1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২০, ০১:৫৮ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
করোনা ঠেকাতে গার্মেন্টসের দেড়শ কোটি ডলারের অর্ডার ‘বাতিল’

করোনা ঠেকাতে গার্মেন্টসের দেড়শ কোটি ডলারের অর্ডার ‘বাতিল’

Advertisements

Print Friendly, PDF & Email

বিবিসিনিউজ২৪,ডেস্কঃ মহামারী নভেল করোনাভাইরাস ছড়ানো ঠেকাতে ইউরোপ ও আমেরিকাজুড়ে পোশাকের আউটলেটগুলো বন্ধ হওয়ার মধ্যে বিদেশি ক্রেতারা অন্তত ১৪৮ কোটি ডলারের তৈরি পোশাকের ক্রয়াদেশ বাতিল করেছে বলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ জানিয়েছে।

সংগঠনটির সভাপতি রুবানা হক সোমবার গনমাধ্যম কে বলেন, এপর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের ১৩৬টি ব্র্যান্ড তাদের অর্ডার বাতিল বা স্থগিত করেছে। এর মধ্যে এইচঅ্যান্ডএম, প্রাইমার্ক, এলকট, সিঅ্যান্ডএ, পিপকো, সিএন্ডএ জার্মানি, টম টেইলর, ওয়ালমার্ট, টম টেইল ও জারা উল্লেখযোগ্য।

“চলমান এসব ক্রয়াদেশ বাতিল হওয়ায় দেশের একহাজার ৮৯টি তৈরি পোশাক কারখানার প্রায় ১২ লাখ শ্রমিকের জীবিকা ঝুঁকির মুখে পড়েছে।”

চীন থেকে নভেল করোনাভাইরাসের নতুন কেন্দ্র ইউরোপে ছড়িয়ে পড়ার পর কোয়ারেন্টিন ও জনসমাগম বন্ধসহ সতর্কতামূলক নানা পদক্ষেপের মধ্যে চাহিদা কমে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে পোশাকের খুচরা বিক্রিতে ধস নেমেছে।

ব্র্যান্ডগুলোর খুচরা বিক্রির দোকানগুলো একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বিখ্যাত ফ্যাশন ব্র্যান্ডের মালিক ইন্ডিটেক্স ও এইচঅ্যান্ডএম ইউরোপজুড়ে তাদের দোকান বন্ধ রেখেছে।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ক্রেতারা জাহাজে মাল তোলার অনুমতি দিচ্ছেন, কিন্তু গুদামের মাল নিচ্ছেন না। যেসব ক্রয়াদেশ দিয়েছিলেন সেগুলোও বাতিল করে দিচ্ছেন।

“সব মিলিয়ে আমরা অত্যন্ত খারাপ ও অস্থির সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এতো বড় ক্ষতি সামলানোর মতো কোনো উপায় নেই।”

ক্রয়াদেশ বাতিল করাকে ‘অমানবিক’ আখ্যা দিয়ে ক্রেতাদের সমালোচনা করে রুবানা বলেন, কথা বলার সময় তারা অনেক বড় বড় কথা বলে, মানবাধিকারের কথা বলে। কিন্তু লাখ লাখ শ্রমিক বেকার হয়ে যাবে, সেটার দায়ভার তারা নিচ্ছে না।সুত্রঃ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements



Advertisements
© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team