1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২০, ১২:০৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
Untitled-1
বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশের স্বপ্ন দ্রষ্টা

বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশের স্বপ্ন দ্রষ্টা

বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশের স্বপ্ন দ্রষ্টা
বাঙালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশের স্বপ্ন দ্রষ্টা
Advertisements

সম্পাদকীয়, বিবিসিনিউজ২৪ ডেস্ক:


বাঙ্গালী জাতির বেদনাবিধূর শোকের মাস আগষ্ট। ১৯৭৫ সালে ১৫ আগষ্ট বাঙ্গালী হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির পৃথক আবাসভূমি বাংলাদেশের প্রথম স্বপ্ন দ্রষ্টা মহান মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক বিশ্বের অন্যতম জাতীয়বাদী নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাঙ্গালী জাতির বিশ্বাসঘাতকদের ষড়যন্ত্রে মার্কিন স¤্রাস্যবাদ-পাকিস্তান এদেশীয় এজেন্টদের গভীর ষড়যন্ত্রে নির্মমভাবে জীবন দিতে হলো, জীবন দিতে হয়েছে তার পরিবারের অধিকাংশ সদস্যকে। বাংলাদেশ হারালো জাতির পিতাকে বিশ্ব হারালো শোষিত বঞ্চিত মানুষের অধিকারের পক্ষে কথা বলার বিশ্ব নেতাকে।

যেই জাতির ¯্রষ্টা বঙ্গবন্ধু, যার আহŸানে সারা দিয়ে একটি জাতি একটি সুশিক্ষিত সাময়িক প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে নয় মাস লড়াই করে ৩০ লক্ষ মানুষ জীবন দিয়ে বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ দিনের ললিত স্বপ্নের বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করে সেই পিতাকে ঘাতকেরা বাঁচতে দিল না। স্বাধীনতার দুই বছর আগেই বাংলাদেশ নামকরণ করেছিলেন, বস্বাধীনতার দুই বছর আগেই বাংলাদেশ নামকরণ করেছিলেন, বঙ্গবন্ধু, ১৯৬৯ সালের ৫ নভেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান পূর্ব বাংলার নামকরণ করেন “বাংলাদেশ”। কারাগারের রোজনামচা বইয়ে ২৭৪ নম্বর পৃষ্ঠায় বঙ্গবন্ধুর এই ঘোষণা উদ্বৃত রয়েছে। বঙ্গবন্ধু ওই আলোচনা সভায় বলেছিলেন এক সময় এদেশের বুক হইতে মানচিত্রের পৃষ্ঠা হইতে বাংলা কথাটির সর্বশেষ চিহৃটুকু চিরতরে মুচিয়া ফেলার চেষ্টা করা হইয়াছে। একমাত্র “বঙ্গোপসাগর” ছাড়া আর কোনও কিছুর নামের সঙ্গে “বাংলা” কথাটির অস্তিত্ব খুঁজিয়া পাওয়া যায় নাই। জনগণের পক্ষ হইতে আমি পাকিস্তানের পরিবর্তে শুধু “বাংলাদেশ”। বঙ্গবন্ধুর কারাজীবন নিয়ে নিজের লেখা ডায়েরী “কারাগারের রোজনামচা” নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়েছে। সেই বইয়ের “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের রাজনৈতিক জীবন পরিচয় (১৯৫৫-৭৫) অংশে বঙ্গবন্ধুর বছর ভিত্তিক উল্লেখযোগ্য কর্মকান্ডের মধ্যে ১৯৬৯ সালে বাংলাদেশের নামকরণের কথা বলা হয়েছে।

জাতির জনক পাকিস্তানের কারাগারের নয় মাস কারা নির্যাতন ভোগ করলেও সাড়ে সাত কোটি বাঙ্গালী তার নির্দেশ মোতাবেক পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে “যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রæ মোকাবিলা” করেছে। বীর মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তক্ষয়ী লড়াইয়ের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে মোকাবেলা করে। নয় মাসের লড়াইয়ে পরাজয় বরণ করে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের প্রদেশীয় দোসর রাজাকার, আলবদর, আলশামস, মিলিশিয়া বাহিনী, মোজিদ বাহিনী, ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্স মাঠে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে চূড়ান্ত পরাজয় হয়। ঐ দিন থেকে এই পূর্ববঙ্গ হয় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা তথা “বাংলাদেশ” স্বাধীন স্বার্বভৌম বাংলাদেশ।
সারা দুনিয়ার প্রগতিশীর রাষ্ট্রসমূহের চাপের মুখে তথা তৃতীয় বিশ্ব, সমাজতান্ত্রিক দুনিয়ার চাপের মুখে বঙ্গবন্ধু মুক্তি পায় পাকিস্তানী কারাগার থেকে। ১০ জানুয়ারি ১৯৭২, বঙ্গবন্ধু দেশে ফিরেই বিধ্বস্ত বাংলাদেশকে পুণঃগঠনের কাজে আত্মনিয়োগ করেন। অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধের ধর বাংলাদেশকে একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে যা আস্তে আস্তে দেশকে সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ করার ইচ্ছা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন বঙ্গবন্ধু। যে কারণে তিনি দেশে নির্ভেজাল গণতান্ত্রিক পরিবেশে স্বাধীনতার প্রথম নির্বাচনী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বঙ্গবন্ধু নির্বাচনী আইন প্রণয়ন করেন। বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান প্রথমে নির্বাচনী আইন “দ্যা রিপ্রেজেন্টেশন অব দ্যা পিপল অর্ডার ১৯৭২ (আরপিও) প্রণয়ন করেছিলেন। তিনি প্রতিটি কাজে জনগণের অধিকারের কথা চিন্তা করতেন।

