1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০২:১৫ অপরাহ্ন

সবার দৃষ্টি আকর্ষন:
বিবিসিনিউজ২৪ডটকমডটবিডি এর পেইজে লাইক করে মুহূর্তেই পেয়ে যান আমাদের সকল সংবাদ
ব্রেকিং নিউজ :
সীতাকুণ্ড বাঁশবাড়িয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় এস আই নিহত রাঙামাটি পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ড কমিটি গঠনকল্পে আলোচনা সভা বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ছাত্র ঐক্য পরিষদ রামু উপজেলা শাখা আহবায়ক কমিটির অনুমোদন চাঁদা দিতে দেরি করায় রাঙামাটিতে ফের মাছ ধরতে নিষেধ করেছে সন্ত্রাসীরা মীরসরাইয়ে ওয়াহেদপুরে শিশু ধর্ষিত, থানায় মামলা দায়ের ভারতে আটকে পরা পেয়াজ দেশের তিনটি বন্দর দিয়ে আসছে যার অর্ধেকই নষ্ট কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে শেরপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদল এর পোষ্টার বিতরণ ছাত্রলীগের উদ্যােগে ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম এমপির জন্মদিন পালন মহেশপুরে ৯ হাজার টাকায় ৩ মাসে সুদ ৫ হাজার যশোর উপনির্বাচনে আগ্রহ নেই বিএনপি নেতাদের
রোহিঙ্গ সমস্যা ও সমাধানে করনীয়

রোহিঙ্গ সমস্যা ও সমাধানে করনীয়

রোহিঙ্গ সমস্যা ও সমাধানে করনীয়
রোহিঙ্গ সমস্যা ও সমাধানে করনীয়

Print Friendly, PDF & Email

ফেরদৌস রুশো, বিবিসিনিউজ২৪ ডেস্ক: আরাকানের রাখাইনে প্রতিদিন হামলা,খুন,ধর্ষণ, গ্রেফতার,উচ্ছেদ এখনো অব্যাহত। বর্মী জেনারেল গন এখনো জাতি শুদ্ধি অভিযানে নিরলস কাজ করছে। যার প্রমান সীমান্তে এখনো হাজার হাজার রোহিঙ্গা প্রবেশের অপেক্ষায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে।ফেইসবুক কর্তৃপক্ষ বর্মী সামরিক জান্তার অপপ্রচারকারী ফেইজ বন্ধ করা অব্যাহত রেখেছে।

চীন ও ভারত সরকার বাংলাদেশের বিপক্ষে, মিয়ারমার জান্তা প্রভাবিত সরকারের পক্ষে। কারন তিনটি দেশের সরকারই মুসলিম বিরোধী। মিয়ানমারের আরাকার প্রদেশের প্রধান বন্দর শহর ও রাজধানী আকিয়াব বা সিত্তে।সিত্তে শহরটি কোলাদাইং নদীর মোহনায়।কোলাদাইন নদীটা আবার আরাকান,চীন প্রদেশ হয়ে মিজোরামের প্রান্ত হয়ে মনিপুরের পর পযর্ন্ত বহমান।

ভারত তার, সেভেন সিষ্টার খ্যাত পূবাঞ্চলীয় সাত প্রদেশে সহজ বানিজ্যের পথ আকিয়াব- মনিপুর রেল পথ তৈরী করছে।গনচীন আকিয়াব বন্দর দিয়ে সংযোগ সড়ক / রেল যোগাযোগের ব্যবস্হা করছে।আরাকারেন রোহিঙ্গাদের আবাস ভূমি উচ্ছেদ করে সে জায়গা মিয়ানমার ভারত এবং চীনকে দিয়ে দিয়েছে।তাই শত বিরোধ থাকার পর ও চীন ভারত মিয়ানমার জান্তা নিয়ন্ত্রিত সরকারের পক্ষে।

মিয়ানমার বলছে:

