রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় আঞ্চলিক সংগঠন (ইউপিডিএফ) প্রসিত গ্রুপ, কে নিষিদ্ধ করার দাবিতে  মানববন্ধন সাঁথিয়া সরকারি হাই স্কুলে প্রশ্নপত্র না থাকায় নির্বাচনী পরীক্ষা দিতে পারেনি ১৮৯জন শিক্ষার্থী ইনানী মেরিন ড্রাইভ সড়কে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার অভিভাবক সংগঠনঃ সম্মিলিত সামাজিক উন্নয়ন পরিষদের ১ম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠিত কেশবপুরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন গোল্ডকাপ ফুটবল উদ্বোধন শিক্ষকতায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন চট্টগ্রাম জেলা যুব কমিটির বিশাল মিছিল সম্রাটের অনুষ্ঠানে যোগ দাওয়ার উদ্দেশে জাপান যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি যুবলীগের সম্মেলন: বিভিন্ন পদে দেখা যেতে পারে নতুন মুখ বাজার থেকে তুলে নিচ্ছে বেবি পাউডার জনসন অ্যান্ড জনসন

“ছাত্র রাজনীতির অবসান হোক”

Advertisements

মু. এনামুল হক মিঠু ঃশিক্ষা বলতে আমরা বুঝি মানব সম্পদ তৈরী করার প্রতিষ্ঠান তথা স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদিকে। শিক্ষাদান কেন্দ্রই শিক্ষাঙ্গন তথা মানুষ গড়ার অঙ্গন। যেখানে শিক্ষার্থীগণ জ্ঞান লাভের প্রত্যাশায় পড়ালেখা করে ভবিষ্যৎ জীবনকে আলোকিত ও সুন্দরভাবে গড়ে তোলার জন্য সদা সচেষ্ট।

” ড. লুৎফর রহমান যথার্থই বলেছেন ঃ “কেবল বহু লোককে অক্ষর জ্ঞান বিশিষ্ট করলেই তাদের মানুষ করা হল না। মানুষের মধ্যে পশুর স্বভাব দমন করে, যদি তার ঈশ্বরিক গুণকে ফুটিয়ে তোলা হয়, তবেই তাকে প্রকৃত মানব বলা হয়।” ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করার নামই সন্ত্রাস আর সেই ভয়ের পরিবেশ রচনা করা হয় শিক্ষা প্রতিষ্টানকে মৃত্যু উপত্যকায় পরিণত করে তথা অস্ত্রের অপব্যবহার করে আন্দোলনের মুখে মানুষের মনকে বাজী রেখে।

বিজ্ঞানের অগ্রগতির পথ অনুসরণ করে মানুষ নানা আবিষ্কারে সমৃদ্ধ। এর মধ্যে স্বয়ংক্রীয় আগ্নেয়াস্ত্র ত্রাসের সামগ্রীতে পরিণত হয়েছে। এ অস্ত্র সন্ত্রাস সৃষ্টির জন্য অতিসামান্য উপাদান মাত্র। মানব জাতির বাঁচার মৌলিক অধিকারের মাঝে শিক্ষা অন্যতম উপাদান। অথচ অশান্ত আজকের শিক্ষাঙ্গন।

হত্যা, সন্ত্রাস, বোমাবাজি আজ মামুলি ব্যাপার। অশুভ শকুনের ক্ষুধার্ত চক্ষুর ছায়া আমাদের শিক্ষাঙ্গনের উপর। সবুজ শ্যামল বাংলাদেশের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়ে এ চিত্র। কলেজ,মাদ্রাসাগুলোর অবস্থা করু। বিশ্ববিদ্যালয়ে আসে শিক্ষার্থীরা মানুষ হতে আর ফিরে যায় লাশ হয়ে। ফলে শিক্ষার্থীর মা-বাবা সন্তানদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠিয়ে স্বস্থি পাচ্ছেন না।

