1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২০, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
করোনা বন্ধের সুযোগে রাঙ্গামাটিতে নৌ পথে নেমেছে বাড়িমুখো যাত্রীর ভীড়

করোনা বন্ধের সুযোগে রাঙ্গামাটিতে নৌ পথে নেমেছে বাড়িমুখো যাত্রীর ভীড়

Advertisements

Print Friendly, PDF & Email

আরিফুল ইসলামঃ করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিআইডব্লিউটি এ নৌপথে যাত্রী পরিবহন বন্ধ ঘোষণা করলেও রাঙ্গামাটির নৌপথ মুখী উপজেলাগুলোতে নেমেছে যাত্রীদের ঢল । আজ বেলা ৯টার দিকে সুবলং ঘাট থেকে একাধিকবার যাত্রী বাহী ছোট ট্রলার ফিরিয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

দিন যত গড়াচ্ছে, অবনতি হতে যাচ্ছে দেশের অবস্থার। এ অবস্থায় সরকারও কঠিন থেকে কঠিনতর পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছেন। গৃহীত পদক্ষেপগুলোর মধ্যে সর্বশেষ পদক্ষেপ ছিল সরকারি বেসরকারি সব অফিস ১০ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা। আমরা জাতি হিসেবে খুবই আবেগপ্রবণ। লোকজন ভাবল, অনেক দিন ধরে পরিবার–পরিজনকে সময় দেওয়া হয় না, ছুটি যখন পেয়েছি, তাহলে বাড়িতে চলে যাওয়াই ভালো। তারা একটিবারের জন্যও চিন্তা করল না সরকার কেন তাদের ছুটি দিল, কেনই বা দল বেঁধে তাদের বাড়িতে যেতে হবে! বাঙালিরা এমন কেন! রেমিট্যান্স–যোদ্ধারা যখন দেশে আসছিলেন, পরিবেশ ও পরিস্থিতি অনুযায়ী সরকার অনুরোধ করেছিল তাঁদের বাড়িতে অবস্থান করার জন্য। কিন্তু এত দিন বাদে দেশে এসে কি আর বাড়িতে থাকা যায়! তাঁরা সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অন্যান্য সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে গেলেন। বাড়িতে থাকল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। মৃত্যুও হয়েছে কয়েকজনের। এ অবস্থায় আমাদের সব সময় সতর্ক থাকতে হবে। অথচ এই সচেতনতার ব্যাপারে আমরা সবচেয়ে পিছিয়ে।

দেশের মধ্যে রাজধানী ঢাকা ও চট্টগ্রাম এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপুর্ন। সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর থেকেই ঢাকা থেকে দলে দলে মানুষের গ্রামে ফেরার হিড়িক পড়ে গেল। তাদের ভাবখানা এমন গ্রামে ফিরলেই বেঁচে যাই।

প্রশ্ন হচ্ছে, এখন কী হবে? সাধারণ ছুটির সঙ্গে সঙ্গে করোনাভাইরাস ঢাকা থেকে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ল না তো! যদি তা–ই হয়, তাহলে এখন উপায়? এটি ভুলে গেলে চলবে না প্রবাস থেকে যাঁরাই দেশে ফিরেছিলেন, তাঁরা কিন্তু প্রায় সবাই সুস্থ ছিলেন। আর আপনারা যাঁরা পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছেন, তাঁরা প্রায় সবাই সুস্থ আছেন। যে পরিবারের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন, সেই তাঁদের জন্য করোনাভাইরাস উপহার হিসেবে নিয়ে যাচ্ছেন না তো!

উপায় এখন একটাই, ঘর থেকে বের না হয়ে প্রত্যেকেই নিজ নিজ জায়গায় অবস্থান করুন। সচেতন হোন, পরিষ্কার থাকুন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রদত্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। সম্মিলিত সহযোগিতা, প্রচেষ্টা ছাড়া সরকারের একার পক্ষে মহামারি আকার ধারণ করা এই করোনাভাইরাস মোকাবিলা করা প্রায় অসম্ভব

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team