্র তৈরি (সাইট বা ব্লগ) গুগল এডসেন্স মূলত আপনাকে একটি বিজ্ঞাপন কোড দিবে আপনাকে ওয়েবের কোথাও রাখতে হবে যাতে লোকজন সেটি দেখতে পায়। সেজন্য আপনি আপনার ব্যক্তিগত সাইট বা ফ্রি ব্লগ সার্ভিসের সাহায্য নিতে পারেন।

ব্যক্তিগত সাইটের জন্য

★★★ একটি ডোমেইন ও কিছু স্পেস কিনে আপনি শুরু করে দিতে পারেন আপনার ব্যক্তিগত সাইটের কার্যক্রম। একাজটির জন্য আপনার কিছু অর্থ খরচ হয়ে যাবে। তবে বিনামূল্যেও কাজটি করা যায়। এবিষয়ে কেউ আগ্রহী হলে পরবর্তীতে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে।

 

ফ্রি ব্লগ সাইটের জন্য

★★★ পৃথিবীতে অনেকগুলো ফ্রি ব্লগ সার্ভিস পাবেন যেখানে আপনি গুগলের এডস রাখতে পারবেন। এরভেতরে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সার্ভিস হচ্ছে ব্লস্পট (blogspot)। আজকে আমরা ব্লগ স্পটে কিভাবে ব্লগ করতে হয় তা নিয়ে ধাপে ধাপে আলোচনা করবো।

১) ব্লগ স্পটে ফ্রি ব্লগ করার জন্য আপনাকে প্রথমে একটি গুগল একাউন্টের মালিক হতে হবে। gmail dot com থেকে আপনি বিনামূল্যেই একটি একাউন্ট তৈরি করে নিতে পারবেন।

২) সাইনআপ কম্প্লিট হলে ওপেন করুন blogspot dot com বা blogger dot com। ব্লগারের লগইন পেজে গুগলের আইডি ব্যবহার করে লগইন করতে হবে।

৩) ঠিক ঠাক মত লগইন করতে পারলে Sign up for Blogger পেজ আসবে এবং আপনাকে Display name দিতে বলবে। ডিসপ্লে নামটি মূলত ব্লগে আপনার নিক হবে। এটি যেকোন সময় পরিবর্তন করা যায়। সুতরাং যেকোন একটি দিয়ে ফেলতে পারেন। নাম দেয়া হলে Terms of Service পড়ে যদি মানতে রাজী হন তাহলে Acceptance of Terms এর চেকবক্সে ক্লিক করে Continue করুন। (বেশীর ভাগ মানুষই Terms of Service পড়তে বিরক্তবোধ করেন। কিন্তু একটি সাইটের কোন সার্ভিস গ্রহন করার আগে এটি পড়ে নেয়া জরুরী)।

৪) এবার ব্লগস্পট আপনাকে Dashboard পেজে নিয়ে যাবে যেখান থেকে আপনি Create your blog now এ ক্লিক করে ব্লগ তৈরি করতে পারবেন। তাহলে ক্লিক করুন Create your blog now লিংকে।

৫) ব্লগস্পট আপনাকে এবার Name your blog পেজে নিয়ে আসবে যেখানে আপনি আপনার Blog title ও Blog address (URL) ঠিক করবেন। একটি বিষয় মাথায় রাখুন যে গুগল বা ইয়াহুর মত ব্লগস্পটেও বেশীর ভাগ নাম দখল হয়ে গিয়েছে। সুতরাং Blog address (URL) এ কোন নাম দেয়ার পর Check Availability এ ক্লিক করে দেখে নিন।

৬) ব্লগস্পট এবার আপনাকে Choose a template পেজে নিয়ে যাবে যেখান থেকে আপনার রুচিমত একটি টেমপ্লেট নির্বাচন করে Continue করতে পারেন। Template যেকোন সময়ই পরিবর্তন করা যায়। সুতরাং এটি নিয়ে খুব বেশী না ভেবে আপাতত একটি নিয়ে ফেলুন।

৭) সবঠিক ঠাক মত সম্পন্ন হলে Your blog has been created! ম্যাসেজ পাবেন আরেকটি পেজে। Start posting এ ক্লিক করে ব্লগিং শুরু করে দিতে পারেন। লক্ষ করুন- ৫ নং ধাপে আপনি যে Blog address (URL) দিয়েছিলেন, সেটি আপনার ব্লগ লিংক। যেমন আমার ব্লগস্পট লিংক হলো bestptcdollar dot blogspot dot com । আগামী পর্বে এডসেন্সে সাইনআপ করতে এরকম একটা সাইট আপনার কাজে আসবে।

 

এডসেন্সের জন্য আবেদন

★★★ যারা আগের পর্ব পড়ে ব্লগ স্পটে একটি ব্লগ বানিয়ে বা ব্যক্তিগত সাইট বানিয়ে গুগল এডস বসানোর প্রক্রিয়া জানার জন্য বসে আছেন, তারা নড়ে চড়ে বসুন। আজ যতটা সম্ভব সংক্ষিপ্তাকারে গুগল এডসেন্সের জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া আলোচনা করতে যাচ্ছি। ধরে নেয়া হলো আপনার ব্লগ বা সাইটের লিংকটি নিন্মরুপ- blog.something dot com তাহলে শুরু করা যাক।

১) AdSense পেজ খুলে ডান দিকে উপরে Sign up now >> বাটনে ক্লিক করুন। সাইনআপ ফর্ম চলে আসবে…

২) ফর্মের Website Information সেকশনে Website URL এ আপনার ব্লগ বা সাইটের ওয়েব লিংক বসান। উদাহরণ: Website URL: blog.something dot com যে সাইটের লিংকটি দিয়ে আবেদন করবেন, সেটি ইংরেজীতে হওয়া বাঞ্ঝনীয়। তবে ইদানিং এডসেন্সের রুলস অনেক শিথিল করা হয়েছে.. গুগল বাংলা সমর্থন না করলেও বাংলা সাইটের জন্যও আবেদন গ্রহন করা হচ্ছে শুনতে পেয়েছি। তবুও আবেদনের গ্রহনযোগ্যতা বাড়ানোর জন্য ব্লগস্পটের ব্লগটিতে ইংরেজীতে কিছু পোস্ট লিখে রাখতে পারেন।

৩) Website language:

ইংরেজী নির্বাচন করুন এবং নিচের দুটো চেকবক্সে টিক দিয়ে দিন। চেক বক্সদুটোতে লেখা থাকবে- [ ] I will not place ads on sites that include incentives to click on ads. [ ] I will not place ads on sites that include pornographic content.