১।রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিবে না অনুপ্রবেশকারী হিসাবে থাকতে দিবে।
২।থাকার আবাসন তৈরী করনি।
৩।দখল করা জমি ফেরত দিবেনা।
৪। রোহিঙ্গা উচ্ছেদ অব্যাহত আছে,তাই নিরাপত্তা নাই।
৫।বিনা কারনে আটক পুরুষ বা ছেলেদের মুক্তি দেয়নি।তাই নারীরা আবারো ধর্ষণেরর শিকার হবে।
৬। নাগরিক নয় তাই শিক্ষা,চিকাৎসা সহ অতীতের মতো সকল অধিকার বঞ্চিত।

 
hostseba.com
 

আমরা ১৯৭১ সালে ভারতে ১কোটির অধীক আশ্রয় নিয়েছি।ভারত আমাদের অন্ন, বস্ত্র,সহ সকল সুবিদা যেমন দিয়েছে,তেমনি অধিকার ফিরে পেতে সামরিক প্রশিক্ষণ,অস্ত্র,গোলাবারুদ সহ সামরিক রণ কৌসলবিদদের সকর প্রকার সহযোগিতা প্রদান করেছে।

অতীতে আসির দশকে বার্মা রোহিঙ্গা বিতাড়ন করে এমন অবস্থার সৃষ্টি করে। তৎকালিন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মানবিক ভাবে যেমর আশ্রয় দিয়েছে,তেমনি বাস্তবতা অনুসারে কঠোর ভাবে জানিয়ে দিয়েছে, মিয়ানমার গড়িমসি করলে রোহিঙ্গাদের অস্ত্র সরবরাহ, প্রশিক্ষণ সব কিছুর ব্যবস্হা করবে।

বাংলাদেশ জীবন বাঁচাতে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে।খাইয়ে দাইয়ে নাদুসনুদুস করে বর্মী সেনাদের ধর্ষণ আর খুন করাতে নয়।সরকারে উচিত

১।সকল রোহিঙ্গার তালিকা জাতিসংঘের তদারকির মাধ্যমে তৈরী করে, মিনায়নমার সরকার কে জাতিসংঘের মারফত সরবরাহ করা।

২।মিয়ানমারের নাগরিক হিসাবে রোহিঙ্গাদের অধিকার নিশ্চিতের ব্যবস্থা করা।

৩।তাদের সম্পদ,জমি, আবাস স্থান জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নিশ্চিত করা।

বৃহৎ শক্তি যারা রোহিঙ্গাদের উচ্ছেদে সহযোগীতা করেছে, তাদের এবং মিয়ানমার কে সময় বেঁধে দিয়ে,রোহিঙ্গাদের সামরিক প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা।তাদের অধিকার আদায়ে প্রয়োজনীয় উপকরন সরবরাহ করা।১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবস্থা। এবং পরবর্তী তে চাকমা দের ভারতে আশ্রয়,সামরিক প্রশিক্ষণ,অস্ত্র সরবরাহের কথা আমরা পার্বত্যবাসী সহ দেশবাসীর জানা।

আমাদের জনবহুল দেশে একজন রোহিঙ্গা নয়।তারা ছড়িয়ে পড়ছে সারা দেশে বিশেষ করে বৃহৎ চট্টগ্রাম এলাকায়,কারন অন্য সবার মতো তারা ও বাঁচতে চায়,
বাংলাদেশের কর্মঠ ছেলেরা, একমাত্র উন্নত জীবন মানের জন্য ভিটে মাটি বেচে জীবনের ঝুঁকি বিদেশে যায়।বিদেশ কত যন্ত্রনার বাংলাদেশীরা তা জানে।

আমরা প্রতিবেশীর ঘরে যুদ্ধ চাইনা। দশ লাখ রোহিঙ্গার বিশ লাখ হাত নিশ্চয়ই তাদের জীবনধারণ এবং নিজেদের রক্ষা করার জন্য আল্লাহ্ চাহেত যথেষ্ট, প্রয়োজন কেবল যথাযথ সহযোগীতা।

bbcnews24 write us

আপনার মতামত দিন

Tayyaba Rent Car BBC News Ads

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team