শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:৪৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।

টাংগাইলে গৃহবধুর রহস্যময় মৃত্যু নিয়ে আলোচনার ঝড়

Advertisements

কে এইচ.হাসিবুর রহমান শান্ত, টাংগাইল সদর প্রতিনিধি : টাংগাইল জেলার দেলদুয়ার থানার পাথরাইল ইউনিয়নের নরুন্দা গ্রামের যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় গৃহবধুর ওপর স্বমীর বাড়ির লোক অমানবিক অত্যাচার চালায়। অত্যাচারের এক পর্যায় গৃহবধুর রহস্যময় মৃত্যু হয়।

গত ৭ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখ আনুমানিক সকাল১১ ঘটিকার সময় গৃহবধূ রহস্যময় মৃত্য হয়। গৃহবধুর নাম সোনিয়া আক্তার মুক্তা (২৭)। পিতা:মনিরুজ্জামান। মাতা:সুফিয়া খাতুন।

এই ঘটনার পর ভিক্টিমের পিতা মনিরুজ্জামান দেলদুয়ার থানায় হত্যা মামলা করতে গেলে তা গ্রহণ না করে এক অপমৃত্যু মামলা রুজু করে লাশ হস্তান্তর করে । তার পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এ এটি আত্যহত্যা বলে দেখানো হয়।কিন্তু তার পিতা-মাতা এবং গ্রামবাসী তার মৃত্যুর পোস্টমর্টেম রিপোর্ট এ সন্দেহ প্রকাশ করেন।

তারা জানান সোনিয়াকে তার শ্বশুর বাড়ির লোক যৌতুকের টাকা না দেওয়ায় প্রায় ই শারিরিক নির্যাতন করতো,এবং তারা সন্দেহ করেন যে সোনিয়া কে তার স্বমীর বুদ্ধিতে তার শ্বশুর বাড়ির মজিবুর রহমান, মমতাজ বেগম,বিথী আক্তার, রবিন মিয়া,আজাহার আলি, জহুরা বেগম, সোনিয়াকে হত্যা করে।

তার পিতা :মনিরুজ্জামান সন্দেহ প্রসন করে নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল, টাংগাইল এ নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ১১ এর ক ধারায় মামলা করে, যা যৌতুকরে জন্য হত্যার অপরাধ। কোর্ট সুনানিয়ান্তে PBI টাংগাইল কে তদন্ত পুর্বক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

hostseba.com

এ বিষয়ে বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ থেকে ০৮ নভেম্বর ২০১৯ তারিখ শাহনাজ সুমি,(উপপরিচালক), নাজনীন বেগম পাপ্পু (প্রকল্প পরিচালক),সাহিদা পারবিন(মনিটরিং অফিসার)এবং শাহানা সাইদ(এডভোকেট, হাইকোর্ট),জিনিয়া বখ্শ(এডভোকেট, টাংগাইল জর্জ কোর্ট), সেতারা বেগম মুন্নি ( অ্যাডভোকেট , বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট ),মাহমুদা বেগম শেলী(নির্বাহি পরিচালক,মানব প্রগতি সংঘ, টাংগাইল), ইসরাত জাহান (মানবাধিকার কর্মী) সোনিয়া আক্তার মুক্তার শ্বশুর বাড়ির এলাকায় যান এবং খ:জলি আক্তারের (সাক্ষী) বাড়িতে তদন্ত বিষয়ক আলোচনা করে।

বিবিসি নিউজ ২৪ এর প্রতিনিধি কে এইচ.হাসিবুর রহমান শান্ত এ বিষয়ে মৃত গৃহবধুর চাচা শ্বশুরের সাথে কথা বলতে গেলে সে সাংবাদিকের সাথে আক্রমণীয় আচরন করেন এবং সাক্ষী খ: জলিকে আইনজীবী ও সাংবাদিকের সামনে হুমকি দেন।

এ বিষয়ে বিস্তারিত তদন্তের জন্য “বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ” কর্মীরা দেলদুয়ার থানায় যান। মৃত গৃহবধুর বাবা-মা এবং গ্রামবাসী এর সুষ্ঠ বিচার চান।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team