৪) Contact Information এ Account type:

Contact Information এ Account type এ Individual নির্বাচন করুন। বিজনেস নির্বাচন করলে তেমন কোন পরিবর্তন হবে না শুধু মাত্র চেকটি আপনার প্রতিষ্ঠানের নামে ইস্যু হওয়া ছাড়া। আরো বিস্তারিত জানতে এডসেন্সের পেজে দেখতে দেখুন।

৫) Country or territory:

Country or territory তে যে দেশ নির্বাচন করবেন, নিচে সেই দেশের উপযোগী এড্রেস ফিল্ড পাবেন। বাংলাদেশ থেকে টাকা পেতে চাইলে নির্বাচন করুন Bangladesh.

৬) Payee name (full name):

Payee name এ আপনার সঠিক নামটি লিখুন যে নামে ব্যাংক একাউন্ট করা সম্ভব বা যেটি আপনার সার্টিফিকেটে রয়েছে। কারন এ নামেই চক ইস্যু হবে এবং এই নাম পরবর্তিতে পরিবর্তন করা যায় না। এবিষয়টি একটু সতর্কতার সাথে পুরন করুন। কারন এখানে ভুল করার কারনে অনেক লোক চেক ভাঙাতে পারেন না।

৭) আপনার সঠিক এড্রেসটি দিয়ে I agree that I can receive checks made out to the payee name I have listed above চেক বক্সে চেক করুন। লক্ষ করুন, আপনার সঠিক টেলিফোন/মোবাইল নাম্বারটিও দিতে হবে।

৮) Policies-এর তিনটি চেক বক্সেই চেক করতে হবে। তার আগে AdSense Program Policies টা অবশ্যই পড়ে নিবেন। এখুনি পড়তে না চাইলে বুকমার্ক করে রাখুন। নতুনদের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ন।

৯) সবকিছু আরেকবার পরীক্ষা করে সাবমিট করুন… একটি কনফার্মেশন পেজ চলে আসবে যেখানে আপনার পুরন করা তথ্যগুলো দেখাবে।

১০) এবার Which best describes you? প্রথম অপশনটি নির্বাচন করুন। (ধরে নেয়া হলো আপনার একটি জিমেইল আইডি রয়েছে.. কারন আগের পর্বে আপনি ব্লগস্পটে ব্লগ তৈরি করেছিলেন।)

১১) Would you like to use your existing Google Account for AdSense? এ ও প্রথম অপশনটি নির্বাচন করুন। (I’d like to use my existing Google account for AdSense.).. এবার গুগলের লগইন করার বক্স আসবে… আপনার গুগল আইডি (জিমেইলে যেটি ব্যবহার করেন) ও পাসওয়ার্ড দিন) Continue করুন… সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আপনাকে দুই/তিনদিন অপেক্ষা করতে হবে। একাউন্ট গ্রহন করা হলে আপনাকে মেইল করে জানিয়ে দিবে।

একাউন্ট গ্রহন করার পর কিভাবে এডসেন্সে লগইন করে বিজ্ঞাপন কোড বানিয়ে তা সাইটে/ব্লগে বসাতে হয় তা নিয়ে আগামী পর্বে বলার ইচ্ছে রইলো। এর আগের পর্বে এডসেন্সে একাউন্ট তৈরি জন আবেদন করার পদ্ধতি দেখিয়েছিলাম। গুগল আপনার আবেদন গ্রহন করে থাকলে আপনি এতদিনে এডসেন্সে লগইন করার অনুমতি পেয়ে গিয়ে থাকবেন। আশা করা যায় অনেকেই এডসেন্সে লগইন করে কিভাবে বিজ্ঞাপন সেটাপ করতে হয় তা শিখে ফেলেছেন।

 

বিজ্ঞাপন কোড তৈরি করা

★★★ যারা বিষয়টি জটিল ভেবে কিছুই করেননি, তাদের জন্য এই পর্ব, তাহলে চলুন শুরু করি-

★★★ বিজ্ঞাপন কোড তৈরি করা:

এডসেন্সের মাধ্যমে ওয়েব এডস আপনার সাইটে দেখতে চাইলে আপনাকে প্রথমে গুগল এডসেন্স থেকে বিজ্ঞাপনের জন্য কোড তৈরি করে নিতে হবে। নিচের ধাপগুলো ফলো করুন-

১) Adsense dot com ওপেন করে যে মেইল আইডিটি দিয়ে সাইনআপ করেছিলেন সেটি দিয়ে লগইন করুন।

২) ঠিক ভাবে লগইন করতে পারলে গুগল আপনাকে একাউন্টস কন্ট্রোল প‌্যানেলে নিয়ে যাবে। ওখানে আপনার উপার্জন করা টাকার হিসেব, AdSense Setup এবং আরো বিবিধ অপশন রয়েছে। AdSense Setup এ ক্লিক করুন।

৩) AdSense Setup পেজে তিন ধরনের সেটাপ করতে পারবেন। AdSense for Content, AdSense for Search এবং Referrals। AdSense for Content এ ক্লিক করুন। Your browser may not support display of this image.

৪) AdSense for Content পেজে আপনি দুই ধরনের এডস বানাতে পারবেন। Ad unit এবং Link unit। প্রাথমিক ভাবে আমরা Ad unit নিয়ে কাজ শুরু করবো। সুতরাং Ad unit এ ক্লিক করে কন্টিনিউ করুন। (ড্রপ ডাউন লিস্টে টেক্সট এন্ড ইমেজ এডস সিলেক্ট করা থাকবে বাই ডিফল্ট। আপাতত পরিবর্তন করার দরকার নেই।)

৫) Choose Ad Format and Colors এ Format, Colors ও Corner Styles ঠিক করে নিতে পারবেন।

এগুলোর বিষয়ে একটু বিস্তারিত বলি-

ক) Format:

এডস ফরম্যাট হলো আপনার বিজ্ঞাপনের আকার আকৃতি। গুগলে অনেক ফরম্যাটে বিজ্ঞাপন ব্লক তৈরি করা যায়। সবগুলোর একটা প্রিভিউ দেখতে চাইলে ক্লিক করুন- google dot com/adsense/adformats

খ) Colors:

