1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

বুধবার, ০৮ Jul ২০২০, ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।

মেম্বার এর ছেলের ক্ষমতার অপব্যবহার

Advertisements

Print Friendly, PDF & Email

রামু প্রতিনিধি: রামু চা বাগান হাসপাতাল গেইটের পরে রাতের অন্ধকারে, মারধর করে মোবাইল ছিনতাই।
২৭/০৫/২০২০ ইং তারিখ রাত ৯:৪০ আমি রামু পূর্ব মেরোংলোয়া পুরাতন বাড়ি থেকে অটো

রিকশা যোগে আমার বর্তমান বাড়ি রামু চা বাগানে একটা জরুরি কাজে যাচ্ছিলাম। যাওয়ার পথে হঠাৎ রামু হাসপাতালের পরে মসজিদের বাই রোড দিয়ে মেইন রোডের দিকে দুটি বাইক আসছিল।

তখন আমার অটো রিকসার ড্রাইভার গাড়ি শ্লু করে ফেলে। কারন বাই রোড থেকে গাড়ি মেইন রোডে ডুকলে এমনিতেই গাড়ি শ্লু করতে হয়। যখন

গাড়ি শ্লু করেছে তখন বাইক থেকে ছেলে দুটি নেমে আমাদেরকে গাড়ি থামাতে বলে। ছেলে গুলো হলো, বর্তমান উত্তর মিঠাছড়ির ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বারের ছেলে, মিন্টু ও মুমিনুল নামে

আরেকটা ছেলে। আটকানোর পর মিন্টু আমাকে জিঙ্গেস করছে আমি কোথায় যাচ্ছি। আমি বললাম বাসায় যাচ্ছি। হঠাৎ করে ড্রাইভার জিঙ্গেস করছে, কেন ভাই আপনি কি পুলিশ যে আপনাকে

বলতে হবে? এইটা বলার সাথে সাথে আমাকে মিন্টু গাড়ি থেকে নামিয়ে ফেলে এবং মুমিনুল একটা কাচা গাছের ডাল ভেঙ্গে রিকশা ওয়ালা কে মারতে শুরু করে। এবং মিন্টু আমাকে ধরে রাখে।

এরপর মিন্টু একটা মামাকে কল দিয়ে ডাকে। মামা আসতে আসতে দেরি হওয়াতে ওরা রিকশা ওয়ালাকে মারতে মারতে মেইন রোডে টানা টানি করতেছে। তখন আমি রামু থানায় কল করি। থানায় বলছে ওয়েট করুন আমরা আসতেছি।

মিন্টু আর মুমিনুল আমার গায়ে ও হাত দিয়েছে। আমি তখন মেরংলোয়া আমার একটা ভাইকে কল দিয়ে আসতে বলেছি। ততক্ষনে ওই মামাটা চলে এসেছে, ওনাকে সব ঘটনা খোলে বলার পর ওনি বলছে সোহেল তুমি চলে যাও, ওটা কালকে

দেখব। তখন রিকশা ওয়ালা মাইর সহ্য করতে না পেরে কেদে কেদে আমার কাছ থেকে ভাড়া না নিয়ে চলে গেছে। রিকশা ওয়ালা চলে যাওয়ার পর মিন্টু আমাকে মামার সামনে হুমকি দিচ্ছে যে আমাকে যেন চাবাগানের আশে পাশে আর না দেখে। আমি জিঙ্গেস করছি কেন ওটা কি আপনার

এলাকা নাকি? এটা বলার সাথে সাথে আমাকে আবার মারতে আসে। এরপর মামা বলল তোমরা চলে যাও, যা হবার কালকে হবে। এই পর মিন্টু আর মামা বাইক নিয়ে ওরা যে বাই রোড দিয়ে আসতেছিল ওই দিকে চলে গেছে। আর মুমিনুল

ছেলেটা মেইন রোড দিয়ে হাসপাতালের দিকে চলে গেছে। আমি একা একা হেটে হেটে পুলিশ এবং মেরংলোয়ার আমার ভাইয়ের জন্য অপেক্ষা করছি। এর ৩-৪ মিনিট পর মুমিনুল আরেকটা

ছেলে এনে আমার হাতের মোবাইলটি জোর করে নিয়ে ফেলে, (ঐ মোবাইলে রিকশা ওয়ালা ভাই এবং আমাকে মারার ভিডিও করে রেখেছি) এবং মুমিনুল কাকে কল করে বলছে, আমি নাকি গাজা

এবং ইয়াবার জন্য ওখানে এসেছি। এবং ওরা দুই জনে আমাকে ছুরি দেখিয়ে ভয় দেখাই।
৫-৬ মিনিট পর আমার ভাইরা চলে আসে ওখানে। এবং আমি আমার ভাইকে নিয়ে মুমিনুল কে বলছি

যে ভাই দেখ আমি এখানে গাড়িতে ওটার সময় আমার ভাইকে চৌমুহনি দাড় করিয়ে আসছি, আমার ভাইটা তার প্রমাণ, এবং তুমি যে আমার মোবাইলটি নিয়েছ সেটা দিয়ে ফেল এবং আমার

নামে খারাপ অপবাদ দিও না। মুমিন কথা না শোনে ওর বাইক নিয়ে হাসপাতালের একটা দোকানের সামনে চলে আসে, এবং মুমিনুলের সাথে আসা সেই ছেলেটিও অন্য দিকে চলে যায়।

