শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৫:০০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
সাতকানিয়ায় নিস্পাপ শিশুকে হত্যা আটক ২ ঝুঁকির কবলে বাঁশখালী-কুতুবদিয়া যোগাযোগের ছনুয়া জেটিঘাট! এ যুদ্ব কেবল ক্যাসিনো এর বিরুদ্বে নয় টোটাল মাদকের বিরুদ্ধে চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি(তদন্ত) বিপুল চন্দ্র দেবনাথ। সাংবাদিক রুবেলের উপর সন্ত্রাসী হামলা.. বর্নাঢ্য আয়োজনে যুবলীগের মাসুমের জন্মদিন পালিত : চট্টগ্রাম মহানগর সাভারে পৌর আওয়ামীলীগের সহ প্রচার সম্পাদক কে হত্যার প্রতিবাদ সভা পালিত লামা সরকারি হাসপাতালে অন্তবিহীন দুর্নীতি,অনিয়ম ও অপরিছন্নতার অভিযোগ। পাসপোর্ট করতে এসে রোহিঙ্গা কিশোরীসহ আটক-২ নবগঠিত কেন্দ্রীয় ছাত্রদল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক কে অভিনন্দন জানিয়েছেন মংলা থানা ও কলেজ ছাত্রদল
নেত্রকোনার কংস নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের দ্বায়ে ১৮ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

নেত্রকোনার কংস নদী থেকে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলনের দ্বায়ে ১৮ লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত

Advertisements

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে পরিবেশ ও নদী গর্ভকে চরম হুমকির মূখে ঠেলে দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলণ করে টাকার পাহাড় গড়ছিলেন তারা। কিন্তু অবশেষে বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টিতে আসায় শেষ রক্ষা হলোনা তাদের। এবার ভ্রাম্যমাণ আদালতে নদী ও বালু মহাল আইন ২০১০ অনুযায়ী গুনতে হল ১৮ লক্ষ টাকা জরিমানা।

অবৈধভাবে বালু উত্তোলণকারী জরিমানা দাতা  সেই ব্যবসায়ীরা হলেন, নাজিম উদ্দিন,আবুল ফাত্তার, মো. শাহাঙ্গীর,শামীম মিয়া ও মামুন মিয়া। রোববার ৮ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত নেত্রকোনা জেলা প্রশানের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ বুলবুল আহমেদ ও শাহীন মাহমুদ সদরের  বড়ওয়ারী এলাকায় এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
এসময় নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট বুলবুল আহমেদ বাংলাদেশ সমাচারকে জানান, নাজিমকে ৫ লাখ, ফাত্তারকে ৫ লাখ, শাহাঙ্গীরকে ৩ লাখ, শামীমকে ৩ লাখ ও মামুনকে ২ লাখ টাকা করে মোট ১৮ (আটার) লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
তারা প্রত্যেকে দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে নদী থেকে অবৈধভাবে বালু তুলছিলেন। এতে করে তাদের আর্থিক স্বার্থ সিদ্ধি হলেও সরকার বিপুল অর্থের রাজস্ব হারাচ্ছিলেন ঠিক তেমনি অপরদিকে সাধারণ মানুষ বাড়ীঘর নিয়ে হুমকির মূখে রয়েছেন। এই ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে নদীর বিশাল এলাকা জুড়ে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে নদীটত এলাকার হাজার হাজার পরিবার নদী ভাঙনে বসতভীটা বিলীনের শঙ্খায় আতংকের মধ্য দিয়ে সময় পার করছেন।
এদিকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পর একাধিক এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, বালু উত্তোলনকারী চক্রটি প্রভাব কাটিয়ে এলাকাবাসীর নিষেধ উপেক্ষা করে বালু উত্তোলন করছিলেন তারা। তবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার পর এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তারা মনে করছেন,এই অর্থদন্ডের পর বালু উত্তোলন থেকে তারা বিরত থাকবে। এছাড়াও নদী থেকে উত্তোলিত প্রচুর পরিমাণ বালু জব্দ ও একটি ড্রেজার মেশিন আগুনে পুড়িয়ে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। আর এই বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত প্রায় ৩০টি ড্রেজার নৌকা বালু উত্তোলন করলেও এসময় কোন নৌকার হদিস পাওয়া যায়নি। অপরদিকে জব্দকৃত ওইসব বালু নিলামের মাধ্যমে পরবর্তীতে বিক্রি করা হবে।
আপনার মতামত দিন
bbc-news-24-ads

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team