আপনার বিজ্ঞাপনের টেক্সট কালার, বর্ডার কালার, ব্যাকগ্রাউন্ড কালার ইত্যাদি নির্বাচন করতে পারবেন এখানে। আপনার সাইটে সাথে ম্যাচ করে তৈরি করে ফেলুন বিজ্ঞাপনের কালার… অত:পর Palettes হিসেবে সেভ করে রাখুন ভবিষ্যতে সরাসরি ব্যবহারের সুবিধার্থে।

গ) Corner Styles:

এটি তেমন গুরুর্তপূর্ন কিছু নয়। তবে বিজ্ঞিপন ব্লক আপনার সাইট ডিজাইনের সাথে ম্যাচ করার কাজে আসতে পারে।এটি দিয়ে বিজ্ঞাপন ব্লক কি চারকোনা হবে না ওভাল হবে তা নির্বাচন করতে পারবেন। সুতরাং আপনার পছন্দমত বিজ্ঞাপন ব্লক তৈরি করে কন্টিনিউ করুন।

৬) Choose Ad Channels এ আপনি আপনার বিজ্ঞাপনের জন্য চ্যানেল তৈরি করতে পারবেন। সাধারনত যদি আপনার একাধিক সাইট থাকে, তাহলে প্রতিটি সাইটের জন্য আলাদা চ্যানেল তৈরি করে নিতে পারেন। এতে করে কোন সাইট থেকে কত ইনকাম হচ্ছে তা জানতে পারবেন। এছাড়াও এর আরো কিছু ব্যবহার রয়েছে। সেগুলো নিয়ে পরে কখনো আলোচনা করবো। Add new channel এ ক্লিক করে চ্যানল যুক্ত করে নিন। Your browser may not support display of this image.

৭) Save and Get Ad Code এ আপনার এড ব্লকের নাম নির্ধারন করুন। এই নামে পরবর্তিতে এই এডস ব্লকটা ম্যানেজ সেকশানে পাবেন। সুতরাং এমন কোন নাম দিন যেটা দেখলে আপনার মনে পড়ে যাবে ঐ এডসটি কোথায় ব্যবহার করা হয়েছে। অত:পর সাবমিট এন্ড গেট কোড বাটনে ক্লিক করুন।

৮) সবকিছু ঠিকঠাক মত করতে পারলে আপনি আপনার বিজ্ঞাপন কোড পেয়ে যাবেন। কোডটুকু কপি করে আপনার সাইটে লাগানোর দশ মিনিট পর হতেই গুগলের বিজ্ঞাপন আসতে শুরু করবে। এখানে একটি বিষয় সবসময় খেয়াল রাখবেন। গুগলের এই কোডে কোনরকম পরিবর্তন করলে গুগল টার্মস এন্ড সার্ভিস ব্রেক করা হবে যা আপনার একাউন্ট বাতিলের কারন হতে পারে। বিজ্ঞাপন কোড সাইট/ব্লগে লাগানো: আশা করি সবাই এডস কোড বানাতে পেরেছেন।

এবার চলুন কোডটি কিভাবে আপনার ব্লগস্পটে সেটাপ করতে হবে শিখে ফেলি-

১) blogspot dot com ওপেন করে আপনার ব্লগে লগইন করুন।

২) Dashboard হতে ব্লগ Layout -এ চলে যান। (Layout নামে একটা লিংক পাবেন আপনার ব্লগ নেমের সামনে।) Your browser may not support display of this image. চিত্র: ব্লগস্পটে বিজ্ঞাপণ ব্লক বসানো।

৩) পেজ লেআউটে Add a Page Element নামে লিংক পাবেন.. ওখানে ক্লিক করলে একটি পপআপ উইন্ডোতে পেজ এলিমেন্ট গুলো দেখতে পাবেন। ওখানে HTML/JavaScript নামে একটি অপশন পাবেন। এডড টু ব্লগ বাটনে ক্লিক করুন।

৪) HTML/JavaScript বসানোর জন্য একটি টেক্সটবক্স চলে আসবে। গুগর এডসেন্স থেকে পাওয়া কোডটুকু এখানে পেস্ট করুন। তারপর Save Changes বাটনে ক্লিক করুন। (Title কিছু দিতে হবে না।)

৫) পেজ লেআউটে গিয়ে দেখতে পাবেন HTML/JavaScript নামে একটি ব্লক যুক্ত হয়েছে। মাউস দিয়ে ড্রাগ করে সেটিকে যেকোন যায়গায় বসাতে পারেন। এরকম আরো দু’টো ব্লক যুক্ত করে সেভ করে ১০ মিনিট পর আপনার ব্লগ ভিজিট করুন। আশা করি বিজ্ঞাপন দেখতে পাবেন।

 

ব্লগ/ওয়েব সাইট তৈরির কিছু নিয়মাবলী

★★★ হ্যা ব্লগ সাইট তৈরির কিছু নিয়ম কানুন ও নিয়মাবলী আছে। এই জন্য তড়িঘড়ি কাজ না করে বুদ্ধিমত্তার সাথে এগোতে হবে। আসলে এই পোস্টটি করছি যারা ব্লগিং শুরু করবেন কিংবা নিজের নামে সাইট তৈরি করতে যাচ্ছেন। অপরদিকে যারা তৈরি করে ফেলেছেন তাদের হলেও কাজে আসতে পারে। তাহলে কিছু টিপস্ জেনে নিই…

ফ্রি সাইট/ পেইড সাইট

★★★ প্রথমেই আপনাকে ঠিক করতে হবে। আপনি কি উদ্দেশ্য সাইটটি বানাবেন। এটি কি ফ্রি সাইট তৈরি করবেন নাকি পেইড হিসাবে? হ্যা ফ্রিভাবে অনেক সাইট বানানো যায় যেমন-

1. wordoress dot com,

2. weebly dot com,

3. blogger dot com,

4. hoxx dot com ইত্যাদি।

তবে নিজেকে একজন ব্লগার হিসাবে নিয়োজিত ও ইনকামের ধান্দা থাকলে তাহলে পেইড ডোমেইন ও হোস্টিং ক্রয় করে কাজ করাটাই ভাল হবে। তবে হ্যা এই ক্ষেত্রে আপনি প্রথমত গুগল ব্লগারে একটি ফ্রি সাইট ওপেন করে সেখানে ডোমেইন যুক্ত করে কিছুদিন কাজ চালাতে পারেন। যখন পপুলারিটি হবে তখন হোস্টিং সুবিধা যোগ করলেই হবে।

 

সাইটের কন্টেন্ট

★★★ আপনি যে সাইট তৈরি করবেন। সেখানে কি থাকবে মানে কি টাইপের হবে। তা নির্ধারন করতে হবে।

