1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

বুধবার, ২৭ মে ২০২০, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।

পুলিশ মানে আইনে পাহাড়ের মত দৃঢ়, মনে সাগরের মত বিশাল

Advertisements

Print Friendly, PDF & Email

মুহাম্মদ আবু আবিদ, জেলা বিশেষ প্রতিনিধিঃ ছেলেটার নাম তানিম।চট্টগ্রামের হালিশহরে থাকে।দূর্বার তারুণ্যের সদস্য হওয়া ইদানীং আমার সাথে বেশ যোগাযোগ। হঠাৎ সেদিন পুলিশ দেখে বললো,আমি বড় হয়ে পুলিশ হব।আমি হেসে উত্তর দিলাম, কেন? বেতন বেশি বলে? ও বললো, যদি টাকার জন্য ই পুলিশ হতে চাইতাম, তাহলে ছোট বেলাই স্বপ্ন দেখতাম। করোনায় আমাদের থানা পুলিশের কার্যক্রম দেখে,নিজের লক্ষ্য উকিল থেকে বদলিয়ে পুলিশ হব,ভাবছি।তারপর অন্য কথায় চলে গেল।কিন্তু আমাকে ভাবিয়ে চলছে। সত্যি তো পুলিশ! যাদের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছিল,এ ছেলে।সড়ক নিরাপদ আন্দোলনে,সে-ই আজ পুলিশের ভক্ত। ভাবিয়ে তুলে আমার বিবেক-কে।কি এমন হল? যদিও আমি তা জানি,কিন্তু তাহলে কেন এতদিন লিখি নাই, কেন আমার কলামে এখনও তাদের কাউকে তুলে ধরলাম না।

এসকল ভাবনা ভাবতে ভাবতে হঠাৎ মনে হয়, হালিশহর থানার বর্তমান ওসি মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, পিপিএম এর কথা।তারজন্য হালিশহর থানা পুলিশের তৎপরতা প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু সেও যে প্রচারবিমুখ।আর আমাকে তো চিনেন- ই।যারা প্রচার বিমুখ তাদের ই তুলে আনি অনুপ্রেরণার প্রতীক হিসেবে। এবারও তার পেছনে লেগে গেলাম। পরে নাছোরবান্দার পাল্লায় পড়ে ইন্টারভিউ দিতে বাধ্য হলেন।

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম একজন সামাজিক কর্মী।তার সাথে কথা বলে জানা যায়,সে চাকরি পাওয়ার আগে বেশ কিছু সামাজিক সংগঠনে কাজ করেছেন। তার কন্ঠে উঠে আসে, সামাজিক কর্মীদের বাণী। তিনি এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ওসি কোন ব্যক্তিগত পোস্ট নয়,ওসি হল একটা প্রতিষ্ঠান।তিনি হবে ঐ থানার আইকন।আমি নিজে মাঠ পর্যায়ে কাজ করে থাকি।কারণ – আমি মনে করি,যুদ্ধের ময়দানে কমান্ডার থাকলে সৈনিকদের সাহস অনেক গুনে বেড়ে যায়।কাজ করার নতুন উদ্দীপনা পায়।তাই আমি চেষ্টা করছি, যথাসম্ভব মাঠে থাকার জন্য।

তার সম্পর্কে আরো উল্লেখ্য যে, হালিশহরে চুনা ফ্যাক্টরির মোড়ের করোনা রোগীকে তিনি নিজে যেয়ে হাসপাতালে পাঠান।তারপর এলাকায় নিজে হ্যান্ড মাইক দিয়ে মাইকিং করেন।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি শান্তি মিশনে বাইরের দেশে গিয়েছিলাম।বাইরের দেশে একজন পুলিশ কে যে পরিমান বিশ্বাস তারা করে তা মুখে বলা সম্ভব নয়।সেখানে পুলিশ ই সমাজের সব।কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি, বাইরের দেশের পুলিশের মত আমরা হয়তো হতে পারি নাই, কিন্তু আমাদের জনগণও বাইরের দেশের জনগণ হতে পারে নি। তবু আমি হালিশহরে জয়েন দেয়ার পরই চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমার সম্মান আমি বজায় রাখার চেষ্টা করি।

