1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২০, ০২:৫৭ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :

ঘুরে আসুন সৌন্দর্য্যময় খৈয়াছড়া ঝর্ণায়

Advertisements

Print Friendly, PDF & Email

জেরিন,বিনোদন প্রতিনিধি : ছুটির দিন কার না মন চায় বেড়াতে? তাই আমরা ঠিক করলাম খৈয়াছড়া ঝর্ণা দেখতে যাবো যে ভাবা সেই কাজ

সবাই মিলে গাড়ি ঠিক করলাম। চট্টগ্রামের একেখান থেকে ফেনীগামী একটি উত্তরা বাসে উঠলাম। এক ঘণ্টা আগেই আমরা পৌঁছলাম খৈয়াছড়া যাওয়ার মূল রাস্তায়। এটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে র্পূবদিকে। মূল সড়ক থেকে পূর্বদিকে প্রায় অনেক পথ যেতে হবে।

রাস্তার পাশেই কিছু সিএনজি আছে। তারা অর্ধেক রাস্তা পর্যন্ত যায়। প্রতিজন ভাড়া ২০ টাকা। আমরাও অর্ধেক পথ গাড়িতে করে গেলাম। গাড়ি থেকে নামতেই দেখি কিছু লোক ছোট ছোট বাঁশ বিক্রি করছে। যারাই ঝর্ণার দিকে যাচ্ছে সবার হাতেই বাঁশ। আমরাও পাঁচ টাকা দিয়ে কিনে নিলাম বাঁশ। এই বাঁশ ছাড়া আপনি হাঁটতে পারবেন না। যত ভেতরে যাবেন তত গভীর কাদা মাটি। সেইসঙ্গে ঝর্ণার পানির স্রোত। সবমিলিয়ে আপনার ভারসাম্য ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। তাই খৈয়াছড়া যাওয়ার পূর্বে অবশ্যই হাতে একটা করে শক্ত লাটি কিংবা বাঁশ নিয়ে যেতে হবে।

আমরাও একইভাবে এগুচ্ছি। যেখানে গাড়ি নামিয়ে দিয়েছে সেখান থেকে খাবারের হোটেল পর্যন্ত পৌঁছতে আরও পাঁচ মিনিট হাঁটতে হবে। এরপর এসব হোটেলে দুপুরের খাবার অর্ডার করে যেতে হয়। মোবাইল, ব্যাগ সবকিছু হোটেলের লকারে জমা রেখে যেতে পারবেন। আমরাও তাই করেছি।

এরপর শুরু হলো মূলপর্ব। হোটেলের লোকজনকে জিজ্ঞেস করলাম এখান থেকে ঝর্ণার কাছাকাছি যেতে কতক্ষণ লাগবে? ওনারা বলেন, দ্রুত গেলে আধ ঘণ্টা লাগবে। এরপর আমরাও দ্রুত ছুটতে লাগলাম। যত যাচ্ছি তত কঠিন পথ। অনেকে আবার পিচ্ছিল কাদায় স্লিপ খেয়ে পড়ে গেছে। খুব সর্তকভাবে পা দিতে হয়। পাহাড়ের মাটিগুলো এতো শক্ত যে মনে হচ্ছে পাথর।

যেতে যেতে কখনও ঝর্ণার পানির স্রোত দেখে মন জুড়ায়, কখনও পাহাড়ের কঠিন পথ দেখে চ্যালেঞ্জ নিই। মজার বিষয় হচ্ছে যাওয়ার পথে আমরা হরেকরকমের পাখি দেখেছি। এতো সুন্দর দেখে ভীষণ আনন্দ লাগবে যে কারো।

এভাবে একসময় চলে এলাম প্রথম ঝর্ণায়। ওহ! আপনাদের তো বলাই হয়নি। এখানে অনেকগুলো ঝর্ণা রয়েছে। বিভিন্নজনের কাছে বিভিন্ন মত পেয়েছি। কেউ বলে সাতটা, আবার কেউ বলে এগারটা ঝর্ণা রয়েছে। তবে প্রথম ঝর্ণাটা নিচে বলে সবাই একটু কষ্ট করলেই দেখতে পারে। এরপরের ঝর্ণাগুলো দেখতে হলে অনেকটা ঝুঁকি নিতে হবে। কারণ দ্বিতীয় ঝর্ণা থেকে সবগুলো পাহাড়ের উপর। যত উঁচুতে যাবেন তত ঝর্ণা।

বৃষ্টির দিন সবকিছু পিচ্ছিল। প্রথম ঝর্ণায় প্রচুর মানুষ। কারণ এতোটুকুই আসে বেশিরভাগ মানুষ। পর্যটকদের ৯৫ শতাংশ এখান থেকেই তৃপ্তি নিয়ে ফিরে যায়। তবে প্রথম ঝর্ণাটা দেখতে বেশ। আকারেও বড় মনে হচ্ছে। ঝর্ণার পানির গতি প্রচুর। মানুষও অনেক। বেশ উৎসব উৎসব মনে হচ্ছে। আমার সঙ্গে এসেছে দুজন। অন্যরা সাহস করতে পারছে না। কয়েকজন পাহাড়ের অর্ধেক উঠে আবার ফেরত গিয়েছে।

কোথায় থাকবেন: বড়তাকিয়া বাজারে থাকার কোন হোটেল নেই। কিন্তু আপনি চাইলে চেয়ারম্যানের বাংলোয় উঠতে পারেন। এছাড়া মিরসরাই বা সীতাকুণ্ডে আপনি থাকার জন্য বেশ কিছু স্থানীয় হোটেল পাবেন। মিরসরাই বা সীতাকুণ্ডে খাওয়ার জন্য অনেক রেস্টুরেন্টও পাবেন। অথবা আপনি চট্টগ্রাম শহরে চলে আসতে পারেন। বড়তাকিয়া বাজার থেকে গাড়িযোগে চট্টগ্রাম শহরে প্রবেশ করলে থাকার অনেক ভালো মানের হোটেল রয়েছে। তাছাড়া অনেক রেস্তোরাঁও রয়েছে খাওয়ার জন্য।

আপনি ও চাইলে এসে পা রাখতে পারেন এই খৈয়াছড়ার মাটিতে এবং ঘুরে আসতে পারেন সৌন্দর্য্যময় ঝর্ণায়।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team