যেমন: Game, Movie, Download, Blog content, Buy & Sell. তবে এই ক্ষেত্রে Blog content, Download সাইটের উদ্দেশ্য নিয়ে ব্লগ তৈরি করলে সহজেই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

 

একটি ভাল ও ইউনিক নামের বাহার

★★★ আপনি ফ্রি ও পেইড যে ভাবেই সাইট/ব্লগ চালু করুন না কেন! আপনাকে অবশ্যই একটি ভাল নাম খুজতে হবে। অর্থাত সাইটটি ভাল ও ইউনিক নামের হতে হবে। নামটি অর্থবোধক, সহজ ও ইউনিক হতে হবে। আবোল-তাবোল নাম ভিজিটরদের মনে জগা খিচুড়ী দিবে।

যেমন- আপনি প্রযুক্তি বিষয়ক একটি ব্লগ সাইট দাড় করাবেন সেখানে নাম দিলেন Hotcow কিংবা ডাউনলোডের সাইটের নাম দিলেন mofiz mama। এই সব নাম কিন্তু ভাল ফল করবে না। কেননা, ভিজিটরদের তো মনে রাখতে হবে। এবং হ্যা ভাল নাম কিন্তু আপনার সাইটের ভাল SEO তৈরির সুযোগ দিবে। তাই যে উদ্দেশ্য নিয়ে সাইট তৈরি করবেন, সেই নামে দেওয়ার চেষ্টা করবেন, বিশেষত ইংরাজী সাইট তৈরির ক্ষেত্রে।

 

সাইট তৈরির ক্ষেত্রে

★★★ একটি সাইট তৈরির ক্ষেত্রে নামের সাথে অন্য সকল রিলেটেড সাইটের নাম একই হতে হবে:

হ্যা কথাটা একদম ১০০% সত্যি! সাইট তৈরি করার সময় মূল নাম তথা ডোমেইনের নামের সাথে অন্য থার্ড পার্টি সাইটের নামগুলো মিল রাখতে হবে। প্রায় ৭০% ভিজিটরের এই ধারনা মাথাতে রাখেন না, ভূল করে থাকেন। উদাহরন হিসাবে বলছি- যেমন: আপনার ডোমেইনের নাম হল: pchelplab.com। তাহলে অন্য সকল সাইটের নামও একই হতে হবে যেমন-

1. টুইটার :

2. গুগল ব্লগস্পট:

3. ওয়ার্ডপ্রেস:

4. উইবলি:

5. ফেসবুক:

6. লিংকডেন:

7. ইমেইল এড্রেস:

এবার দেখুনতো এই সকল কাজগুলো যদি একই নামের হয়, তাহলে কত সুন্দর দেখাবে। অর্থাত আপনি ১০০ তে ১০০!! আবার নামটিও ভাল pchelplab মানে- কম্পিউটার বিদ্যা গবেষনাগার। অনেকে এই বিষয় গুলো জানেন না। তারা মনে করেন- প্রথমত একটি নাম/ডোমেইন নিলেই সব মাফ! অন্য কিছুর প্রয়োজন নাই। আসলে এমনটির কারনে ভূলের খেসারত দিতে হয়। তাই অনেকের ডোমেইনের নাম এক রকম, আবার টুইটার, ফেসবুকের লিংক অন্য নামের।

 

নাম নেওয়ার পূর্বে চেকিং করুন

★★★ উপরের ৪ নং পয়েন্ট অনুযায়ী কথা বলছি। তাই কি নামের ডোমেইন/সাইটের নাম দিবেন তা ঠিক করে নিন। এবং বাকি সব যে নামের একাউন্ট ওপেন করবেন সেই সব সাইটে গিয়ে চেকিং করে নিন কোন নামটি ফাকা আছে কিংবা ব্লক হয়ে গিয়েছে। আমার পরামর্শ হল: প্রথমত গুগল ব্লগ স্পট সাইট ও ওয়ার্ডপ্রেস সাইটে একই নামের একটি ফ্রি ব্লগ ওপেন করবেন। অতপর বাকি সাইটের নাম গুলো রেজি: করে নিবেন তাহলে কেউ পরবর্তীতে রেজি: করে নিতে পারবে না। অতপর পরিশেষে ফ্রি ব্লগের নামের সাথে একটি পেইড ডোমেইন ক্রয় করলেই হবে।

★★★ জ্ঞাতব্য বিষয়:

ভাল নামের যদি একটি ফ্রি সাইট ওপেন করেন। তাহলে পরবর্তীতে ঐ নামের ডোমেইন নিতে পারবেন। কারন, বর্তমানে যে নামের ডোমেইন গ্রহন করুন না কেন, সাইট রেস্পন্স হিসাবে অবশ্যই ওয়ার্ডপ্রেস ও ব্লগ স্পট সাইটে একই নামের সাব ডোমেইন হতে হবে। যদি দেখেন ডোমেইন হিসাবে কোন নাম খালি আছে বাট ফ্রি সাব ডোমেইন হিসাবে ফ্রি ওয়েব সাইট ওপেন করা হয়েছে। তাহলে ঐ নাম বাদ দিতেই হবে।

★★★ উদাহরন:

মনে করুন ডোমেইন হিসাবে durerbondhu dot com নিবেন কিন্তু durerbondhu ডোমেইন নামটি ফাকা আছে। বাট ওয়ার্ডপ্রেস/ব্লগ স্পট সাইটে উক্ত নামটি ব্যবহার করা হয়েছে তাহলে উক্ত নামটি বাদ দেওয়াই শ্রেয়।

 

অন্য নামের সাথে সঙ্গতি

★★★ আপনি যে নাম গ্রহন করতে যাচ্ছেন সেই নামের সাথে পূর্বের রেজি:কৃত কোন সাইটের নাম মিলে যাচ্ছ কিনা সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যেমন: techtunes dot com নামে সাইট রেজি: করা আছে। কিন্তু আপনি মনে করলেন techtunes24 dot com নামে ডোমেইন নিবেন। হ্যা নাম ফাকা থাকলে নেওয়া যাবে। কিন্তু ভাল ফলাফল পাবেন না। যেমন: এ্সইও করতে সমস্যা হতে পারে, ভিজিটরেরা কনফিউসে থাকতে পারেন। তাছাড়া যখন গুগলে সার্চ দিবেন সেই ক্ষেত্রে পূরাতন রেজি: কৃত ডোমেইনের লিংক গুলো সবার আগে শো করে।

