1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

বুধবার, ০৮ Jul ২০২০, ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
কাবিনের টাকা আদায়ের ব্যর্থ চেষ্টায় বখতিয়ার উদ্দিন

কাবিনের টাকা আদায়ের ব্যর্থ চেষ্টায় বখতিয়ার উদ্দিন

Advertisements

Print Friendly, PDF & Email

এম এ মহিবউল্ল্যাহ চৌধুরীঃ প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে, মেয়ের বাবার পরিকল্পনা ছিল বিয়ের নামে ব্যবসা,বিয়ের পর কাবিনে ১৫,০০০০০|= পনের লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিতে অন্তবিহীন চেষ্টা। তিনদিনের মাথায় ভিলেন হয়ে দাড়ালো মেয়ের বাবা। অপহরণ ও ধষর্ণের দায় চাপানো চেষ্টা প্রেমিককে নগরীর পতেঙ্গার হিন্দু পাড়া এলাকার এক কলেজ পড়ুয়া মেয়ে নিলুফা ইয়াসমিন নীলা।

পিতাঃ মোঃ বখতিয়ার উদ্দিন,মাতাঃশাহানা বেগম থাকেন পতেঙ্গার হিন্দু পাড়া এলাকায়। এদিকে পিতা হারা ছেলে মোঃ হৃদয় ইসলাম বাড়ী নোয়াখালী হলে ও জন্মসূত্রে থাকেন চট্টগ্রাম এর নতুন পোস্ট অফিস গলির ভাড়া বাসায়। হৃদয়ের কাটগড় এ রয়েছে একটি ফ্লাক্সলোড এর দোকান। এদিকে নিলুফা উরফে নিলা কলেজ পড়ুয়া ছাএী।

প্রাইভেট এ আসা যাওয়া দেখা হয় হৃদয় এর সাথে নীলার ও দেখা পথে এভাবে দীর্ঘদিন যাবত দেখাদেখি হতে ভালো লাগা পরে প্রেমের সম্পর্কে চলতে থাকে দীর্ঘদিন তাদের পরিবার ও কিছু একটু জানতে পারে তবে তা ও কোন বাঁধা হয়নি তবে কিছু দিন পর হঠাৎ এদিকে নীলার বাসায় নীলার জন্য ছেলে দেখা শুরু করে নীলার বাবা তা জানতে পেরে প্রেমিকের কাছে ছুটে আসে নীলা।

এদিকে হৃদয় এর পরিবার নীলার পালিয়ে আসা নিয়ে ভালো ভাবে মেনে নিতে পারেনি হৃদয়ের মা। তাকে বাসায় ফিরতে বাধ্য করলে সে অপারগ জানায়। পরে হৃদয়দের জমিদার এর সহযোগিতায় নীলার পরিবারের কাছে খবর পৌঁছে দেয় হৃদয়ের মা। তখন রাত ১০ টা নীলার মা বাবা এসে হাজির হৃদয় বাসায়। নীলাকে বাসায় ফিরে যেতে বাঁধ্য করে তবে নীলা তার ভালোবাসার মানুষকে ছাড়তে রাজি নয় বলে সে হৃদয় এর বাসা ছেড়ে যাবে না বলে জেদ ধরে বসে।

এদিকে নীলার বাবা উপায় খুজে না পেয়ে একপর্যায়ে মেনে নেয় মেয়ের ইচ্ছাকে। মেয়ের পছন্দেই হবে মেয়ের বিয়ে। সেদিন রাতে রেখে যায় হৃদয় এর বাসায় হৃদয় এর মায়ের হেফাজতে নীলাকে, পরেরদিন সকাল হতে না হতে স্থানীয় মহিলা কাউন্সিলরকে নিয়ে হাজির হল নীলার বাবা এবার অভিযোগ হৃদয় তার মেয়ে নীলুফাকে অপহরণ করে আটকে রেখেছে। তবে কাউন্সিলর এর সামনে নীলার বাবার মিথ্যা অভিযোগ খোলাসা হয়ে গেল নীলার জবানবন্দিতে। নীলা মহিলা কমিশনার কে বলল স্বেচ্ছায় বাসা ছেড়ে এসেছে তার বাবার অত্যাচারে।

সে হৃদয়কে ভালোবাসে। এতে আবারও হেরে গেলেন নীলার বাবা। এখন বাধ্য হলেন বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে। এবার নতুন ফাঁদ। কাবিন ধরতে হবে ২০ লক্ষ এবং কোর্টে গিয়ে বিয়ে করতে হবে। তবে তা ও কাজে দিল না। হৃদয় এর পরিবার কাবিনে রাজি হন এবং কোর্টে গিয়ে বিয়ে করাতেও সম্মতি প্রকাশ করেন। নীলার বাবা নিজেই ফন্দি আঁটে বসেন। নিজেই নিজের হাতে এনে দিলেন মেয়ের ১৯বছরের এক জন্মসনদ।

এটা দিয়ে ই হবে বিয়ে। তবে বিয়ের দিন নতুন নাটক মেয়ের বাবা অসুস্থ তাই ছেলের পক্ষে নিজেরা কোর্ট গিয়ে বিয়ে সেরে ফেলার নির্দেশ। মেয়ের বাবার কথায় ১৫ লাখ টাকা কাবিন নামায় বিয়ে হলো হৃদয় আর নীলার। তারা বুঝি স্বার্থক হয়েছে। জয়ী হয়েছে তাদের ভালোবাসার। এই ভেবে শুরু সুখের সংসার তাদের। তবে তাদের ধারণা ভুল ছিলো জয়ী হয়নি ভালোবাসার যুদ্ধ কিছু দিন থেমেছিল এবার তা শুরু হতে চলছে। নীলার বাবা চলে গেলেন পতেঙ্গা মডেল থানায় একটা অভিযোগ নিয়ে ওনার মেয়ে অপহরণ হয়েছে।

