1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

বুধবার, ২৭ মে ২০২০, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।

করোনার বিস্তার ও আমাদের জনসচেতনতা!

Advertisements

Print Friendly, PDF & Email

বিবিসিনিউজ২৪,ডেস্কঃ  করোনার ভয়াবহ করাল গ্রাসে পুরু পৃথিবী ও পথিবীর মানুষ আজ নিরুপায় হয়ে গুমরে কাঁদছে।আর তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ তথা কক্সবাজার টেকনাফও করোনার থাবায় আতঙ্কের শহরে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশের আতঙ্কের শহর নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার হাত ধরে কক্সবাজারেও আজকে করোনা বিস্তার লাভ করছে। আজকে কক্সবাজার তথা টেকনাফে করোনা রোগী সনাক্ত ও বিস্তারের কারণ যদি বলতে হয় তাহলে বলতে হবে আমি, আপনি,আমাদের অবহেলার কারণ।

এটা মেনে নিতে কষ্ট হলেও অবশ্যই আমাদের মেনে নিতে হবে কেননা আমরা সোশ্যাল জগতে যারা আছি আমরা সবাই কম বেশি শিক্ষিত এবং সোশ্যাল জগৎ এর সাথে প্রায় ৮০% মানুষ সম্পৃক্ত।আর যারা সোশ্যাল জগতের সাথে সম্পৃক্ত তারা সবাই জানি বর্তমান পৃথিবীতে করোনা নামক মহামারীর করুন অবস্থা এবং বাংলদেশও তার করালগ্রাস থেকে মুক্ত নই।

আমরা প্রতিনিয়ত মিনিটে মিনিটে আমরা দেখতেছি,জানতেছি করোনার অবস্থান,করোনার ভয়াবহতা এবং করোনার সৃষ্টি ও লক্ষণ।আমরা সবাই জানি করোনা একটি ছোঁয়াছে রোগ।অর্থাৎ ছোঁয়াছে বলতে বোঝায়, কোন করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি বা করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির স্পর্শকৃত কোন বস্তুর সংস্পর্শে আসতে হবে।

তাহলে সেই ব্যক্তির করোনা আক্রান্তের সম্ভবনা বেশি বা হতে পারে।করোনার লক্ষণ ও ভয়াবহ সম্পর্কে আমরা যেমন জানি তেমনি এটাও জানি কক্সবাজার জেলায় এ যাবৎ যতগুলো করোনা রোগী সনাক্ত হয়েছে সবাই নারায়নগঞ্জ,ঢাকা তথা করোনা আক্রান্ত এলাকা ফেরত।আমি আপনি সবকিছু জানার পরও বুঝার পরও কেউ সচেতনতা সৃষ্টি করার জন্য, কক্সবাজারকে বাঁচানোর জন্য বা নিজে বাঁচার জন্য আজকের করোনা আক্রান্ত ব্যক্তি বিশেষকে ঢাকার বাহিরে না যাওয়ার জন্য নিষেধ করি নাই বা কোন ঐক্যবদ্ধ ভাবে বাঁধা প্রদানে সম্মিলিত প্রচেষ্টা করি নাই।

সোশ্যাল মিডিয়া বা প্রশাসনকে অবহিত করি নাই।তাহলে স্পষ্ট বুঝা যায় পুরু কক্সবাজারকে আতঙ্কের শহর বানানোর দায়ভার হচ্ছে আমি আপনি সবার। আমাদের স্বচক্ষে ঘটে যাওয়া এই দায়ভার আমি আপনার।আবার কক্সবাজারের বাহির থেকে বা করোনা আক্রান্ত এলাকা ফেরত কোন ব্যক্তি কক্সবাজার ঢুকতে আমি,আপনি বা আমরা সবাই কখনও বাঁধা প্রদান করি নাই।কোন প্রশাসনকে জানাই নাই।

আসলে আমি,আপনি আমরা সবাই জানার পর আমাদের অবহেলার কারণে কাউকে জানাই নি বা ঐক্যবদ্ধ বাঁধা প্রদান করি নি।ফলে তারা কক্সবাজার বা নিজেদের এলাকায় ঢুকে নির্দ্ধিধায় সবার সাথে মিশেছে।যার ধরুন আজকে সে করোনা আক্রান্ত, আগামী পরশু তার সাথে সংস্পর্শ হওয়া ব্যক্তিরা আক্রান্ত হবে এভাবে করে আমাদের কক্সবাজারও আজকের নায়ারণগঞ্জের মত ভয়াবহ শহরে পরিণত হতে পারে একদিন।যার খেচারত সবাইকে দিতে হবে।

আবার দেখা যায় আপনি আমি সচেতন কিন্তু অন্যদেরকে সচেতন হতে উৎসাহিত করি না। যদি নিজে সচেতন হয়ে অন্যদের সচেতন করতে উৎসাহিত না করি বা অবহেলা করি তাহলে আপনি,আমি, আমাদের সবাইকে ভয়াবহ মাশুলের স্বীকার হতে হবে একদিন।