সুতরাং ভিজিটর ভূলবশত আপনার সাইট মনে করে অন্য সাইটে প্রবেশ করতে পারে। মূলত যে গুলো পূরাতন ডোমেইন সেইগুলোর নামের আশে পাশে মিল রেখে রেজি: না করাটাই শ্রেয়! এবং হ্যা ডোমেইন রেজি: করতে হলে অবশ্যই .com এর প্রাধান্য দিবেন। কেউ পাগল নই যিনি .com ব্যতিত অন্য নামে ডোমেইন নেন যেমন- net, org, in ইত্যাদি। যে সব প্রতিষ্ঠান/ওয়েব সাইট ওনার আছেন তারা অধিক পরিচিতি/পপুলারিটির কারনে একই নামে ৩ টি TLD তে রেজি: করেছেন।

 

ভাল ডোমেইন প্রভাইডার হতে ডোমেইন নিন

★★★ পরিশেষে মনে করি অআপনি পপুলারিটি পেয়েছেন। এখন একটি ডোমেইন নিবেন। হ্যা ডোমেইনটি ভাল প্রতিষ্ঠান হতে নিবেন। যাতে পরবর্তীতে অন্য কোথাও ট্রান্সপার, রিনিউ কিংবা নিজে মডিফাইড করতে পারেন। যদি প্রভাইডার ট্রাষ্টেড না হয় তাহলে হয়ত অআপনার সাধের ডোমেইনটি অন্য কোথাও বিক্রি কিংবা প্রভাইডার নিজের নামে করে নিতে পারেন। So, be carefull! অবশ্য বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি ডোমেইন প্রভাইডার রয়েছে যারা বিশ্বস্ত ও সুনামের সাথে ব্যবসা করছে। আপনি সেখান হতে রিভিউ নিতে পারেন।

ভাল মানের হোস্টিং

★★★ হ্যা ডোমেইনের পাশাপাশি ভাল মানের হোস্টিং নিতে হবে। মনে করি আপনার গুগল ব্লগ স্পট সাইট আছে। সেখানে ভিজিটর প্রায় পার ডে ১,৫০০০ এর মত। তাহলে অবশ্যই আপনাকে ভাল মানের ক্লাউড/শেয়ার্ড হোস্টিং নিতে হবে। দেশী/বিদেশী যে কোন ভাল হোস্টিং প্রভাইডার হতে হোস্ট নিতে পারেন।

For Best Domain & Hosting With Cheap Price,

You Can Try Them–

 

SEO করুন

★★★ আপনার সাইট তৈরি করার পর SEO এর দিকে বেশী মনোযোগ দিন। ধীরে ধীরে সাইটটি SEO করুন! এক সময় খুব ভাল ফলাফল পাবেন। মূলত SEO করার কারনে ভাল ভিজিটর ও অ্যালেক্সা রেটিং ভাল পাওয়া যায়। SEO করতে গেলে অআপনাকে Google, Bing, Yahoo সার্চ মেশিনের কথা মাথা রেখে এগোতে হবে। তাহলে উভয় অপটিমাইজেশন হতে ভাল ভিজিটর পাওয়া ফলপ্রসূ হবে।


আপনি কি কম খরচে আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান অথবা সাইটের SEO করতে চান? আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে –

ফোন- 01821938033, 01725359165, মেইল করুন- seopay01833@gmail.com


কপি-কন্টেন্ট পোস্ট পরিহার করুন

★★★ আপনার সাইট নিয়ে যদি অনেক দূর এগোতে চান, পপুলারিটি পেতে চান এবং ইনকামের হিসাব থাকে তাহলে আপনার ব্লগ সাইটে নতুন কিছু করার চিন্তা করুন। এই জন্য কপি-কন্টেন্ট পোস্ট অবশ্যই পরিহার করুন! তবে হ্যা অন্য সাইট হতে যদি কোন পোস্ট ব্যবহার করতে চান তাহলে তা মডিফাইড করে নিতে পারেন, হুবহু নকল করা যাবে না। এবং হ্যা নিজের সাইটটি অন্য কোন জনপ্রিয় সাইটের সাথে Compare করতে থাকুন।

 

গুগুল ব্লগ দিয়ে সাইট তৈরি

★★★ আমরা যারা সাধারন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছি তারা প্রত্যেকেই নিজের জন্য একটা নিজস্ব ওয়েব-সাইট প্রত্যাশা করি। তবে সে-সমস্থ নিয়ম-কানুন না জানার কারনে আমাদের অনেকেই হয়তো সেই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনা।

যাইহোক, তারই জের ধরে আমি আপনাদের জন্য সহজ প্রণালীতে কিভাবে ওয়েব সাইট তৈরি করা যায় তার পুরো প্রকৃয়া নিয়ে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করব। আশা করি শেষ পর্যন্ত আপনারা আমার সঙ্গেই থাকবেন।

★★★ প্রকৃতপক্ষে ওয়েবসাইট পরিচালনা করা একটি বিশাল ব্যাপার। যা আমাদের মত সাধারন ব্যবহারকারীদের পক্ষে এর সামগ্রীক খরচ বহন করা সম্ভব নয়। কারন এতে ডোমেইন, হোস্টিং সহ বিভিন্ন খরচ যুক্ত রয়েছে। তাই আমাদের ফ্রী কোন সার্ভিস ব্যবহার করাই শ্রেয় হবে।

কিন্তু সবচেয়ে খুশির ব্যাপারটি হল এই যে, আমাদের কথা বিবেচনা করে গুগুল এবং ওয়ার্ডপ্রেস এই ধরনের ফ্রী সার্ভিস চালু করেছে। যদিও এসব ক্ষেত্রে অনেক শিথিলতা আরোপ করা হয়েছে তারপরও আমরা তাদেরকে এধরনের সার্ভিস চালু করার জন্য সাধুবাদ জানাই।

★★★ আমরা প্রথমে গুগুল ব্লগ দিয়ে শুরু করি কেননা এটা ওয়ার্ডপ্রেস এর চেয়ে অনেক সহজে তৈরি করা যায়। পরবর্তীতে আমরা ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে কিভাবে ওয়েবসাইট তৈরি করা যায় সে বিষয়ে দেখব।

গুগুল ব্লগে অনেক কিছুরই সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যাইহোক, তারপরও আমরা যথাসম্ভব চেষ্টা করব আমাদের সাইট টি কে সুন্দর ও আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য। তবে আপনাদের কে অবশ্যই প্রতিটি পর্ব ভালো করে দেখতে হবে এবং সে অনুযায়ী অনুসরন করতে হবে।