এ জাতীয় সমস্যায় ঘুরপাক খাচ্ছে মেধাবী ছাত্র, শিক্ষক, অভিভাবক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাজীবীসহ সকল মহল। সত্যি! দেশের প্রায় প্রতিটি শিক্ষাঙ্গন যেন এখন রণাঙ্গন! ছাত্রদের হাতে আজ খাতা কলমের পরিবর্তে পিস্তল,ছোরা আর বোমা। আদর্শিক ও অন্যান্য সামান্য কারণেই সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ অঙ্গনে ছাত্ররা তারই সহপাঠী ভাইকে তস্করের মত নির্মমভাবে খুন করতে এতটুকু দ্বিধাবোধ করে না।

hostseba.com

জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানা যায় যে, স্বাধীনতার পর অর্থাৎ জানুয়ারি ৭২ থেকে ৮৯ পর্যন্ত এই ১৮ বছরে দেশের শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসী কার্যকলাপে দেড় শতাধিক ছাত্র ও তরুণ প্রাণ হারিয়েছে। এ সন্ত্রাসী তৎপরতা কমবেশি প্রায় সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই বিদ্যমান। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক্ষেত্রে শীর্ষে অবস্থান করছে।

শিক্ষাঙ্গনে হত্যা ও সন্ত্রাসের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আনুপাতিক হারে প্রতিবছর শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসে নিহতদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বিগত ১৮ বছরে শিক্ষাঙ্গনে যতজন ছাত্র নিহত হয়েছে সে অনুপাতে গত ৫ বছরে নিহত হয়েছে অনেক বেশি। আবার গত ৫ বছরে যতজন ছাত্র নিহত হয়েছে সে অনুপাতে গত ২ বছরে নিহত হয়েছে আরো বেশি।

আবার গত ২ বছরের ছাত্রহত্যার অনুপাতে এই ২ বছর অর্থাৎ ৯০-৯১ সালে ছাত্র হত্যার পরিমাণ দ্বিগুণ। ১৯৯১ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত সান্ত্রাসীর কবলে কয়জন ছাত্র/ ছাত্রী নিহত হয়েছে?
অতীতে শিক্ষাদান ছিল গৃহ কেন্দ্রিক। কালক্রমে এ শিক্ষাদন পদ্ধতি সমৃদ্ধির পথ ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপনীত। এছাড়া স্কুল, কলেজ, মাদরাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতি ও আদর্শের ছায়াতলে লালিত হচ্ছে অসংখ্য জীবন স্বপ্ন।

প্রকৃত মনুষ্যত্বের আলোকে সৎ ও চরিত্রবান জীবন উদ্ভাসিত করুক এই কামনায় সৃষ্টি করা হয়েছে নানা রকমের শিক্ষা বা শিক্ষাঙ্গন। কিন্তু যুগের হাওয়া বদলে এখন অনিয়ম ও উশৃঙ্খলতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং তা বৃদ্ধির মূলে রয়েছে আত্মস্বার্থ, ধর্মীয় অনুশাসনের অভাব কিংবা মতবাদের পার্থক্য। আজকের বিশ্বে সকল মতবাদীরা বর্তমানে আদর্শের লড়াই ছেড়ে দিয়ে অস্ত্রের লড়াইকে সর্বাগ্রে স্থান দিয়েছে।

ফলে অস্ত্র ব্যবহারের প্রবণতা প্রচুর বেড়েছে। দেশে ত্রাস সৃষ্টি করে আপন দলের শক্তি জাহির করার এক অশুভ প্রতিযোগিতা আজ শিক্ষাঙ্গনে। মুখোশের আড়ালে অস্ত্র ব্যবহারের পথ কেউ না কেউ চালু করছে আর এদের লালন করছে কোনো না কোনো রাজনৈতিক মহল।

ত্রাস ও ভয় সৃষ্টির মাধ্যমে এক অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করাই তথাকথিত ঐ রাজনৈতীক দলের মুখ্য উদ্দেশ্য। এতে তাদের দু’ধরনের লাভ ঃ প্রথমত ভীতির পরিবেশ তৈরী হলে অন্যদল বা মতবাদী বিশ্বাসীরা সংগঠিত হবার সুযোগ পাবে না। দ্বিতীয়তঃ নিজেদের শক্তি সম্পর্কে সাধারণের মনে প্রভাব ফেলা সহজ হয়। বর্তমান শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে যে ধরনের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চলছে তাকে পশুশক্তির নব সংস্করণ বললে ভুল হবে না। শুধু তা নয়, অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, শ্রেণী কক্ষে এখন মদ,জুয়ার আসর বসে। নম্রতা, জ্ঞান, বুদ্ধির বিকাশ, সহমর্মিতা, যুক্তি ও ন্যায় যেখানে ছাত্রদের চরিত্রকে উন্নত ও মহান করে তোলার পক্ষে কাজ করে,সেখানে সন্ত্রাস আজ অভিষাপ হয়ে মানবতার আকাশে কালো মেঘের আস্তরণ সৃষ্টি করেছে। এ অভিষাপের ফলে মানুষের জীবনে এক ভয়াবহ পরিণতি উপেক্ষা করছে।

