1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০, ০৩:২০ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
গাজীপুরের সেই চার হত্যাকাণ্ডের আসামিকে খুঁজে দিল আজান!

গাজীপুরের সেই চার হত্যাকাণ্ডের আসামিকে খুঁজে দিল আজান!

Advertisements

Print Friendly, PDF & Email

এজি কায়কোবাদ, বিশেষ প্রতিনিধি, গাজীপুরঃ গাজীপুরের শ্রীপুরে আবদার নামক গ্রামে প্রবাসীর বাকপ্রতিবন্ধী এক ছেলে, দুই কন্যা ও স্ত্রীকে ধর্ষণ ও বর্বরতম নারকীয় হত্যাযজ্ঞের মূল হত্যাকারীকে গ্রেপ্তারসহ লুণ্ঠিত স্বর্ণ রক্তমাখা গেঞ্জি ও দুইটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

২৬ এপ্রিল রবিবার রাতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (গাজীপুর) এর পরিদর্শক হাফিজুর রহমান।

আটক হওয়া ঘাতকের নাম পারভেজ (২০)। সে আবদার গ্রামের কাজিম উদ্দিনের ছেলে।

আলোচিত মা ও সন্তান সহ একই পরিবারের ৪ জনকে হত্যার আগে ২০১৮ সালে নিলিমা নামে সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর মাথায় আঘাত ও শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। উক্ত ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলা হলেও বয়স বিবেচনায় জামিনে মুক্ত হওয়ার পর নীলিমার পরিবারকে মামলা প্রত্যাহার করে নেয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করে।

মামলা প্রত্যাহার না করা হলে তাদের মারপিট করে এলাকাছাড়া করবে বলে হুমকি দেয় পারভেজ ও তার পরিবারের সদস্যরা। এ বিষয়ে ২০১৮ সালে ২৮ আগস্ট নিরাপত্তা চেয়ে পারভেজ, তার বাবা কাজিমুদ্দীন, মা কামরুন্নাহার ও আবুল কালাম এর নাম উল্লেখ করে নীলিমার বাবা হাসান ওরফে ফালান শ্রীপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

গত ২৩ এপ্রিল ১৫:৩০ ঘটিকার দিকে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার আবদার নামক গ্রামে মালয়েশিয়া প্রবাসীর স্ত্রী ও তাদের তিন সন্তানের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নিহতরা হলেন ফাতেমা (৪০), তার ২ মেয়ে নুরা (১৬), হাওয়ারিম (১১) এবং প্রতিবন্ধী ছেলে ফাদিল (৭)।

এলাকাবাসী জানায়- তারা দোতলা বাসার ২য় তলায় থাকেন। দুপুরের পরেও তারা কেউ ঘর থেকে বের না হলে নিহতের স্বজনরা মই বেয়ে দোতলায় উঠে ঘরের মেঝেতে রক্ত দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশগুলো উদ্ধার করে।

পিবিআই- গাজীপুরের এএসআই মির্জা আল মাসুদ জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব নাসির আহমেদ শিকদারের সার্বিক নির্দেশনায়, ইন্সপেক্টর হাফিজুর রহমান (পিপিএম) পিবিআই গাজীপুরের নেতৃত্বে একই পরিবারের চারজনকে নৃশংস ভাবে হত্যা ও ধর্ষণের আসামি এবং তার দেয়া তথ্যমতে তার গায়ের রক্ত মাখা গেঞ্জি, মৃত ব্যক্তিদের ব্যবহৃত গহনা উদ্ধার করেছি।

তিনি আরো জানান, উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে যাদেরকে হত্যা করা হয়েছে তাদের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল উদ্ধার করতে পারছিলাম না।
তখন সময় ভোর ৪:৩০। আমরা অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে যখন আসামির ঘর থেকে চলে আসছিলাম ঠিক তখনই হঠাৎ কানে আসলো আযানের আওয়াজ। আমি আসলে ভালভাবে বোঝার চেষ্টা করলাম এবং কোথা থেকে এই শব্দটা আসে তা বের করার চেষ্টা করছিলাম। আমি আমার সিনিয়র অফিসার ইন্সপেক্টর হাফিজুর রহমান (পিপিএম) পিবিআই গাজীপুর স্যারকে বিষয়টি বলি, তখন আমরা সবাই আযানের শব্দটা কোথা থেকে আসে তা খোঁজার চেষ্টা করি এবং পরবর্তীতে আসামির ঘরের বাহিরে এক থেকে দেড় হাত কাঁদা মাটির নিচ থেকে আযানের আওয়াজ ভেসে আসছে নির্ণয় করি। তাৎক্ষণিক আমিও আমার ঊর্ধ্বতন অফিসারসহ সবাই আবেগ তাড়িত হয়ে মাটির সরাতে থাকি। মাটি যতই গভীরে যেতে থাকি আযানের আওয়াজ ততই স্পষ্ট হতে থাকে, এক সময় আমরা মৃত ব্যক্তিদের ব্যবহৃত দুটি মোবাইল আযানের শব্দ সহ উদ্ধার করি। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময়সূচী আজান অ্যালার্ম হিসেবে দেওয়া ছিল দুটি মোবাইলের একটিতে। তখন আমরা সকলেই আল্লাহু আকবার ধ্বনি দেই, এ সময় আমাদের পিবিআই গাজীপুরের সকল অফিসার ও ফোর্সদের চোখে কান্না নেমে আসে। এ কান্না আমাদের এত দিনের পরিশ্রমের প্রাপ্তি। আমরা তো ভুলেই গিয়েছিলাম করোনার সংক্রমনের কথা। আমাদের প্রাপ্তি এতটাই ছিলো।

জানা যায়, ঘাতক মূলত মোবাইল ফোন দুটি চুরি করার উদ্দেশ্যে বাড়িতে ঢুকে তখন বড় মেয়ে তাকে দেখে ফেলায় সে তাকে আঘাত করে, ক্রমান্বয়ে প্রত্যেককে আঘাত করে এবং ধর্ষণ শেষে তাদের হত্যা নিশ্চিত করে স্বর্ণালঙ্কার ও মোবাইল ফোন দুটি নিয়ে পালিয়ে যায়।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements



Advertisements
© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team