অনেক কথা হলো। এবার আমরা কাজের প্রসঙ্গে আসি।

গুগুল ব্লগ তৈরি করার জন্য আমাদের প্রথমে একটা জিমেইল আইডি’র প্রয়োজন হবে।যাদের নেই তারা এক্ষুনি gmail dot com এড্রেস-এ গিয়ে জিমেইল আইডি টি খুলে নিন।

আর যাদের রয়েছে তাদের নতুন করে আইডি খোলার প্রয়োজন নেই। তবে হ্যা মন চাইলে নতুন আইডি দিয়েও ব্লগ সাইট টি খুলতে পারেন।

যাইহোক, এবার আপনারা নিচের ধাপসমূহ অনুসরন করুন।

প্রথমে আপনি blogger dot com এ যান। তারপর আপনার জিমেইল আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে ব্লগারে সাইন ইন করুন।
নতুন পেজটি তে আপনাকে স্বাগতম জানানো হবে। যাইহোক আপনি উক্ত পেজের নিচের অংশে যান। তারপর, “ব্লগারে অবিরত রাখুন” অথবা “Continue blogger” এ ক্লিক করুন।

নতুন পেজটি ওপেন হলে “নতুন ব্লগ” বা “New blog” এ ক্লিক করুন।

“নতুন ব্লগ” এ ক্লিক করার পর-

১. এবার আপনি শিরোনাম বা title -এ, আপনার ব্লগ সাইটের টাইটেল নামটি দিন।

২. ঠিকানা বা address -এ, আপনার ব্লগ সাইট টি যে নামে খুলতে চান সে নামটি দিন।

৩. টেমপ্লেটের তালিকা থেকে যেকোন একটি টেমপ্লেট নির্বাচন করুন।

উপরের কাজগুলো শেষ হলে এবার “ব্লগ তৈরি করুন!” লিখাটি-তে ক্লিক করে ব্লগটি সম্পন্ন করুন।ব্যাস আপনার ব্লগটি তৈরি হয়ে গেল।

 

ডোমেইন নেম কি

★★★ মনে করুন আপনার অফ‌িস‌ে কেউ আসতে চায়, তাহলে তাকে অফিসের ঠিকানা জানতে হবে। ওয়েব সাইটের ক্ষেত্রে এই ঠিকানাটা হচ্ছে তার নাম যাকে বলা হয় ডোমেইন নেম। এই ডোমেইন নেমই আপনার ওয়েব সাইটকে এককভাবে আইডেন্টিফাই করবে। বিশ্বের সবাই ওয়েব সাইটটিকে চিনবে এবং একসেস করবে এ নাম ব্যবহার করে।

ডোমেইন নেম সিস্টেম (DNS)

★★★ কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সফটওর্য়ার কিন্তু কোনো ডোমেইন নেমকে সরাসরি বুঝতে পারে না। সে বোঝে নেটওয়ার্ক অ্যাড্রেস বা আইপি অ্যড্রেস। তাই প্রত্যেক ডোমেইন নেমের সাথে একটা আইপি অ্যাড্রেস এসাইন করা হয়। ডোমেইন নেম ব্যবহার না করে এ আইপি অ্যড্রেস দিয়েও সরাসরি ওযেব সাইটটিতে যাওয়া যায়। আইপি অ্যাড্রেস মনে রাখা বেশ কঠিন, সাধারণত ১২ অংকের সংখ্যা হয়। তাই বাস্তবে সবাই ডোমেইন নেম ব্যবহার করে, কিন্তু কম্পিউটারের আইপি অ্যাড্রেস জানা দরকার যেকোন ধরনের কমিউনিকেশনের জন্য।

★★★ সর্বপ্রথম নেটওয়ার্ক ARPANET এর সময় host.txt নামে একটা ফাইলে সব কম্পিউটার এর নাম আর তার আইপি অ্যাড্রেস লিখে রাখা হত। যখন নেটওয়ার্কে কোটি কোটি কম্পিউটার থাকে, তখন এভাবে আইপি অ্যাড্রেস লিখে রাখা সহজ কথা নয়। কারণ প্রতিনিয়ত আইপি অ্যড্রেস সংযুক্ত হয় এবং পরিবর্তিত হয়।এ সমস্যার সমাধানে ধারাবাহিক, ডায়নামিক এবং ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ সম্বলিত একটা সিস্টেম দাঁড় করানো হয়েছে, যাকে বলা হয় ডোমেইন নেম সিস্টেম।

★★★ ডোমেইন নেমকে কতগুলো লেভেলে ভাগ করা হয়ে থাকে।ওয়েব সাইটের বিষয়বস্তুর উপর ভিত্তি করে প্রায় ১৯টি টপ লেভেল ডোমেইন আছে। এর মধ্যে .edu শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত, .com, ব্যবসায়িক ওয়েব সাইটের জন্য, .biz, খবর ও অনান্য ইনফরমেশন সাইটের জন্য, .org, অর্গানাইজেশনের জন্য এবং অনলাইন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য dot net আবার প্রায় প্রত্যেক দেশের রয়েছে নিজস্ব টপ লেভেল ডোমেইন, যেমনঃ ব্রিটেনের .uk, জাপানের .jp, যুক্তরাষ্ট্র‌ের .us, ভারতের .in বাংলাদেশের .bd ইত্যাদি ।

ডিএনএস নেম সার্ভার (DNS name server)

★★★ ডিএনএস নেম সার্ভার (DNS name server) কী এবং কীভাবে কাজ করে? বিশ্বে যত ডোমেইন নেম আছে, সেগুলো মিলে একটি ট্রি- এর মত গঠন লাভ করে। এই ট্রি- কে কতগুলো জোনে ভাগ করা হয়। একটি জোনের সব ডোমেইন নেমের দায়দায়িত্ব যে কম্পিউটার নেয় তাকে বলা হয় সে জোনের Authoritative DNS name server. ডিএনএস নেম সার্ভারের দায়িত্ব হল তার জোনে অবস্থিত সব কম্পিউটারের ডোমেইন নেমের সাথে আইপি অ্যাড্রেস ম্যাচ করানো। না পারলে টপ লেভেল ডোমেইনকে জানানো এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা করা। পুরো বিষয়টিকে অনেকটা পোষ্ট অফিসের মত করে ব্যাখ্যা করা যায়।