বঙ্গবন্ধু অনেক চেষ্টা করেও দেশে দুর্নীতি, চুরি, কালোবাজারী, মুনাফাখুরী বন্ধ করতে না পেরে বলেছিলেন, “দেশে সব চোরের দল”। আওয়ামী লীগকে দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়া সম্ভব নয় বলেই বঙ্গবন্ধু দেশে এক দলীয় শাসন বাকশাল কায়েম করেছিলেন। দেশে একদিকে সীমাহীন দুর্নীতি, অন্যদিকে জাসদ কর্তৃক গণবাহিনী সৃষ্টি করে দেশে ধ্বাংসাত্মক কার্যক্রম পরিচালনা, মুজিব সরকার পতনের জন্য নানা অপরাধী কার্যক্রম পরিচালনা করা, দেশে ব্যাংকলুট, পাটের গুদামে আগুন, জনপ্রতিনিধি হত্যা, তারিখ দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও সহ দেশকে স্বাধীনতা বিরোধীরা জাসদের ছয়ছায়ায় এসে সংগঠিত হতে থাকে। অন্য দিকে সিরাজ সিকদারের সর্বহারা পার্টি নাম দিয়ে দেশে চুরি-ডাকাতি, খুন-খারাবী ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। এমনটি পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে পাকিস্তানী মার্কিন সা¤্রাজ্যসহ যারা মুক্তিযুদ্ধের আন্তর্জাতিক শক্তি বিরোধী ছিলেন তারা অরাজকতা সৃষ্টিকারীদের মদদ দেয়।

hostseba.com

বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগের পতাকাতলে’৭১ এর চেতনায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি সুখী সমৃদ্ধশীল দেশ তথা সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে, যেই লক্ষ্যে তিনি আধুনিক সমবায় নীতি ঘোষণা করেছিলেন।
বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার নয় মাসের মধ্যে একটি আধুনিক প্রগতিশীর সংবিধান দিতে সক্ষম হয়েছিলেন যার মূলস্তর বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, গণতন্ত্র, এই চার মূলনীতির ভিত্তিতে দেশ পরিচালনা করতে গিয়ে স্বাধীনতা বিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তি অতি বিপ্লবী, বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রী একজোট হয়ে বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। তাদের সাথে সামরিক কুচক্রী দহল, আওয়ামী লীগের ভেতর বঙ্গবন্ধুর বিরোধী চক্র ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। যার ফলশ্রæতিতে জাতির অন্ধকারের দিন বেদনার দিন, কান্নার দিন, পিতা হারানোর দিন ১৫ আগষ্ট ১৯৭৫।

বাঙ্গাল জাতি বঙ্গবন্ধুকে হারানো মধ্য দিয়ে শুধু একজন ব্যক্তিকে হারাননি। জাতির জনক হত্যা কান্ডের মধ্য দিয়ে হারিয়েছে প্রগতিশীর আধুনিক সংবিধান, রাষ্ট্রীয় মূল চার নীতি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদোশ।
বঙ্গবন্ধুর লাশ দাফনের আগেই একদল আওয়ামী লীগ নেতা মন্ত্রীত্ব গ্রহণের জন্য দৌঁড়ঝাপ শুরু করে। যেন দেশে কিছুই হয়নি। বঙ্গবন্ধু খুনীরা দেশে এখনও তৎপর। তারা বার বার চেষ্টা করেছে, জাতির জনকের কন্যা দেশরতœ জননেত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার মধ্যদিয়ে দেশকে পাকিস্তানী ভাবধারায় নিয়ে যেতে। কাজেই আমাদের চূড়ান্ত সাবধান হতে হবে।

দেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের আদর্শের বাংলাদেশ গড়তে হলে ৭২ এর সংবিধান পুনঃপ্রবর্তন করতে হবে। রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি বাস্তবায়ন করতে হবে। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ কায়েমের লক্ষ্যে সংবিধানের ৩৮ ধারা বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশ থেকে দুর্নীতি মূলোৎপঠন করতে হবে। জঙ্গীবাদ, মৌলবাদ, সাম্প্রদায়িকতা, মাদক, খুন, ধর্ষণ কঠোর হাতে দমন করতে হবে। আইনের শাসন কায়েশ করতে হবে।

জাতির জনক হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত কিছু সামরিক অফিসারের বিচার হলেও যারা নেপথ্যে ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিল সেইসব কুশিলবদের চিহিৃত করা হয়নি। তাদের চিহিৃত করে অবিলম্বে বিচারের আওতায় আনতে হবে। বঙ্গবন্ধুর ডাকে যারা সারা দিয়ে নয় মাস লড়াই করে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে বীর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশ পরিচালনায় অঙ্গীকারবদ্ধ থাকতে হবে। তাহলে দেশ এগিয়ে যাবে। বঙ্গবন্ধুর আত্মার শান্তি পাবে। জয় বাংলা।

লেখক : গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ, সভাপতি, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিসৌধ বাস্তবায়ন পরিষদ, চট্টগ্রাম। সিনিয়র সহ-সভাপতি, সেক্টর কমান্ডার ফোরাম, মুক্তিযুদ্ধ’৭১, চট্টগ্রাম জেলা শাখা

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team