শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৫:০৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
শার্শার সীমান্ত থেকে ফেনসিডিলসহ কারবারি আটক সাতকানিয়ায় নিস্পাপ শিশুকে হত্যা আটক ২ ঝুঁকির কবলে বাঁশখালী-কুতুবদিয়া যোগাযোগের ছনুয়া জেটিঘাট! এ যুদ্ব কেবল ক্যাসিনো এর বিরুদ্বে নয় টোটাল মাদকের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি(তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দেবনাথ। সাংবাদিক রুবেলের উপর সন্ত্রাসী হামলা.. বর্নাঢ্য আয়োজনে যুবলীগের মাসুমের জন্মদিন পালিত : চট্টগ্রাম মহানগর সাভারে পৌর আওয়ামীলীগের সহ প্রচার সম্পাদক কে হত্যার প্রতিবাদ সভা পালিত লামা সরকারি হাসপাতালে অন্তবিহীন দুর্নীতি,অনিয়ম ও অপরিছন্নতার অভিযোগ। পাসপোর্ট করতে এসে রোহিঙ্গা কিশোরীসহ আটক-২
ছাত্রদল করায় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন শ্রাবণ – সংবাদ সম্মেলনে বাবা

ছাত্রদল করায় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন শ্রাবণ – সংবাদ সম্মেলনে বাবা

Advertisements

যশোর জেলা প্রতিনিধিঃ ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি পদপ্রার্থী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণের বাবা যশোরের কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলন করেছেন। আজ বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) যশোর প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বলেন, ছেলে ভিন্নমতের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় ১৫ বছর ধরে পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন। পারিবারিক কোনো অনুষ্ঠানেও শ্রাবণ অংশ নেয়নি। অথচ একটি মহল প্রচার করছে বিএনপির সঙ্গে নাকি যোগাযোগ আছে আমার পরিবারের। লিখিত বক্তব্যে কাজী রফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে আমি জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক, কেশবপুর উপজেলার নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক।

আমার পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে সবাই প্রাপ্তবয়স্ক। রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার বড় ছেলে কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্তা আওয়ামী লীগের মনোনয়নপ্রাপ্ত হয়ে নৌকা মার্কায় সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। দ্বিতীয় ছেলে কাজী মুজাহিদুল ইসলাম পান্না কেশবপুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি। তৃতীয় ছেলে কাজী মাজহারুল ইসলাম সোনা যশোর জেলা মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। চতুর্থ ছেলে কাজী আযহারুল ইসলাম মানিক কেশবপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক ও মেয়ে বিবাহিত গৃহিণী। তিনি বলেন, আমার কনিষ্ঠপুত্র কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৩ সালে ভর্তি হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকে ছাত্রদলের সংগঠনে জড়িয়ে পড়ে সে। সেই থেকে বাড়ির সঙ্গে তার যোগাযোগ কমে আসে। বারবার আমি এবং আমার পরিবারের সবাই অনেক চেষ্টা করেও ছাত্রদল ও ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করাতে ব্যর্থ হয়েছি। এজন্য আমার পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। সেও আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করে না। কাজী রফিকুল ইসলাম দাবি করেন, কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণের সঙ্গে শুধু বায়োলজিক্যাল রিলেশনশিপের কারণে একটি কুচক্রী মহল মিথ্যাচার করছে, যে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে আমার ও আমার পরিবারের যোগাযোগ আছে ও আমার পরিবার বিএনপি করে।

তারা এ অভিযোগ ঢাকা পর্যন্ত করে এসেছে। যারা আমার অতীত বর্তমান জানে না তাদের এতে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হতে পারে বিধায় আমি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা অবহিত করলাম। কাজী রফিকুল ইসলাম আরও বলেন, আমার এই সুদীর্ঘ জীবনে আমি বাঙালি জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ মেনে ছাত্রলীগ ও স্বাধীনতার পর আওয়ামী লীগের কর্মী হয়ে একনিষ্ঠ রাজনীতি করেছি আমি। পঁচাত্তর পরবর্তী সরকার ক্ষমতায় এসেই তার বাহিনী দিয়ে আমাকে গ্রেপ্তার করে ১১ মাস আটকে রেখে সীমাহীন নির্যাতন করেও আমার নীতি আদর্শ থেকে সরাতে পারেনি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব গ্রহণের পর থেকেই আমি তার মহান নেতৃত্বে আওয়ামী লীগের রাজনীতির মাঠে অকুতোভয় সৈনিক হিসেবে রয়েছি। জননেত্রী শেখ হাসিনা ১৯৮৬ সালে আমাকে কেশবপুর এলাকায় আওয়ামী লীগের পক্ষে জাতীয় সংসদে নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন দেন। আমি আমার সর্বশক্তি দিয়ে নির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়ি। এবিষয়ে জানতে চাইলে কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ বলেন, আমি ২০০৩ তিনি সালের থেকে ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত।

আর আমার পরিবার আওয়ামীলীগ করায় আমি আমার পরিবারের সাথে কোন প্রকার যোগাযোগ করিনা। আমার পরিবার আওয়ামীলীগ করায় দীর্ঘ ৮ বছরে ১৬টি ঈদ আমার পরিবারের সাথে আমি করিনি। আমি শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রেরিত হয়ে ছাত্রদল করি। একটি মহল দীর্ঘদিন ধরে অপপ্রচার করছে আমি নাকি আমার পরিবারের সাথে যোগাযোগ রাখি। আজ এই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আমি সেই দ্বায়মুক্ত হলাম। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কাজী রফিকুল ইসলামের ছেলে কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্তা, কাজী মুজাহিদুল ইসলাম পান্না, কাজী আযহারুল ইসলাম মানিক ও কেশবপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মোহাম্মদ আলী।

আপনার মতামত দিন
bbc-news-24-ads

hostseba.com

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team