★★★ ধরা যাক, আপনি একটি চিঠি লিখলেন। প্রাপকের ঠিকানা যদি আপনার স্থানীয় পোষ্ট অফিসের এলাকায় মধ্যে হয়, তবে তারাই তা পৌঁছে দেবে। আর যদি না হয়, তবে এরা প্রথমে দেখবে প্রাপকের ঠিকানা কোন দেশের তারপর সে দেশের মূল পোষ্ট অফিসে পাঠিয়ে দেবে চিঠি। সেখান থেকে বিভাগ বা জেলা শহরের পোষ্ট অফিসে, এরপর উপজেলায়, তারপর স্থানীয় পোষ্ট অফিসে চিঠিটি পৌঁছে দেবে। ডোমেইন নেমের ক্ষেত্রে এ ঠিকানা খুঁজে বের করাকেই বলা হয় অ্যাড্রেস resolving, আর সেটা কাজ করে ঠিক পোষ্ট অফিসের মতোই। এখন যদি .com রিসলভার যদি sakhawat.jimdo dot com -এর আইপি অ্যাড্রেস জানতে চায়, তবে প্রথমে সে তার জোনের ডিএনএস নেমসার্ভার .com এর কাছে জানতে চাইবে। যেহেতু sakhawat.jimdo dot com একই জোনে আছে, তার নেমসার্ভারকে তা জানিয়ে দেবে। কিন্তু যদি সে bdnews24 dot com – এর আইপি অ্যাড্রেস জানতে চায়, তবে .com – এর নেমসার্ভার তা জানাতে পারবে না। তখন এই ডিএনএস query পাঠিয়ে দেয়া হবে টপ লেভেল .in জোনের নেমসার্ভারে। সেখান থেকে .com নেম সার্ভারে। সে যেহেতু sakhawat.jimdo dot com এর আইপি অ্যাড্রেস জানে, তাই সে প্রতি উত্তরে .in কে জানিয়ে দিবে।

ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন

★★★ ডোমেইন রেজিস্ট্রেশনকে তুলনা করা যায় আপনার অফ‌িস বিল্ডিংয়ের জন্য জায়গা ল‌িজ নেবার সাথে। এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য নাম (ডোমেইন নেম) বরাদ্দ করলেন। সাধারণত এক বছরের জন্য এ বরাদ্দ হয়ে থাকে, সময় শেষ হবার আগেই তা রিনিউ করতে হয়, নয়তো অন্য কেউ সে একই নামের জন্য আবার আবেদন করতে পারে। ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন ফর এসাইনড নেমস এ্যান্ড নাম্বারস (ICANN) এসব ডোমেইন নেম ম্যানেজ করে থাকে। ICANN – ই নিশ্চয়তা দেয় যে, প্রতিটা ডোমেইন নেম ইউনিক এবং এর সাথে একটা ইউনিক আইপি অ্যাড্রেস বরাদ্দ করা হয়েছে।

★★★ আপনি ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন করবেন যেসব কোম্পানির মাধ্যমে তাদের বলা হয় রেজিস্ট্রার। বিভিন্ন কোম্পানির ফি ও সেবা বিভিন্ন হতে পারে, তবে একই ফি সাধারণত খুব কমই হয়ে থাকে। আপনি যে নামে ওয়েব সাইট তৈরি করতে চান, রেজিস্ট্রার কোম্পানি প্রথমে অনলাইন ডেটাবেজে সার্চ করবে যে এ নাম অন্য কাউকে বরাদ্দ করা হয়েছে কিনা। কাউকে বরাদ্দ না করে থাকলে কেবল আপনি এ নাম পেতে পারেন। ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশনের সময় আপনার পুরো নাম, অ্যাড্রেস, টেলিফোন নম্বর ও ইমেইল অ্যাড্রেস দিতে হয়, যা WHOIS (who is) ডেটাবেজে সংরক্ষিত থাকে।

★★★ লক্ষ রাখবেন, এসব তথ্য সবার জন্য উন্মুক্ত এবং আপনার প্রাইভেসি নষ্ট করতে পারে। যে কেউ চাইলে এ তথ্য দেখতে পারে। বর্তমানে অবশ্য ইমেজ কী ভ্যালুর মাধ্যমে software robot ঠেকানো হচ্ছে, তবুও তা প্রাইভেসির নিশ্চয়তা দেয় না। অনেক রেজিস্ট্রারই এ সমস্যা কাটানোর জন্য সামান্য ফির বিনিময়ে নিজেরাই প্রক্সি হিসেবে কাজ করে। সে রকম কোন সার্ভিস নিলে সতর্কতার সাথে তাদের শর্তাবলী পড়ে নিন ভালমতো। আরো দুটি বিষয় নিশ্চিত হয়ে নিন, ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশনের সময় আপনার রেজিস্ট্রেশনের নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে? অনেক রেজিস্ট্রার নিজেই তার অধীনস্থ ডোমেইন নেমকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে, যা বাঞ্জণীয় নয়। আর এটাও জেনে নিন, পরে আপনি যদি ওয়েব সাইটটিকে অন্য কোনো রেজিস্ট্রারের অধীন নিতে চাইলে সম্ভব কিনা? এ ধরনের সার্ভিসের শর্ত ও ফি সম্পর্কেও ভালমত জেনে নিন।

★★★ কারণ ভাল সেবার জন্য অন্য কোনো রেজিস্ট্রারের কাছে যেতে হতে পারে। ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশনের কয়েক ঘন্টা থেকে কয়েক দিনের মধ্যে আপনার ওয়েবপেজ সবার জন্য উমুক্ত হবে। আপনার রেজিস্ট্রার সাধারণত একটি ডামিপেজ বসিযে দিবে। আপনার ওয়েব পেজকে এবার হোস্টিং করতে হবে। অনেক রেজিস্ট্রার এ হোস্টিংয়ের সেবাও দিয়ে থাকে, তবে আপনি অন্য কোনো কম্পানির মাধ্যমেও তা করতে পারেন। ICANN তাদের নির্ধারিত রেজিস্ট্রারদের মাধ্যমেই ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশনের পরামর্শ দিয়ে থাকে ।