তিনি আরও বলেন, আমি জানি, কেউ খুব বেশি বিপদে না পড়লে থানায় যায় না।আমি নিজেও কয়েকবার আমার বাড়ির থানায় গিয়েছিলাম। তাই আসলে আমি বুঝি, মানুষ থানা থেকে সমাধান না পেলে কষ্ট ঠিক কতটা পায়।

এসময় তিনি পুলিশের স্বর্ণাক্ষরে লেখা ইতিহাস তুলে ধরেন।বাংলাদেশের পুলিশের একের পর এক সাফল্যের ঘটনা বর্ণনা করেন।

প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার কাছে রাজনৈতিক, সাংবাদিক, ধনী, গরীব কিছু ই মেটার করে না।আমার কাছে মানুষের পরিচয় শুধুই মানুষে।

বিরক্ত হওয়ার বিষয় জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ইদানীং সময়ে রাতে যখনি ডিউটি শেষ করে বিশ্রামে যাই,তখন কল দিয়ে কাঁচা ঘুম ভাঙ্গিয়ে জিজ্ঞেস করে,এটা কি হালিশহর ওসির নাম্বার। জি বলুন।তখন তারা বলেন, না,স্যার।মানে একটু সিয়র হলাম। আমরা তখনও বিরক্ত হই না।কারণ এটাই আমাদের দায়িত্ব হিসেবে মেনে নিয়েছি।

মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, পিপিএম এর সাথে যতক্ষণ কথা হয়েছে প্রতিটা শব্দই যেন ছিল,আমার জন্য নতুন অনুপ্রেরণা। জীবন যোদ্ধাদের নিয়ে আমি লিখি,তাই অনেক বিখ্যাত লোকের সংস্পর্শে যেতে হয়।কিন্তু মাঠ পর্যায়ের কাজ করা এমন অফিসার আমার জীবনে দেখা খুব কম।তার এক একটা বাণী, আমাকে লিখতে অনুপ্রাণিত করেছে।

তিনি সমাজ ও নিজের দায়িত্বের প্রতি যেমন যত্নশীল, ঠিক ততটা ই যত্নশীল নিজের পরিবারের প্রতি।বাসায় যেয়ে নিজে কোয়ান্টাইন পালন করেন। তার সহধর্মিণী তার ঔই রুমে প্রয়োজনীয় সব কিছু সরবরাহ করেন।তাই আমি তার সহধর্মিণীকেও করোনার সহযোদ্ধা বলে অ্যাখায়িত করছি।
আমি যেহেতু হালিশহরে থাকি,তাই বাড়িয়ে বলার কিছু ই নেই।আমি এতদিন হালিশহর থানার অনেক কার্যক্রমের সাথে হয়তো দ্বিমত পোষণ করতাম।

কিন্তু করেনাকালীন সময়ে তারা প্রমাণ করেছেন, আসলে তাদের স্থান কোথায়।২০ টাকার ঘুষখোর মামা ই, আজ ২০ ঘন্টা দাড়িয়ে আছে, যেন করোনা বিস্তার না করতে পারে। হালিশহর থানার এক এক জন পুলিশ কর্মী নয়,আমি তাদের বলতে চাই,ওনারা হলেন যোদ্ধা! জীবন যোদ্ধা!

আপনাদের জন্য লেখা ছাড়া আর কিছু ই করতে পারলাম না।শুধু বলতে চাই,আপনাদের আজকের এ ত্যাগ হয়তো আবার সব ঠিক হলে ভুলে যাব,আবার হয়তে আমরা সুশীল সমাজ আপনাদের বিরুদ্ধে কলম ধরব।

কিন্তু কখনও আপনারা হেরে যেতে পারবেন না,কারণ আপনারা হেরে গেলে,হেরে যাব আমরা। স্যালুট, ইয়াস স্যার স্যালুট আপনাদের। হালিশহর থানার মাধ্যমে আমি তুলে ধরেছি, বাংলাদেশ পুলিশ কে।সকল থানা-ই একই অবস্থা।জয় হোক মানুষের,জয় হোক মানবতার।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements



Advertisements
© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team