1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

বৃহস্পতিবার, ০৯ Jul ২০২০, ০২:০৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।

বইমেলা ও সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা

Advertisements

Print Friendly, PDF & Email

ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরীঃ চট্টগ্রামের বইমেলায় যেতে তো মন চায়, কিন্তু গত বছর যে অভিজ্ঞতা হলো- মনে পড়লেই শিউরে উঠি।

একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টা স্পষ্ট হবে। শপিং মলের ফুডকোর্টের করিডোর দিয়ে যাওয়ার সময়- খাবারের মেন্যু হাতে দাঁড়িয়ে থাকা ছেলেগুলো পথ আগলে ধরে জোর করে খাবার দোকানে ঢোকার জন্যে যে বাড়াবাড়ি করে- সেটা শুধু বিরক্তিকরই নয়, মানুষের নিজস্ব পছন্দ এবং ইচ্ছার স্বাধীনতার প্রতি অন্যায় হস্তক্ষেপ। গত বছর চট্টগ্রাম বইমেলায় ঠিক সেরকম অভিজ্ঞতা হল।

লেখকগণ যার যার বইয়ের স্টলের দরজায় দাঁড়িয়ে থেকে দেখছিলেন নিকটস্থ স্টলে পরিচিত/ বন্ধুদের কেউ আছে কিনা! যেই না চোখে পড়েছে- অমনি লেখক তার লেখা একটি নয়- দুই দুইটি বই এর পৃষ্ঠায় সেই পরিচিত/ বন্ধুর নাম লিখে শুভেচ্ছা বাণী রেডী করে তার পথ আগলে ধরেছে। তারপর কাকুতি- মিনতি করে বলেছে- “আমার প্রকাশকের টাকা উঠিয়ে দিতে হবে। তোমার নামে দুটি বইয়ে শুভেচ্ছা লিখে ফেলেছি। প্লিজ বই দুটো নিয়ে টাকা দিয়ে যাও”।

তাদের এ অবস্থা দেখে তাদের জন্যে খুব করুণা হল। ভাবলাম কতজন তো কতভাবেই ভিক্ষে করে। ভিক্ষে তো সবাই করেনা, যার অভাব সেই তো ভিক্ষে করে। এদের মত লেখকরা কিছু একটা লিখে তা প্রকাশের জন্যে হুড়োহুড়ি করে। আর সেটা প্রকাশ করে ব্যবসা করার জন্যে কিছু সিজনাল ব্যবসায়ী তো আছেই। এসব লেখকরা প্রকাশনার সংখ্যা বাড়ানোর জন্যে যতটা উদগ্রীব, লেখার গুনগত মান বাড়ানোর ব্যাপারে মোটেই সচেতন নয়। তাদের লেখায় গুনগত মানের অভাব আছে বলেই তো তারা পথ আগলে ভিক্ষে করে তাদের বই কেনার জন্যে।

ওদের এই বেহাল দশা দেখে ভাবলাম “বই কিনে কেউ দেওলিয়া হয়নি।” তাই যারা যারা পথ আটকে দুটো করে বই কিনতে বাধ্য করেছে তাদের সবার বইগুলো কিনে নিয়েছি। যদিও অধিকাংশ লেখাই হৃদয়/ মন ছুঁতে পারেনি, এমনকি গত এক বছরেও বইগুলো পড়ে শেষ করা যায়নি। ভালো লেখকদের কখনও এ লেখকদের মত কাজ করতে আমি দেখিনি। লেখার মান ভালো হলে সবাই স্বতস্ফূর্তভাবেই বই কেনে। আর সেই বইগুলো এক নি:শ্বাসেই যেন পড়ে শেষ করা যায়। শেষ না করে বই বন্ধ করতে মন চায় না।

বইমেলায় প্রতিটি স্টলে ঢুকে নতুন নতুন বইয়ের গন্ধ নিতে, বিভিন্ন বইয়ের পাতা উল্টিয়ে লেখার মান যাচাই করে, পছন্দ করে/ মনের মত বই কিনতে ক্রেতার যে আনন্দ- তা কোন কিছুর সাথে তুলনীয় নয়। কিন্তু উপরে বর্ণিত লেখকরা ক্রেতাকে সেই কাজটি করার সুযোগ দেন না। ক্রেতার পছন্দের অধিকার হরণে ব্যস্ত থাকেন। ক্রেতার অনিচ্ছা স্বত্ত্বেও ক্রেতার হাতে বই তুলে দিয়ে, ক্রেতার সাথে ছবি তুলে ফেসবুকে আপলোড দেয়ার জন্যে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। বই পছন্দ করে কেনার স্বাধীনতা না থাকলে ক্রেতারা বইমেলায় যেতে আগ্রহী থাকেনা। চট্টগ্রামের বইমেলায় যে সব লেখক- ক্রেতার অধিকার হরণের অপচেষ্টায় লিপ্ত থাকেন, তাদের প্রতি অনুরোধ- দয়া করে ক্রেতার স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করবেন না।

আপনার মতামত দিন
Your 250x250 Banner Code

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements



Advertisements
© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team