1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২০, ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
শবে মেরাজ : স্বচক্ষে আল্লাহর দীদার

শবে মেরাজ : স্বচক্ষে আল্লাহর দীদার

শবে মেরাজ স্বচক্ষে আল্লাহর দীদার
শবে মেরাজ স্বচক্ষে আল্লাহর দীদার
Advertisements

Print Friendly, PDF & Email

শবে মেরাজ: স্বচক্ষে আল্লাহর দীদার লাভ ও নবীজীর ’সূরতে হাক্কী’র আত্মপ্রকাশ
========

বিবিসিনিউজ২৪ ডেস্ক: নবী করিম [ﷺ]-এঁর উর্দ্ধজগতের মো’জেযা সমূহের মধ্যে মি’রাজ গমন একটি বিস্ময়কর মো’জেযা। এজন্যই মি’রাজের আয়াতের শুরুতেই আল্লাহ পাক ‘সোব্হানাল্লাহ্’ শব্দটি ব্যবহার করেছেন – যা কেবল আশ্চর্য্যজনক ঘটনার ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
স্বশরীরে মি’রাজ গমনের প্রমাণ স্বরূপ কোরআনের ‘বিআব্দিহী’ শব্দটি তাৎপর্য্যপূর্ণ। কেননা, ‘আবদুন’ শব্দটি দ্বারা রুহ ও দেহের সমষ্টিকে বুঝান হয়েছে। তদুপরি- বোরাক প্রেরণ ও বোরাক কর্তৃক নবী করিম [ﷺ]-কে বহন করে নিয়ে যাওয়ার মধ্যেও স্বশরীরে মি’রাজ গমনের প্রমাণ পাওয়া যায়।
সর্বোপরী স্বপ্নে বা রূহানীভাবে মি’রাজের দাবী করা হলে কোরাইশদের মধ্যে এত হৈ চৈ হতোনা। আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের সকল ইমামগণই স্বশরীরে মি’রাজ গমনের কথা স্বীকার করেছেন।
মি’রাজের ঘটনাটি নবীজীর জীবনে গুরুত্বপূর্ণ এজন্য যে, এর সাথে গতির সম্পর্ক এবং সময় ও স্থানের সঙ্কোচনের তত্ত্ব জড়িত রয়েছে। সূর্যের আলোর গতি সেকেন্ডে একলক্ষ ছিয়াশি হাজার মাইল। পৃথিবীতে সূর্যের আলো পৌঁছতে লাগে আট মিনিট বিশ সেকেন্ড। এ হিসেবে পৃথিবী হতে সূর্যের দূরত্ব- নয় কোটি তিরিশ লক্ষ মাইল। অথচ নবী করিম [ﷺ] মূহুর্তের মধ্যে চন্দ্র, সূর্য, সিদরাতুল মোনতাহা, আরশ-কুরছি ভ্রমণ করে লা-মকানে আল্লাহর দীদার লাভ করে নব্বই হাজার কালাম করে পুনরায় মক্কা শরীফে ফিরে আসেন। এসে দেখেন, বিছানা তখনও গরম রয়েছে। এর চেয়ে আশ্চর্য আর কি হতে পারে? নবী করিম [ﷺ]-এঁর নূরের গতি কত ছিল- এ থেকেই অনুমান করা যায়। কেননা, তিনি ছিলেন নূর। যাওয়ার সময় বোরাক ছিল – কিন্তু ফেরার সময় বোরাক ছিলো না (রুহুল বয়ান)।

মি’রাজের মধ্যে আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- অন্যান্য নবীগণের সমস্ত মো’জেযা নবী করিম [ﷺ]-এঁর মধ্যে একত্রিত হয়েছিল। হযরত মুছা (عليه السلام) তূর পর্বতে আল্লাহর সাথে কালাম করেছেন। হযরত ঈছা (عليه السلام) স্বশরীরে আকাশে অবস্থান করছেন এবং হযরত ইদ্রিছ (عليه السلام) স্বশরীরে বেহেস্তে অবস্থান করছেন।

তাঁদের চেয়েও উন্নত মাকামে ও উচ্চমর্যাদায় আল্লাহ পাক নবী করিম [ﷺ]-কে নিয়ে সবার উপরে মর্যাদা প্রদান করেছেন। মুছা (عليه السلام) নিজে গিয়েছিলেন তূর পর্বতে। কিন্তু আমাদের প্রিয় নবী [ﷺ]-কে আল্লাহ্তায়ালা দাওয়াত করে বোরাকে চড়িয়ে ফেরেশতাদের মিছিলসহকারে প্রথমে বায়তুল মোকাদ্দাছে নিয়েছিলেন। সেখানে সমস্ত নবীগণকে স্বশরীরে উপস্থিত করে হুযুর করিম [ﷺ]-এঁর মোক্তাদী বানিয়েছিলেন। সেদিনই সমস্ত নবীগনের ইমাম হয়ে নবী করিম [ﷺ] নবীগণেরও নবী অভিষেক লাভ করেছিলেন। সমস্ত নবীগণ অষ্ট অঙ্গ (দুই হাত, দুই পা, দুই হাটু, নাক ও কপাল) দিয়ে স্বশরীরে নামায আদায় করেছিলেন সেদিন। সমস্ত নবীগণ যে স্বশরীরে জীবিত, তারই বাস্তব প্রমাণ মিলেছিল মি’রাজের রাত্রে। সমস্ত নবীগণ আপন আপন রওযায় জীবিত। (সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং ১০৮৫)