এদিকে পতেঙ্গা থানা পুলিশের ওসি সব নিয়ে মোটেও অবহেলা নয় চৌকস টিম চলে গেল মেয়ে নীলার খোঁজ নিতে জানা যায় কোন বাসায় আছে। পুলিশের টিম দ্রুত উপস্থিত হয় হৃদয়ের বাসায়।এদিকে বিয়ের তৃতীয় দিনে বাসায় পুলিশ দেখে হতভম্ব হয়ে পড়ে নীলা ও তার শ্বশুর বাড়ির লোক। পুলিশের প্রশ্ন শুরু আর নীলার উত্তর ভেসে ওঠে আমি আমার স্বামী এবং শ্বশুর বাড়িতে আছি আমাকে কোন অপহরণ করা হয়নি। পুলিশ বলেন বিয়ে হয়েছে এমন কি প্রমানে দরকার হৃদয় এর পরিবার ও নীলা তাদের বিয়ের কাবিন তুলে দেন তদন্ত কারী অফিসার এর কাছে অফিসার সত্যতা নিশ্চিত হয়ে চলে যায় পরে থানায় আসা মেয়ের জবানবন্দি তে ভিলেন বাবা আবার ও হেরে গেলেন তবে তিনি এখানে ও থেমে নেই। ঘটনার নতুন মোড়।

তাদের সুখের সংসার এর বাধা হওয়া সেই ভিলেন বাবার নতুন একটা বুদ্ধি আঁটলেন। বিয়ের সময় দেওয়া জন্মসনদে বয়স ১৯ দিলে ও তিনি একই দিনে দুই তারিখে জন্মসনদ তৈরি করে রাখেন এর মধ্যে একটি বয়স ১৯বছর আরেকটি বয়স ১৭বছর তিনি এবার তার কাছে থাকা ১৭ বছরের জন্মসনদে কপি নিয়ে চলে আসেন আদালতে। করে বসেন অপহরণ আর ধষর্ণের মামলা, এতে হৃদয় ও তার পরিবার এর উপর শুরু হয় কষ্টের প্রহর। প্রশ্ন থেকে গেল এক দিনে দুই তারিখে জন্মসনদ কিভাবে তৈরী হয়। দুই পক্ষে উকিলের মাধ্যমে চলছে ভালোবাসার বিচার কার্যক্রম, কোর্টে উকিল ও জর্জে উপস্থিতিতে মামলার সাক্ষ্য চলছে।

আদালতে নীলা তার স্বামীর পক্ষে এবং তার জবানবন্দি আসল সে তার স্ব-ইচ্ছায় ঘর হতে বের হলো এবং তাকে ধর্ষন নয় বরং হৃদয় এর সাথে তার বাবার মতেই বিয়ে হয়েছে। আদালত তা শুনে সহায় হলেন হৃদয় হয়ে কোন সাজা দিলেন না, নীলার বয়স নিয়ে দ্বিমত হওয়ায় সেফহোম এ প্রেরণ করা হয় ওখানে যাওয়ার পর আলাদা তাদের ভালোবাসা। কোর্টের আইন মোতাবেক বিয়ে হওয়ার পর ও কেন আদালত তাদের বিয়ে মানল না কেনই বা সেফহোম প্রশ্ন এখন সবার ।

অবশ্য ই আদালতে একান্ত একতিয়ার। তিনি হয়তো তাকে কারো কাছে নিরাপদ মনে করছে না তাই তাকে সেফহোম এ দিল। আজ দীর্ঘ ১মাস এর কাছাকাছি শুরু ভালোবাসার অপরাধ এ জেলে দিন যাপন করা আর অন্য দিকে যেকোন মূর্হতে হৃদয় এর জন্য কোন মামলা দায়ের হয়ে তাকে ও হয়তোবা কারাবাস করতে পারে এমনি আতঙ্কে আছে হৃদয়। এদিকে মানসিক চাপ সহ্য করতে না পেরে মুক্তি লাভের আশায় নীলা তার বাবার কথা মেনে নিবে।

হয়ত ১তারিখে হৃদয় তার ভালোবাসাকে হেরে কারাবাস করবে, এতে করে হয়ত জিতে যাবে ভিলেন বাবা। এতে কি লাভ হবে,, দুইটি ফুলের মত জীবন নষ্ট করে উপকৃত হবে কে,,,,?? সন্তানের সুখে তো পিতার সুখ অন্য কোথাও কি তার বিয়ে হবে এত কিছু জানার পরও,,?? বিয়ে হলে ও কি সে সেখানে সুখ পাবে নিলা,,,?? সেখানে কি সুখে থাকবে বলে মনে হয়,,?? যদি এই চাপ সইতে না পেরে সিলেটের তরুণ তরুণীর মত আলবিদা (আত্মহত্যা) করে তখন পারবে নিজেকে ক্ষমা করতে,,,?? এমন হাজারো প্রশ্ন সাধারণ মানুষের মনে।

মামলার বাদি মেয়ের অভিভাবক পিতা বখতিয়ার উদ্দিন এর সাথে একাধিক বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে সংযোগ পাওয়া যায় নি।

আপনার মতামত দিন
Your 250x250 Banner Code

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements



Advertisements
© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team