1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২০, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
প্রসূতির পেটে সূচ রেখেই সেলাই দেওয়ার ঘটনায় তোলপাড়!

প্রসূতির পেটে সূচ রেখেই সেলাই দেওয়ার ঘটনায় তোলপাড়!

Advertisements

Print Friendly, PDF & Email

বিবিসিনিউজ২৪,ডেস্ক ঃ রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক হতদরিদ্র প্রসূতির অস্ত্রোপচারের পর পেটে সূচ রেখেই সেলাই দেওয়ার ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। খবর পেয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতালে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে তরিঘড়ি করে চিকিৎসকরা ওই রোগীর পেট থেকে সূচ বের করেন।

রোগীর স্বজনরা জানান, প্রায় দেড় বছর আগে সদর উপজেলার পাগলার এলাকার ইদ্রিস আলীর ছেলে তানজিদ হোসেনের সঙ্গে একই উপজেলার পানবাজার এলাকার আমিনুর রহমানের মেয়ে আফরোজা বেগমের (১৯) বিয়ে হয়। গত মঙ্গলবার রাতে গর্ভবতী আফরোজার প্রসববেদনা উঠলে বিকেল ৩টার দিকে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওই ওয়ার্ডে আফরোজাকে নরমাল ডেলিভারি করানোর চেষ্টা করা হয়। বাচ্চা তুলনামূলক বড় হওয়ায় অস্ত্রোপচারের সাহায্যে কন্যা সন্তান প্রসব করানো হয়। এরপর রক্তক্ষরণ হতে থাকলে দুই ঘন্টা পর অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে রোগীর শরীর অবশ না করেই সেলাই দেয়া হয়। এ সময় সূচ পেটের ভিতরে রেখেই সেলাই করা হয়।

আফরোজার শ্বাশুড়ি রঞ্জিনা বেগম (৩২) বলেন, আফরোজার শারীরে নিচের অংশ কেটে বাচ্চা প্রসব করার পর আমি সেলাই দিতে বলি। তখন অনেক রক্ত ঝরছিলো। তারা রক্ত আনতে বললে, আমরা রক্ত পাচ্ছিলাম না। কোনভাবে রক্ত ম্যানেজ হলেও রোগীকে রক্ত না দিয়ে হাসপাতালের লোকজন অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে গিয়ে ২ ঘণ্টা ফেলে রেখেছিলো। রোগীর অবস্থা আশংঙ্কাজনক দেখে আমরা অন্য হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করে হাসপাতালে এসে দেখি তাকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়েছে সেলাইয়ের জন্য। প্রসুতি আফারোজাকে তারা শরীর অবশ না করেই অমানবিকভাবে কাঁটা-ছেড়া স্থানে সেলাই দিয়েছে। সেলাই করার পর হাসপাতালের লোকজন বলে, পেটের ভিতরে সূচ রয়ে গেছে। আমরা ডিজিটাল এক্সরে করে দেখি পেটের ভিতরে সূচ আছে।

ভুক্তভোগী আফারোজা বলেন, অপারেশনের পর আমার পেট ব্যাথা করছিলো। পেটে সূচের গুতা লাগছিলো। অপারেশন থিয়েটারে দুই ঘন্টা আমাকে হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা ফেলে রেখেছিলো। অপারেশন শুরুর আগে আমি বলেছিলাম শরীরটা অবশ করার জন্য। তারা সেটি করেনি। বরং আমি সেলাইয়ের সময় চিৎকার করলে তারা আমাকে থাপ্পর মারেন। আমার চিৎকার শুনে তারা হাসাহাসি করছিলেন। আমার জরায়ুর দিকে ৪ বার কেটে সেলাই দিয়েছে। পরে তারাই বলছিলো যে সূচটা পাওয়া যাচ্ছে না।

রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গাইনি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ শারমিন সুলতানা লাকি বলেন, রোগীকে সার্বক্ষণিক নজরদারীতে রাখা হয়েছে। তার পেটে সূচ রয়েছে কি না, এটি দেখার জন্য বুধবার রোগীর স্বজনদের এক্সরে করতে বলা হয়েছিলো। তারা কালক্ষেপণ করে রোগীকে সমস্যায় ফেলেছে। আমরা এক্সরে রিপোর্টে পেটে সূচ দেখতে পাই এবং অপারেশনের ব্যবস্থা করি। এখন রোগী ভালো রয়েছে। এটি অসাবধানতা বশত হয়েছে।সুত্রঃসমকাল

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team