মি’রাজের রাত্রে নবী করিম [ﷺ]-কে প্রথম সম্বর্ধনা দেয়া হয়েছিলো জিব্রাইল, মিকাইল ও ইস্রাফিল ফেরেশতাসহ তাঁদের অধীনে সত্তর হাজার ফেরেশতা দ্বারা। দ্বিতীয় সম্বর্ধনা দেয়া হয়েছিল বাইতুল মোকাদ্দেছে নবীগণের (عليهم السلام) দ্বারা। তৃতীয় সম্বর্ধনা দেয়া হয়েছিল আকাশের ফেরেশতা, হুর ও নবীগণের দ্বারা এবং চতুর্থ ও শেষ সম্বর্ধনা দিয়েছিলেন স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা। সিদরাতুল মুনতাহা এবং আরশ মোয়াল্লা অতিক্রম করার পর স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা একশত বার সম্বর্ধনামূলক বাক্য دن منى يا محمد অর্থাৎ ‘হে প্রিয় বন্ধু মুহাম্মদ, আপনি আমার অতি নিকটে আসুন” – একথা বলে নবী করিম [ﷺ]-কে সম্মানিত করেছিলেন। কোরআন মজিদে ( ৪- سورة النجم – الآية ثُمَّ دَنَا فَتَدَلَّى ( আয়াতটি এদিকেই ইঙ্গিতবহ- বলে ‘তাফসীরে মুগ্নী’ ও ‘মিরছাদুল ইবাদ’ নামক গ্রন্থদ্বয়ের বরাত দিয়ে ‘রিয়াজুন্নাছেহীন’ কিতাবে উল্লেখ করা হয়েছে। উক্ত কিতাবখানা সাত শত বৎসর পূর্বে ফারসি ভাষায় লিখিত। লেখকের নিকট কিতাবখানা সংরক্ষিত আছে।

মি’রাজের ঘটনা ঘটেছিল নবুয়তের ১১ বৎসর ৫ মাস ১৫ দিনের মাথায়। অর্থাৎ নবুয়তের ২৩ বৎসরের দায়িত্ব পালনের মাঝামাঝি সময়ে। সে সময় হুযুর [ﷺ]-এঁর বয়স হয়েছিল ৫১ বৎসর ৫ মাস ১৫ দিন। সন ছিল নবুয়তের দ্বাদশ সাল। তিনটি পর্যায়ে মি’রাজকে ভাগ করা হয়েছে। মক্কা শরীফ থেকে বায়তুল মোকাদ্দাছ পর্যন্ত মি’রাজের অংশকে বলা হয় ইসরা বা রাত্রি ভ্রমণ। বায়তুল মোকাদ্দাছ থেকে সিদরাতুল মুনতাহা পর্যন্ত অংশকে বলা হয় মি’রাজ।

সিদরাতুল মুনতাহা থেকে আরশ ও লা-মকান পর্যন্ত অংশকে বলা হয় ই’রাজ। কিন্তু সাধারণভাবে পূর্ণ ভ্রমণকেই এক নামে মি’রাজ বলে অভিহিত করা হয়ে থাকে। কোরআন, হাদীসে-মোতাওয়াতি এবং খবরে ওয়াহেদ দ্বারা যথাক্রমে এই তিনটি পর্যায়ের মি’রাজ প্রমাণিত।


শবে মেরাজ : স্বচক্ষে আল্লাহর দীদার ও নবীজীর ’সূরতে হাক্কী’র আত্মপ্রকাশ বিস্তারিত পড়ুন


আল্লাহর সাথে কালাম


মহান আল্লাহ রাব্বুল ’আলামীনের সাথে নবী করিম [ﷺ]-এর কি কি কথোপকথন হয়েছিল, তা কোরআনে গোপন রাখা হয়েছে। শুধু এরশাদ করা হয়েছেঃ
فاوحي الي عبده ما أوحى –
অর্থঃ- ‘যা গোপনে বলার- আল্লাহ তায়ালা তা আপন প্রিয় বান্দার কাছে গোপনেই বলে দিয়েছেন’। নবী করীম [ﷺ] এরশাদ করেছেঃ
اوتيت العلوم وأمرت بكتمان بعضها
অর্থঃ- “আমাকে অনেক প্রকারের গুপ্ত-সুপ্ত এলেম দান করা হয়েছে এবং সাথে সাথে ঐ এলেমের কোন কোন বিষয় গোপন রাখতে আমাকে নির্দেশ করা হয়েছে।”