আর এ সমস্ত সন্ত্রাসীরা যতসব অপকর্ম করে কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলে আশ্রয় নেয়। ফলে দেশের শিক্ষাঙ্গন ও রাজনীতি হয় কলুষিত।
কেন দেশে আজ সন্ত্রাস? আর কেনইবা মরণাস্ত্রের এত অপপ্রয়োগ? এ প্রশ্ন আজ সবারই। এ প্রশ্নের উত্তর বিভিন্ন মহলের পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে আসলেও মৌলিক কারণে সকলেই একমত।

গত ৪ঠা ডিসেম্বরে দৈনিক বাংলায় প্রকাশিত জাতীয় মতামত কেন্দ্র পরিচালিত এক জরীপে শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসের কারণ কি? এ প্রশ্নের জবাবে ৬৬.৬৬ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, রাজনৈতিক দল তাদের নিজ নিজ আদর্শ বিস্তার করতে ছাত্রদেরকে ব্যবহার করে। ২৬.৬৬ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, দেশের বিরাজমান আর্থ সামাজিক অবস্থা এবং রাজনৈতিক অস্থিরতাই ছাত্রদের সস্ত্রাস মুখী হবার কারণ।

সাম্প্রতিক কালে শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস বৃদ্ধির কারণ কি? এ প্রশ্নের জবাবে ৪৬-৬৭ শতাংশ উত্তরদাতা বলেছেন, ছাত্রদের রাজনৈতিক শক্তি হিসাবে ব্যবহার সন্ত্রাস বৃদ্ধি প্রধান কারণ। অন্যদিকে ৩৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ বলেছেন ছাত্র রাজনীতির প্রতি নেতিবাচক জনমত সৃষ্টির জন্য ক্ষমতাসীন মহল কর্তৃক সন্ত্রাসী ও সন্ত্রাস লালনই এর জন্য দায়ী।

উল্লেখিত মতামতের কারণগুলোর কোনটাই একেবারে অস্বীকার করার যৌক্তিকতা নেই। প্রকৃত পক্ষে ছাত্র সমাজ রাজনীতিতে হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে তা অস্বীকার করার জো নেই। রাজনৈতিক নেতারা ছাত্রদের বিভিন্নভাবে ব্যবহার করেন, অথচ লক্ষণীয় যে নেতা-নেত্রীদের সন্তানরা কোন ছাত্র সংগঠনের সাথে তো জড়িত নয়-ই তদুপরি আবার অনেকেরই সন্তান ভারত,লন্ডন ও আমেরিকার মত দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যায়ন করে।

এছাড়া আরও কয়েকটি সন্ত্রাসের কারণ হলো, সরকারি ও বিরোধী দলের ইন্ধন,ক্ষমতার দ্বন্দ্ব, উস্কানীমূলক বক্তৃতা, অসহনীয় মনোভাব, পেশীশক্তির উপর নির্ভরশীলতা,অস্ত্রের সহজলভ্যতা,সংকীর্ণ মানসিকতার দলীয় পক্ষপাতিত্ব।

পত্র-পত্রিকায় বিকলাঙ্গ কার্টুন,মিথ্যা বানোয়াট খবর ও বিবৃতি প্রচার করা ইত্যাদি।
সন্ত্রাস রোধ করতে প্রথমত সরকারকে আন্তরিক ও নিরপেক্ষ হতে হবে। ক্ষমতাসীন/বিরোধী দলের সাথে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের আন্তরিকভাবে খোলাখুলি আলোচনা করে সন্ত্রাসের কারণ চিহ্নিত করে দেশের স্বার্থে তা প্রতিকারের শপথ গ্রহণ করতে হবে।

সন্ত্রাসকারীরা যেই হোকনা কেন তাদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। শিক্ষাঙ্গনে সুন্দর সুস্ত পরিবেশ বজায় রাখতে রাজনীতি ও রাজনৈতিক আলাপ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করতে হবে। অস্ত্রের সরবরাহের পথ চিরতরে রোধ এবং প্রতিনিয়ত অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চালাতে হবে। উস্কানীমূলক বক্তৃতা, বিবৃতি, শ্লোগান, অশ্লীল পোস্টার ও লিফলেট প্রচার বন্ধ করতে হবে।