সেদিন আর বেশিদূরে নই যদি এখনও আমাদের টনক না নড়ে।এখন আমাদের উচিত আমাদের সবাইকে চোখ,কান খোলা রেখে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, কেউ অন্য এলাকা থেকে নিজের এলাকায় ঢুকার চেষ্টা করলে বাঁধা প্রদান করতে হবে।যদি সে ক্ষমতাশালী হয় বাঁধা প্রদান করার মত সামর্থ্য না থাকে তাহলে প্রশাসনকে অবহিত করতে হবে, প্রয়োজনে হট লাইনে যোগাযোগ করতে হবে।

সবাইকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে।স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও প্রশাসনের আইন মেনে চলতে হবে।জনসমাগম রোধ করতে হবে।যারা জনসমাগম করতে চাই তাদের বুঝাতে হবে, না বুঝলে বাঁধা প্রদান করতে হবে।আর এই বাঁধা প্রদানে সবাই ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ও সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে।মনে রাখতে মুক্তিযুদ্ধে যারা যুদ্ধ করছিল তারা হচ্ছে Freedom Fighter আর আজকে যদি আমাদের দেশ তথা জাতিকে মহমারী করোনা থেকে বাঁচাতে হয় তাহলে আমাদের সবাইকে একযোগে Awarness Fighter হিসেবে কাজ করতে।

ইনশাআল্লাহ তাহলে আমাদের সফলতা সম্ভব।বেশির থেকে বেশি নিজের সৃষ্টিকর্তাকে স্বরণ করতে হবে আমাদের পাপের প্রায়শ্চিত্তের জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।ঘরে বসে প্রার্থনা করতে হবে।যারা অভাবী দিন মজুর তাদের সবাইকে আমার একি পরিবারের সদস্য মনে করে সম্মিলিতভাবে যার যতটুকু সামর্থ্য আছে সহযোগিতা করতে হবে।তাদের বিপদে পাশে দাঁড়াতে হবে।কেউ যাতে অভাবে কষ্ট না পাই সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।সম্মিলিত ভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

বেশির থেকে বেশি জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে হবে।জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য দেশের ও পৃথিবীর আনাচে কানাচে ঘটে যাওয়া করোনা ভাইরাস সম্পর্কিত আপডেট সকল খবর সোশ্যাল মিডিয়া তথা নিজেদের ফেইসবুকে শেয়ার করতে হবে।করোনা ভাইরাস রোধে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সকল দিক নির্দেশনা মেনে চলতে হবে।অন্যদেরকে ও মেনে চলার জন্য তাগিদ দিতে হবে, বুঝাতে হবে।কারও করোনা ভাইরাসের মত উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে নিজ দায়িত্বে পরিবারের অন্যান্য সদস্য থেকে পৃথক হয়ে যেতে হবে এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা সম্পর্কিত হট লাইন নাম্বারে যোগাযোগ করতে হবে, নিজের অবস্থা সম্পর্কে জানাতে হবে।

সর্বোপরি প্রশাসনকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে এবং তাদের কথা মেনে চলতে হবে কেননা তারা নিজেরা মৃত্যুর প্রান্তে নির্ভিয়ে দাঁড়িয়ে আমাদের বাঁচিয়ে রাখার জন্য দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।তারা নিজেদের বউ বাচ্চাদের কথা চিন্তা না করে করোনার ঝুঁকি নিয়ে পথে,ঘাটে মাঠে ময়দানে দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছে আমাদের সবাইকে ঘরে নিরাপদ রাখার জন্য, আমাদের সবাইকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য।

তাদের কল দিলে তারা আপনার আমার বাসায় খাবার পোঁছিয়ে দিচ্ছে, আমাদের যেকোন প্রযোজনে আমাদের পাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করতেছে ।অন্যদিকে ডাক্তারাও করোনার মৃত্যু কূপে দাঁড়িয়ে করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছে দিন রাত।করোনা একটি ছোঁয়াচে রোগ জানার পরও তারা করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের স্পর্শ করে সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

যার ধরুন অনেক ডাক্তার ও পুলিশ তথা প্রশাসনিক কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।আবার অনেকে মারাও গেছেন।যারা করোনা আক্রান্তে মৃত্যুবরণ করেছেন আমরা সবাই সকলের আত্বার শান্তির জন্য মাগফেরাত কামনা করব এবং গোটা পৃথিবীর মানুষের সুস্থতা কামনা করব।ঘরে থাকি,সুস্থ থাকি।

লেখক:
ওসমান আবির
অনার্স ৪র্থ বর্ষ(বাংলা বিভাগ)
কক্সবাজার সরকারী কলেজ

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements



Advertisements
© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team