1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ১২:২৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
Untitled-1

উখিয়া ১৬ কোটি টাকা বিনিময়ে খাল খনন

Advertisements

বিবিসিনিউজ২৪,ডেস্কঃ উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালি কাষ্টম ঘাটস্হ নাফনদী সংযোগ হয়ে মধুরছাড়া পর্যন্ত খাল পূর্ণঃ খননের কাজ এগিয়ে চলছে। বর্ষার মৌসুমী জলাবদ্ধতা নিরসন ও চাষাবাদের লক্ষ্যে খালটি পুনঃ খনন করা হচ্ছে।

উখিয়া প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা সহকারি প্রকৌশলী মোহাম্মদ সোহরাব আলী জানান, দৈর্ঘ্য পাঁচ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পটি এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে ১৬ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, কুতুপালং বালুখালি মধু ছড়া থাইংখালী ও পালংখালী এলাকার হাজার হাজার একর সরকারি সংরক্ষিত বনাঞ্চল ধ্বংস এবং পাহাড় কেটে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা আশ্রয় গ্রহণ করেছে। পাহাড় নিধন ও বনজ সম্পদ ধ্বংস করার কারণে পাহাড়ের মাটি পানির সাথে এসে খাল সমূহ ভরাট হয়ে যায়। এতে করে বর্ষার মৌসুমে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের টয়লেটের নোংরা পানি ও নোংরা আবর্জনায় পুরো এলাকা মারাত্মক দূষিত হয়ে ওঠে।

এদিকে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জলাবদ্ধতা নিরসন ও অবাধ পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ, বালুখালি কাস্টম ঘাট এলাকার নাফ নদী হয়ে মধু ছাড়া পর্যন্ত দীর্ঘ পাঁচ কিলোমিটার খাল খনন করতে এগিয়ে আসেন এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

hostseba.com

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, গত মাসে শুরু হওয়া খাল খনন কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। স্থানীয় মেম্বার জানান খনন শেষ হলে নদীর সাথে সহজে পানি প্রবাহ সচল হলে এলাকায় যেমনিভাবে চাষাবাদ করা যাবে পক্ষান্তরে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।
উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোঃ রবিউল হোসেন জানান, সরকারি সিডিউল মোতাবেক খালের পূর্ণঃ খনন কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে ৬০ ভাগ খনন হয়েছে অবশিষ্ট কাজ আগামী মার্চ মাসে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের বালুখালি কাষ্টম ঘাটস্হ নাফনদী সংযোগ হয়ে মধুরছাড়া পর্যন্ত খাল পূর্ণঃ খননের কাজ এগিয়ে চলছে। বর্ষার মৌসুমী জলাবদ্ধতা নিরসন ও চাষাবাদের লক্ষ্যে খালটি পুনঃ খনন করা হচ্ছে।
উখিয়া প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপজেলা সহকারি প্রকৌশলী মোহাম্মদ সোহরাব আলী জানান, দৈর্ঘ্য পাঁচ কিলোমিটার খাল খনন প্রকল্পটি এশিয়ান ডেভলপমেন্ট ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে ১৬ কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী জানান, কুতুপালং বালুখালি মধু ছড়া থাইংখালী ও পালংখালী এলাকার হাজার হাজার একর সরকারি সংরক্ষিত বনাঞ্চল ধ্বংস এবং পাহাড় কেটে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা আশ্রয় গ্রহণ করেছে। পাহাড় নিধন ও বনজ সম্পদ ধ্বংস করার কারণে পাহাড়ের মাটি পানির সাথে এসে খাল সমূহ ভরাট হয়ে যায়। এতে করে বর্ষার মৌসুমে জলাবদ্ধতার পাশাপাশি রোহিঙ্গা ক্যাম্পের টয়লেটের নোংরা পানি ও নোংরা আবর্জনায় পুরো এলাকা মারাত্মক দূষিত হয়ে ওঠে।

এদিকে খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) জলাবদ্ধতা নিরসন ও অবাধ পানি প্রবাহ নিশ্চিত করতে খাল খনন কর্মসূচি গ্রহণ করেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে প্রকাশ, বালুখালি কাস্টম ঘাট এলাকার নাফ নদী হয়ে মধু ছাড়া পর্যন্ত দীর্ঘ পাঁচ কিলোমিটার খাল খনন করতে এগিয়ে আসেন এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

খোঁজ খবর নিয়ে জানা যায়, গত মাসে শুরু হওয়া খাল খনন কাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। স্থানীয় মেম্বার জানান খনন শেষ হলে নদীর সাথে সহজে পানি প্রবাহ সচল হলে এলাকায় যেমনিভাবে চাষাবাদ করা যাবে পক্ষান্তরে বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসন হবে।

উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) মোঃ রবিউল হোসেন জানান, সরকারি সিডিউল মোতাবেক খালের পূর্ণঃ খনন কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। বর্তমানে ৬০ ভাগ খনন হয়েছে অবশিষ্ট কাজ আগামী মার্চ মাসে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team