”কাসাসুল আম্বিয়া” নামক উর্দ্দু কিতাব নব্ব্ই হাজার কালামের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তন্মধ্যে ত্রিশ হাজার কালাম হাদিসের আকারে সকলে জন্য এবং ত্রিশ হাজার কালাম খাছ খাছ লোকদের নিকট প্রকাশ করার জন্য এবং অবশিষ্ট ত্রিশ হাজার সম্পূর্ণ নিজের কাছে গোপন রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। (তাফসীরে ছাভী দেখুন নিছা-১১৩ আয়াত)

প্রত্যক্ষ দর্শনঃ


আল্লাহর সান্নিধ্যে পৌছার পর প্রথমে নবী করীম [ﷺ] আল্লাহর প্রশংসা করলেন এভাবে-

التحيات لله والصلوات والطيبات –

অর্থঃ- “আমার জবান, অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ও ধন সম্পদ দ্বারা যাবতীয় প্রশংসা আল্লাহর জন্য হাদিয়া স্বরূপ পেশ করছি।”
এর উত্তরে আল্লাহ তায়ালা নবীজিকে সালাম দিয়ে বললেন-

السلام عليك أيها النبي ورحمة الله وبركاته –

অর্থঃ- “হে আমার প্রিয় নবী, আপনার প্রতি আমার সালাম, রহমত ও বরকতসমূহ বর্ষিত হোক।” উক্ত সালামের জবাবে নবী করীম [ﷺ] আরয করলেন-

السلام علينا وعلى عباد الله الصالحين –

অর্থঃ- “হে আল্লাহ! তোমার সালাম এবং আমি আমার গোনাহগার উম্মতের উপর এবং তোমার অন্যান্য নেককার বান্দাদের উপর বর্ষিত হোক”! আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের এই ছালাম বিনিময়ের কৌশলপূর্ণ উক্তি ও ভালবাসার নমুনা এবং উম্মতের প্রতি নবীজির [ﷺ] স্নেহ-মমতা দেখে ও শুনে জিব্রাইল সহ আকাশের মোকাররাবীন ফেরেশতাগণ সমস্বরে বলে উঠলেন-

أشهر أن لا إله إلا الله واشهد ان محمدا عبده ورسوله

অর্থঃ- “আমি (প্রত্যেকে) সাক্ষ্য দিচ্ছি, আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদ নাই এবং আরো সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ মোস্তফা [ﷺ] আল্লাহর প্রিয় বান্দা এবং তাঁর প্রিয় রাসূল।”

”আল্লাহর কাছে তিনি প্রিয় বান্দা- কিন্তু বিশ্ব জগতের কাছে তিনি প্রিয় রাসূল।” কি যে ঘনিষ্ট সম্পর্ক এখানে বর্ণনা করা হয়েছে- তা কেবল মহাজ্ঞানীরাই অনুধাবন করতে পারবেন।

আল্লাহ তায়ালা নিজের ও হাবীবের মধ্যে ভাব বিনিময়ের এই তাশাহুদ আমাদের নামাযের একটি ওয়াজিব অংশ করে দিয়েছেন। এর প্রতিটি শব্দ নামাযের বৈঠকে ওয়াযিব। আল্লাহ তায়ালার দরবারে নবী করীম [ﷺ] যেভাবে সম্মোধনমূলক তাহ্যিয়াত পাঠ করে ছিলেন এবং আল্লাহ তায়ালা যেভাবে সম্মোধন করে নবীজিকে [ﷺ] সালাম দিয়েছিলেন, অনুরূপভাবে তাশাহুদ পড়ার সময় প্রত্যেক মুছল্লিকে আল্লাহকে সম্মোধন করে তাহিয়্যাত অংশটুকু পাঠ করতে হবে এবং নবী করীম [ﷺ]-কেও সম্মোধন করে সালাম পেশ করতে হবে। ফতোয়ে শামীর এবারত দেখুন-
ويقصد بها الإنشاء لا الاخبار –
অর্থঃ- “আল্লাহর তাহিয়্যাত এবং রাসুলের প্রতি ছালাম পাঠকালীন সময়ে খেতাব বা সম্মোধন করতে হবে।” (ফতোয়ায়ে আলমগীরী ও বাহারে শরীয়ত দ্রষ্টব্য)।

যেহেতু মু’মিনদের নামায মি’রাজ স্বরূপ- সুতরাং মি’রাজের মতই আল্লাহ ও রাসূলকে সম্মোধন করতে হবে। সম্মোধন করা হয় হাযির নাযির ব্যাক্তিকে। সুতরাং নবীজি [ﷺ] হাযির-নাযির। (ইমাম গাযালীর ইহইয়া)

ইসলামের বিভিন্ন প্রশ্নউত্তর করতে জানতে আজই ভিজিট করুন

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team