ওয়েব সার্ভারে ওয়েবসাইট আপলোড

★★★ যে ওয়েব হোস্টিং কোম্পানির মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট হোস্ট করছেন, সেগুলো আপনাকে এর জন্য দরকারী ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দেবে। তাহলেই আপনি FTP বা এফটিপি (ফাইল ট্রান্সফার প্রটোকল) ব্যবহার করে এ কাজটি করতে পারবেন। এ কাজটি সহজ করার জন্য রয়েছে আরো বেশ কিছু সফটওয়ার, যেগুলো সাধারণভাবে ওয়েব বিল্ডার নামে পরিচিত। অনেক হোস্টিং কোম্পানি ও ডোমেইন নেম প্রোভাইডার এটি ফ্রি দিয়ে থাকে বা আপনি অনলাইনেও ব্যবহার করতে পারেন। এর মাধ্যমে ওয়েবসাইট পাবলিশ করার আগে তার প্রিভিউ দেখেও নিতে পারবেন।

ডেটাবেজ সার্ভার

★★★ বেশিরভাগ ওয়েব সাইটেই কোনো না কোনো ডেটাবেজ সার্ভার ব্যবহার করে হয়। এর ফলে তথ্য জমা রাখা, বের করে আনা, সার্চ করা সহজতর হয়। আবার অনেক ক্ষেত্রে ডেটাবেজই মুখ্য, ওয়েবসাইটি শুধু ডেটা প্রর্দশন করে। আপনি যে ডেটাবেজ সিস্টেম ব্যবহার করবেন আপনার ওয়েব হোস্টিং কোম্পানিকে অবশ্যই সেটা সাপোর্ট করতে হবে। সবচেয়ে জনপ্রিয় ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)- এর মধ্যে রয়েছে মাইএসকিউএল, ওরাকল, মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার ২০০৫ ইত্যাদি। ওয়েব সাইট ডিজাইন ও হোস্টিং করার আগে সিদ্ধান্ত নিতে হবে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসাবে কোনটি ব্যবহার করবেন। কারণ এর সাথে স্ক্রিপিং ল্যাঙ্গুয়েজের ব্যবহার ও ওয়েব সার্ভারের অপারেটিং সিস্টেমও জড়িত।

সার্ভার শেয়ারড নাকি ডেডিকেটেড

★★★ মূলত দুই ধরনের হোস্টিং সার্ভিস আছে- শেয়ারড এবং ডেডিকেটেড। দাম ও পারফরমেন্সের বিশাল পার্থক্য জড়িত এখানে। শেয়ারড হোস্টিংয়ের ক্ষেত্রে একই ওয়েব সার্ভারে একাধিক ওয়েবসাইটকে হোস্ট করা হয়। ফলে খরচ অনেক কম হয়। কিন্তু এর ফলে স্টোরেজ ক্যাপাসিটি ও ব্যান্ডউইডথ সবার মধ্যে ভাগ হয়ে যায়। কারণ, একটি সার্ভার সব ওয়েবসাইটের সব ভিজিটরকে হ্যান্ডেল করে। যদি আপনার ওয়েবসাইটের ভিজিটর সংখ্যা এক হাজারের নিচে হয়, তাহলে এ ধরনের সার্ভিস বেছে নিতে পারেন। আর অন্য ধরনের সার্ভিস হলো ডেডিকেটেড হোস্টিং। এক্ষেত্রে একটি ওয়েব সার্ভারে শুধু একটি ওয়েবসাইটই হোস্টিং করা হবে। ফলে স্টোরেজ সিপিইউ আর নেটওয়ার্কের পুরো ক্ষমতা ব্যবহার করা সম্ভব হয়। এটি বেশ ব্যয়বহুল। প্রতিমাসে ন্যূনতম ৮০ থেকে ১০০ ডলার খরচ হয়ে থাকে।

 

প্রয়‌োজনীয় তথ্য ও ঠিকানা

★★★ আপনি আপনার ব্যক্তিগত বা কোম্পানির ওয়েবসাইটটি হয়তো কোনো ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন ফার্ম বা ওয়েব হোস্টিং কোম্পানির মাধ্যমে করালেন তখন এ সংক্রান্ত বেশ কিছু ইনফরমেশন জেনে নেয়া জরুরি। কারণ, কোনো সময যদি এ ফার্মটি বন্দ হয়ে যায় বা ব্যবসায় পরিবর্তন করে, তখন আপনার ওয়েবসাইটির উপর আপনি নিয়ন্ত্রণ হারাবেন, এক বছর পর আইপি এ্যাড্রেস রিনিউ করা না হলে তা হারিয়ে যাবে। সেই সাথে হারিয়ে যাবে আপনার এই ওয়েবসাইটটি। আবার যদি আপনার ওয়েব হোস্টিং কোম্পানির সেবায় সন্তুষ্ট না হয়ে অন্য কারো সার্ভিস নিতে চান, তাহলেও আপনাকে এ তথ্যগুলো জানতে হবে।

★★★ আপনার ডোমেইন নেমটির দ্বায়দ্বায়িত্ব একজন অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের ওপর ন্যাস্ত করে রেজিস্টার। এই ডোমেইন নেম সংক্রান্ত সব বিষয়ে সবচেযে ক্ষমতাবান এই অ্যাডমিনিস্ট্রেটর। ডোমেইন নেমের ইউনিক নেম নিশ্চিত করা, তার ফিজিক্যাল এ্যাড্রেস, whois ডেটাবেজে তার এ্যাড্রেস, ইমেইল, টেলিফোন নম্বর পরিবর্তন এ ধরনের সব কাজের ক্ষমতা থাকে এ অ্যাডমিনিস্ট্রেটরের উপর। কাজেই ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন এবং ওয়েব হোস্টিং করার সময় এর কন্ট্রাক এ্যাড্রেস অবশ্যই জেনে নিবেন। আপনার ডোমেইন নেম যে সার্ভারে ব্যবস্থাপনা করা হয়, তাকে ম্যানেজ করে এই অ্যাডমিনিস্ট্রেটর। নেমসার্ভারের সার্বক্ষণিক নিরপত্তা, পরিবর্তন, কনফিগারেশন করা এর দায়িত্ব। আপনার নেম সার্ভার ক্র্যাশ করলে আপনার ওয়েবসাইট কেউ একসেস করতে পারবে না। তাই এ সংক্রান্ত যেকোন সমস্যায় যোগাযোগ করার জন্য এদের এ্যাড্রেস জেনে রাখতে হবে।


 

আপনি কি কম খরচে আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে চান ইকমার্স, নিউজ সাইট সহ যেকোন ওয়েব সাইটের জন্য আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে –

ফোন- 01821938033, 01725359165, মেইল করুন- seopay01833@gmail.com

আপনার মতামত দিন

Tayyaba Rent Car BBC News Ads

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team