শনিবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯, ০২:৪১ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

Advertisements

বিবিসি নিউজ ২৪. বান্দরবান প্রতিনিধি: গত ০৮-০৮-২০১৯ তারিখে অনলাইন নিউজ পোটাল দেশ অরন্য ও পরবর্তী বাংলা ট্রিবিউনে আমার বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদ টি একটি মিথ্যা বৃত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। আমি জামাল উদ্দীন চৌধুরী সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, বান্দরবান সদর। বান্দরবান সদর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আমার নিজ নামীয় ও রেকর্ড ভুক্ত খতিয়ানের একাদিক ভূসম্পত্তি ও লক্ষ লক্ষ টাকা, হোস্টেল এবং রাস্তার জন্য দান করি সেখানে আমার বিরুদ্ধেই উক্ত জায়গার ইট চুরির মতো জঘন্য মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগ আনা একটি হাস্যকর ও অনভিপ্রেত ছাড়া কিছুই নয়।

বিশদ বিবরণঃ বিগত ২০১৪ সালে আমি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর শিক্ষা ক্ষেত্রে উন্নয়নের লক্ষে খেয়াং সম্প্রদায়ের ছাত্রদের জন্য ৫ শতক জায়গা বান্দরবান জেলা পরিষদকে দান করি। তখন তাৎক্ষনিক তারা জায়গা দেখতে যান। এবং উক্ত জায়গায় জেলা পরিষদ থেকে ২০১৫ সালে টেন্ডারের মাধ্যমে দ্বিতল ভবন নির্মাণ করেন। ঐ জায়গার ৬০ খতিয়ানে আমার নিজ নামে তজিভুক্ত আছে। ৬০ নং খতিয়ান থেকে ৫ শতক জায়গা খেয়াং ছাত্রদের হোস্টেল নির্মাণের জন্য দান করি। পরবর্তীতে হোস্টেল নির্মাণের সময় তারা ৫ শতকের জায়গায় ২০ শতক জায়গা দখল করে নেয়। আমি প্রতিবাদ জানালে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের অফিস কক্ষে ১৫ শত জায়গার মূল্য ১০ লক্ষ টাকা নির্ধারন হয়। যার বাজার মূল্য ছিলো ৩৫ লক্ষ টাকা,আমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি ২৫ লক্ষ টাকা। এবং কয়েক কিস্তিতে আমাকে ৭ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দেয় এবং খেয়াং সম্প্রদায়ের সভাপতি বর্তমান জেলা পরিষদ সদস্য ম্রাছা খেয়াং এর নামে বায়নানামা রেজিস্ট্রি হয়। এখনো আমার বাকী ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা অদ্যাবধি তারিখ পর্যন্ত পরিশোধ করেনি। পরবর্তীতে ঐ হোস্টেলে যাতায়তের জন্য রাস্তা দরকার হলে আমার নামীয় ২২০ হোল্ডিং, ৬০ খতিয়ান থেকে প্রস্থ ১৬ ফিট লম্বা মোট ১হাজার২০০ ফিট রাস্তার জায়গা দান করি। যা জেলা পরিষদ থেকে ২০১৭ – ১৮ অর্থবছরে ২০ লক্ষ টাকা ব্রিক সলিং রাস্তার টেন্ডার হয়। ঠিকাদার কাজ করতে গিয়ে পানি যাওয়ার ড্রেন রাস্তার পাশ দিয়ে না দিয়ে আমার প্রতিষ্ঠানের প্লটের উপর দিয়ে করে হয়।

উল্লেখ্য যে ১২০০ ফিট ব্রিক সলিং রাস্তা টেন্ডার হলে ও ঠিকাদার ৭৫০ ফুট এর কাজ করে, বাকী ৪৫০ ফিট এর কাজ না করে টেন্ডার এর সম্পুর্ন বিল উত্তোলন করে নেয়। পানি চলাচলে বিঘ্নিত হওয়ায় আমার ৩ টি প্লট ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে বিধায় ঠিকাদারকে অনেক বার বলা পরেও ড্রেন রাস্তার পাশ দিয়ে দেয়নি । পরবর্তীতে হোস্টেল সভাপতি,জেলা পরিষদের সদস্য ম্রাছা খেয়াং কে বারবার মোবাইলে কল করি,কিন্তু তারপক্ষ থেকে কোন প্রকার মোবাইল রিসিভ করেনি। আমি অপারগ হয়ে নিজ উদ্যেগে ৫০/৬০ ফুট রাস্তার ইট তুলে নতুন করে রাস্তার পাশ দিয়ে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করার জন্য বল্লী প্লাসাইডিং করি। তখন ঠিকাদার, হোস্টেল সভাপতি রাস্তার ইট তুলে নিয়েছি মর্মে আমার বিরুদ্ধে থানায় গিয়ে অভিযোগ করে। যা ছিল আমার পাওনা ২লক্ষ ৫০ হাজার টাকা না দেওয়ার নতুন পরিকল্পনা। আমি তাদের সাথে কথা বলে জানালাম আমার নিজ অর্থায়নে ১সপ্তাহের মধ্যে রাস্তা পুনঃ নির্মাণ করে দিবো। যা আমাদের উভয়পক্ষের জন্য ভালো হয়। কিন্তু তারা আমার নামে থানায় মিথ্যে অভিযোগ দেয়,যা আমার মান-সম্মানের এবং সুনাম ক্ষুন্ন করার সামিল। এখানে উল্লেখ্য যে, আমার পাওনা ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা না দিয়ে উল্টো আমাকে দোষী বানিয়ে মানুষের কাছে লাঞ্চিত করার চিন্তায় নিয়ে এহেন মনোভাব। হোস্টেল হওয়ার পর, ২০১৫ সাল থেকে এটা পরিত্যক্ত অবস্থায় আছে। সন্ধ্যেবেলা এলাকার সন্ত্রাসীদের আস্তানা হিসেবে ব্যবহার হয়, যার দরুন এলাকায় আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি হচ্ছে। এই ব্যাপারে আমি নিজে মৌখিকভাবে প্রতিবাদ করি আর প্রশাসনকে মৌখিকভাবে অবহিত করেছি। যারা আমি ও দলের বিরুদ্ধে এমন মিথ্যা অপবাদ দিয়েছেন তাদের প্রতি আমি তীব্র নিন্দা এবং প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এবং যারা মিথ্যা,বানোয়াট ও বৃত্তিহীন বিষয় নিয়ে আমার বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় তুলেছে বিরুদ্ধে আইনি ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team