1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

সোমবার, ২৫ মে ২০২০, ০২:৫৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
হালিশহরে অনাহারীদের পাশে আই-ব্লকবাসী

হালিশহরে অনাহারীদের পাশে আই-ব্লকবাসী

Advertisements

Print Friendly, PDF & Email

মুহাম্মদ আবু আবিদ, জেলা বিশেষ প্রতিনিধি, চট্টগ্রামঃ বাঁচ্চাটা ক্ষুধার জ্বালায় হয়তো ঘুমিয়ে পড়েছে।বড় ছেলেটা বলেছে, মা রোজা তো হয় সকাল-সন্ধ্যা, তবে আমরা রাতে কেন খাব না।

ছেলের উত্তর না দিতে পেরে ধমক দিয়ে বলে,এতকিছু বোঝবার দরকার নাই, চুপচাপ ঘুমিয়ে পড়। রাতে যখন পুরো এলাকা চুপ,কোথাও কোন টু টা শব্দ নেই,মা তখন জানালার পাশে বসে চোখের জল ফেলে।এই বুঝি সকালের সূর্য উঠলো।কি বলবে তখন বাচ্চাদের।

বাচ্চাদের আর কত মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে রাখবে, সে।তারও তো ক্ষুধা লেগেছে। হঠাৎ দরজায় কেন যেন ঠক ঠক করে। এক বস্তুা খাদ্যসামগ্রী, যা দিয়ে তাদের দিব্যি ৭ দিন হয়ে যাবে।দুঃখীনি মায়ের মুখে হাসি ফুটে। হয়তো তাড়াতাড়ি করে যায় রান্নাঘরের দিকে।কারণ তার খোকনরা ঘুম থেকে উঠলো বলে।রাতের অন্ধকার কেটে যেয়ে সকালে আনন্দের সূর্য উঁকি দিচ্ছে।

এটা কোন নাটকের দৃশ্য নয়,বাস্তবসত্য ঘটনা।এরকমই ঘটনা অনেক ঘটে গেছে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরের আই-ব্লক এলাকায়।আই-ব্লকবাসীর উদ্যেগে এরকমই নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত ৪৫০ পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়া হয়।রাতের অন্ধকারে নিজেরা পৌঁছে দিচ্ছে এই খাদ্যসামগ্রী।যা দিয়ে একটা পরিবারের ৭ দিন চলে যাবে।তাদের কথা হল- ভালোবাসার নৌকা পাহাড় বাইয়া যায়।অর্থাৎ ভালোবাসা দিয়ে যেকোন বিপদই অতিক্রম করা সম্ভব। তাদের কর্মকান্ড থেকে অনুপ্রেরণা পাচ্ছে অনেকেই।

আজ আমি এ উদ্যেগটি যে ২ জন প্রথমে গ্রহন করেছিলেন তাদের সাথে পেয়েছি। তারা প্রচার বিমুখ। কিন্তু যখন বোঝালাম আমি লেখাটা অনুপ্রাণিত করার জন্য ই লিখব, তখন তারা রাজি হলেন। সেই দুজন যোদ্ধা হলেন-মো: ফারুকুল ইসলাম ইকবাল, সাধারন সম্পাদক আই ব্লক সমাজকল্যাণ পরিষদ ও
মো; সায়েদুল হক সাইদ, স্থানীয় আওয়ামিলীগ নেতা ও বিশিষ্ট সমাজ সেবক।

ফারুকুল ইসলাম ইকবাল প্রশ্নের জবাবে বলেন, সবার সহযোগিতায় এ কাজটি করতে সক্ষম হয়েছি।আমাদের সামাজিক দায়বদ্ধতাই আমাদের এ কাজটি করতে বাধ্য করেছে।ভয় লেগেছে, তবে তাতে নিজের দায়িত্ব টা ভুলে যাই নি। পরিবার পাশে ছিলেন। তবে আমাদের সবচেয়ে বড় সাফল্য হল- আমরা আই-ব্লক এ একটা ডাটা রেডি করে ফেলেছি, যার মাধ্যমে নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারকে বর্তমানে যেকোন সময় সনাক্ত ও যোগাযোগ করা যাবে।