এছাড়া শিক্ষা পদ্ধতির সংস্কার সাধন করে, পাশাপাশি ছাত্রদের জ্ঞানার্জন ও অধ্যায়নে মনোযোগ সৃষ্টির আধুনিক কৌশল সৃষ্টি করতে হবে। এসব ক্ষেত্রে সরকার, বিরোধীদল তথা রাজনৈতিক নেতা নেত্রীবৃন্দ,বুদ্ধিজীবী, শিক্ষকমন্ডলী, অভিভাবকসহ সকল স্তরের জনতাকে এ ব্যাপারে গভীরভাবে ভাবতে হবে এবং সন্ত্রাস রোধকল্পে উপরোক্ত পদক্ষেপ বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। অন্যথায় সোনার বাংলায় আগামীদিনে শ্মশানে পরিণত হবে এটা অনিবার্য।

সন্ত্রাস কারো কাম্য নয়, একে সমাজ জীবনে আগপাশ থেকে নির্মূল করতে হবে। বৃহত্তর জাতির স্বার্থেই শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস থাকলে তা যেমন শিক্ষাঙ্গনকে অপবিত্র করে তেমনি মানুষ গড়ার আঙ্গিনায় সত্যিকারের মানুষের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ করা একেবারে অসম্ভব।

নিজ দলের স্বার্থ নিয়ে সবাই ভাবতে পারে। তাই বলে নিজ দলের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য কেন স্বাধীন দেশে ছাত্রদের দাবার গুটি বানিয়ে ছাত্র দিয়ে ছাত্র মারতে হবে? আর কত মা-বাবার কলিজা ফাটা অশ্রু বের হলে শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস বন্ধ হবে? আর কত মা-য়ের কোল খালি হলে শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস বন্ধ হবে ? আর কত লাশ মর্গে গেলে আমাদের স্বার্থপর রাজনীতিবিদদের টনক নড়বে?

বর্তমানের এই কলুষিত সমাজ ও রাষ্ট্রীয় ব্যবস্হার মূলে আছে ত্যাগী,যোগ্য ও স্বদেশ প্রেমে উদ্ভুদ্ধ নাগরিক তথা কর্মী ও নেতার অভাব আর এঁরা মূলত সৃষ্টি হয় পরিচ্ছন্ন নেতৃত্ব থেকে। দেশ কী ‘৪৭,’৫২,’৫৪,’৭০,’৭১,’৯০ এর চেয়েও ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে? অবশ্যই করছে। কারণ তখন যারা উপরোল্লিখিত সময়ে নেতৃত্ব দিয়েছিল তাদের সকলের রাজনীতির প্লাটফর্ম ছিল স্বার্থের ঊর্ধ্বে দেশপ্রেম,

ফলে প্রতিটি আন্দোলন সফল হয়েছিল।
আর এখন রাজনীতির হাতেখড়ি হয় অস্ত্র,সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি মাধ্যমে, সেটা ছাত্র রাজনীতি বলুন বা সামগ্রিক রাজনীতি যাই হোকনা কেন।ছাত্র তথা সামগ্রিক নেতৃত্বের নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে কোন আন্দোলন আর আলোর মুখ দেখেনা। কারণ যে কোন আন্দোলনের সফলতার জন্য যে ন্যূনতম নৈতিক গুণাবলির দরকার তা আমাদের পিতৃতুল্য রাজনৈতিক দলগুলো তাদের ক্ষমতা লিপ্সার জন্য সন্তানতুল্য ছাত্রদের দিচ্ছেনা।

iতাই আগামীকাল ভোর হওয়ার আগেই ছাত্র সমাজকে শুধু মাত্র বই,সহশিক্ষা আর নৈতিক শিক্ষার মধ্যে নিয়োজিত রেখে রাজনীতি নামক যেকোন ধরনের মরণ ব্যাধি থেকে মুক্ত রাখতে হবে।

তাই এ দুর্বিসহ করুণ মুহূর্তে আমাদের দেশের সকল মহলের শুভনচিন্তার উদয় হোক এ কামনায় ইতি টানলাম।

আপনার মতামত দিন
bbc-news-24-ads

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team