আমরা ওর গাড়ির পিছু পিছু দোড়ে এসে সব বুঝিয়ে বলার পরও মোবাইলটা দেই নাই, এবং উল্টা আরো বলতেছে আমি নাকি মুমিনুলের সাথে আসা সেই ছেলেটির কাছ থেকে নেশা দ্রব্য জিনিস

কিনতে আসছি। তখন আমি বললাম সেই ছেলেটিকে ডাকো, এবং জিঙ্গেস করো ছেলেটি আমাকে চিনে কিনা? মুমিনুল ওই ছেলেটিকে কল দিয়ে আসতে বললে ও আসে নাই। এবং ও ওখানে

আরো দুয়েকজন লোক কে ফোন করে এনে ধাক্কা ধাক্কি শুরু করে দেয় মুমিনুল। ধাক্কা দেওয়া সাথে সাথে আমরাও আর চেয়ে থাকি নাই। এবং ওখানে আমাদের সাথে ওদের হাতা হাতি হয়, মুমিনুল আমাকে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করছে, এবং

আরেক জনকে ছরি দিয়ে হাত কেটে ফেলেছে। আমি পুলিশ আসতে দেরি করায় আবারোও থানায় কল দিই, এবং ওনারা বলছে আরেকটু ওয়েট করতে। আমাদের সাথে মারা মারির সময় হাসপাতেলের সামনে দুয়েকটা দোকানের লোক

এসে সবাই কে থামািয়ে দেয়। এর পর আমরা পুলিশ বক্স এর ওই দিকে চলে আসি পুলিশ না আসা পর্যন্ত। ততক্ষনে মুমিনুল মিন্টু সহ এবং আরো ছেলেদের কল দিয়ে হাসপাতালের সামনে

দা আর লাঠি নিয়ে জড়ো করে। এবং পুলিশের গাড়ির লাইট দেখার সাথে সাথে ওরা সবাই পালিয়ে যাই। পুলিশ আসার পর (রামু থানার ওসি) এবং আরেকটা এস আই হাসপাতালের সামনে আমাদের সাথে কথা বলে এবং আমার মাথা ও

হাতের কাটা দেখার পর বলল হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য। এবং ওনারাও আমাদের সাথে হাসপাতালে যাই। চিকিৎসা শেষ হবার পর ওসি স্যার আমাদের চৌমুহনী নিয়ে আসে এবং

বলে সকালে থানায় একটা লিখিত অভিযোগ করতে। এরপর আমরা বাড়ি চলে এলাম। আসার পর থেকে ভাবছি,
আমার অপরাধ কি ছিলো? আমি তো রিকশা নিয়ে হাইওয়ে রোড দিয়ে আমার নিজের বাড়ির কাজে

যাচ্ছিলাম, আর হাইওয়ে রোডে প্রশাসন ছাড়া কারো অধিকার নেই, যে অন্য জনকে চেক করা বা তার কাজের বাধা দেওয়ার।
গত কিছু মাস আগে হঠাৎ করে রাত ১০:২০ নাগাত মিন্টু দুয়েক জন ছেলে নিয়ে আমাদের

বাড়িতে আসে, তখন আমি উঠানে বসে মোবাইল টিপতেছিলাম। মিন্টু তখন উঠানে এসে আমাকে ডেকে বলছে আমি ওকে চিনি কিনা? তখন আমি ওকে চিনতাম না। প্রথম বার দেখা। ওকে না চেনার

কারণে আমি বলছি আমি চিনি না। তখন ও আমার বাড়িতে এসে আমাকে ধমক দিয়ে বলছে ও নাকি রাত ৮ টাই আমাকে বাইরে রোডে দেখেছে, তখন আমি মাকে ডেকে মিন্টুর সামনে

ওই কথাটা মাকে বলি, এবং মা এইটা শুনে অবাক, কারণ রাত ৮ টাই আমি বাড়িতে বসে ভাত খাচ্ছিলাম, এবং উঠান থেকে একটুও বাইরে যাইনি। তখন মিন্টু মায়ের কথা শুনে বলে যে তার

ভুল হয়ে গেছে, এবং মানুষের মত মানুষ হয়, তাই মনে হয় ও রাতের আধারে চিনতে পারে নাই। এবং এইটা বলে ও আমাদের বাড়ি থেকে চলে যাই, তখন মিন্টু নাকি ওখানে পথে বলে আসছে যে,

আমি যে ওখানে গেছি, সেটা নাকি ও প্রমাণ করে ছাড়বে। (আমি কোথায় যাই, না যাই এইটা নিয়ে তার কেন এত মাথা ব্যথা সেটা আমি জানি না)
তাই হয়তো কালকে রাতে হাইওয়ে রোডে গাড়ি!

থামিয়ে প্রমাণ করতে চাইছে।
আচ্ছা মানলাম, আমার জন্য মিন্টুর মনে আগের ক্ষোভ ছিল, যদিও বা আমার মনে এতকিছু ছিল না। কিন্তু রিকশা ওয়ালার কি দোষ? ওকে কেন!

আপনার মতামত দিন
Your 250x250 Banner Code

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements



Advertisements
© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team