মো; সায়েদুল হক সাইদ আরেক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সমাজিকদায়বদ্ধতা ও মানবিকতার জন্য কাজ করলেও রাজনৈতিক সাহায্য আমরা পেয়েছি। তাছাড়া আমরা কাজটি করেছি মানুষের উপকারের জন্য। কতটা প্রচার হল তা আমাদের দেখার বিষয় নয়।মানুষ উপকৃত হলেই আমরা সার্থক।আমাদের কষ্ট সার্থক হবে।

তাদের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে আমি প্রশ্ন করি তরুন প্রজন্ম কতটা সহযোগিতা করেছিলেন? তারা বলেন, তরুণ প্রজন্মের সহযোগিতা ছিল অনবদ্য। তবে আমরা তাদের এ কাজ থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেছি। কারণ তারা দল বেধে চলে আসলে করোনা সংক্রমনের দিকটি বেড়ে যায়।এরইমধ্যে উঠে আসে চট্টগ্রাম মহানগরীর ছাত্র লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম ছামদানি জনি – এর কথা।

গোলাম ছামদানি জনি এ বিষয়ে বলেন, আমি মানবতার ফেরিওয়ালা। আমি সবসময়ই মানবিক কাজে সর্বত্র আছি।মানুষের জন্য রাজনীতি করি।মানুষের ভালো থাকার মধ্যে দিয়েই আমার কষ্ট সার্থক। তারা সবাই এক হয়ে কাজ করেছেন আমার এলকার জন্য। তাতে আমি নিজেকে যুক্ত করতে পেরে যতটা ধণ্য, ঠিক ততটাই ধন্য তাদের প্রতি যারা আমাকে এই কাজে সুযোগ দিয়েছেন।

এই খাদ্য বিতরণ কর্মসূচীর বিষয়ে সার্বিক সহযোগীতা প্রদান করেন সাবেক মন্ত্রী ও অত্র এলাকার বর্তমান এমপি জনাব আফসারুল আমিন এর ছোট ভাই এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ সংসদের সাবেক এজিএস ও মহানগর আওয়ামিলীগ নেতা জনাব এরশাদুল আমিন ও প্রশাসনিক সহায়তা প্রদান করেন জনাব রফিকুল ইসলাম, পিপিএম, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, হালিশহর থানা।

আরও সহযোগিতা করেন, জনাব মো: শাহজাহান, সভাপতি, আই ব্লক সমাজকল্যাণ পরিষদ,জনাব কাজী মিলন মিয়া,জনাব এডভোকেট মিলাদুল আমীন, জনাব বেলায়েত হোসেন, জনাব আনোয়ারুল ইসলাম রুমেল, জনাব লোকমান উদ্দিন, ডা: মো: নাফিজ আলম,জনাব ওমর ফারুক,জনাব মো: সাহবুদ্দিন,জনাব গোলাম মাওলা বেলাল,জনাবা খালেদা আক্তার,জনাব আফতাব উদ্দিন লিটন ও প্রমুখ।

প্রচার নয় অনুপ্রেরণাই হোক আমার লেখার মূলমন্ত্র। আর এদের আমি সামাজিক কর্মী নয় সামাজিক যোদ্ধা বলি।কারণ – যুদ্ধের যোদ্ধা তো অন্যের জীবন নিয়ে নিজের জীবন বাঁচায়।আর তারা নিজের জীবন ঝুঁকিতে রেখেই অন্যের জীবন বাঁচায়। আপনাদের জন্য মনের অভ্যন্তর থেকে সশ্রদ্ধ সালাম ও অভিবাদন। আপনাদের জন্য আর বেশি করতে পারলাম না।শুধু একবার চিৎকার করে বলি, ভালোবাসার নৌকা পাহাড় বাইয়া চলে।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements



Advertisements
© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team