সোমবার, ২২ Jul ২০১৯, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
বিবিসিনিউজ২৪ এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন থাই ব্যবসায়ী মেয়ের পাত্র খুঁজছেন, দেবেন লাখো ডলার ধামরাইয়ে নারীসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার গুজব; ফেসবুকে ছেলেধরা সংক্রান্ত পোস্ট বা মন্তব্য ছাড়ানোদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা! সাতক্ষীরায় দুবৃর্ত্তদের গুলিতে আ.লীগ নেতা খুন মুন্সীগঞ্জে বাবাকে জবাই করে হত্যা ব্যারিস্টার সুমনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের চট্টগ্রামে অজ্ঞান পার্টির ২ সদস্য আটক জামালপুরে বন্যার্তদের পাশে “মানবতা ও আদর্শ সমাজ গঠনে আমারা” বান্দরবানে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত আওয়ামিলীগ নেতা মাগুরার পিংক ভিলেজ ১৫টি পরিবারের ঠাই! শার্শায় তিন পুত্র সন্তানের জন্ম দিলেন এক মা
তরুণ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফেসবুক, ইউটিউব এবং গুগল ব্যবহার করে1 min read

তরুণ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফেসবুক, ইউটিউব এবং গুগল ব্যবহার করে1 min read

Advertisements

নজরুল ইসলাম তোফা: বর্তমানে সমগ্র পৃথিবীতেই একটি আলোচিত বিষয় তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার। এমন ব্যবহারে সফলতার দিক যেমন রয়েছে, ঠিক তেমনি ক্ষতির সম্মুখীনও হচ্ছে মানুষ। তরুণ প্রজন্মরা বাবা মাকে ধোঁকা দিয়ে ডুবে থাকছে নিজস্ব স্মার্টফোনের ফেসবুকে। স্কুল, কলেজ এবং মাদ্রাসা ফাঁকি দিয়েই নির্জন স্থানে বা চায়ের দোকানে অথবা পছন্দ মতো কোনো পার্কের বসে স্মার্টফোনেই খেলছে গেমস বা ব্যবহার করছে ঘন্টার পর ঘন্টা ফেসবুক ও গুগল। ‘ইউটিউব এবং গুগলে’ আপত্তিকর ভিডিওতে তারা আসক্ত হয়ে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎও নষ্ট করছে।

আসলে বিনা প্রয়োজনে অজস্র তরুণ প্রজন্মরা সময় নষ্ট ও আপত্তিকর ভিডিও দেখেই এক ধরনের উগ্রতা সৃষ্টি করে পারিবারিক কলহে জড়িয়ে পড়ছে। এতে করে লেখা পড়ার মারাত্মক ক্ষতির পাশাপাশি সামাজিক মূল্য বোধেরও অবক্ষয় ঘটছে বলা যায়। সৌখিনতা পূরণ করতে গিয়ে অভিভাবক যেন নিজ সন্তানদের হাতে অজান্তে তুলে দিচ্ছে স্মার্ট ফোন। কোমলমতি এই শিক্ষার্থীরা এমন তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারেই হারিয়ে ফেলছে সৃৃৃজনশীলতা এবং বাড়ছে উগ্রতা।

বলতেই হয় যে, সারা বিশ্বের মানুষদের মাঝে বিভিন্ন প্রযুক্তি পণ্য ছড়িয়ে দিলেও তৈরী কৃত ব্যক্তির পরিবার এর ক্ষেত্রে এসবের ভূমিকাটা ছিলো একেবারেই উল্টো। তাদের উঠতি বয়সের সন্তান’রা কোনো ভাবেই যেন প্রযুক্তির সংস্পর্শে আসতে না পারে। সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করেছিল এই প্রযুক্তি বিশ্বের ‘দুই দিকপাল’।২০১১ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমসকে দেয়া একটি বৃহৎ সাক্ষাৎকারে স্টিভ জবস বলে ছিল, তাঁর সন্তানদের জন্য আইপ্যাড ব্যবহারে একেবারেই নিষিদ্ধ। শহরের ছেলে-মেয়েদের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলে তরুণ প্রজন্মের বহু ছেলেমেয়েরাও এখন মোবাইল ফোনে ফেসবুুক, ইউটিউব ও গুগলে প্রবেশ করে খুব মজা করছে। তবে এই মজার মধ্যে তারা শুধু যে সীমাবদ্ধ থাকছে তা নয়। তারা রাতদিন নেটে গেমস খেলছে। বলা যায় যে, এ মজার আনন্দ গ্রামের চেয়ে শহরেই অনেক বেশী। এক পর্যবেক্ষণে দেখা যায় যে গ্রামের তরুণ প্রজন্মের ছেলেরা সন্ধ্যায়, অন্ধকার পরিবেশে একটি নির্জন স্থানে জটলা হয়ে খুুব পাশাপাশি বসে নিজস্ব মোবাইলে গেম খেলার পাশা পাশি ফেসবুুক, ইউটিউব বা গুগলে কু-রুচি পূর্ণ ভিডিও চিত্র দেখেই যেন আনন্দ উপভোগ করছে। জানা দরকার যে এই দেশের মানুষদের সুযোগ সুবিধা জন্যে এ সরকার ৯ কোটির বেশিই ইন্টারনেট সংযোগ দিয়েছে।

বর্তমান সরকারের তথ্য যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের হিসাবে ফেসবুক ব্যবহার করছে প্রায় ৩ কোটি মানুষ। এমন ইন্টারনেট সংযোগে সকল জনগণকে সচেতন করে দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে কিন্তু দেখা যাচ্ছে তরুণ প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা তা অপব্যবহার করে ‘চিন্তা চেতনার অবক্ষয়’ যেন নিজ থেকেই সৃষ্টি করছে। এই বাংলাদেশের সচেতন কিংবা অসচেতন ফেসবুক ব্যবহারকারীর শতকরা তিরানব্বই ভাগের বয়সই হচ্ছে ১৮ থেকে ৩৪ বছরের মধ্যে। সুুতরাং এ বিশাল জন গোষ্ঠী “ফেসবুকের সঙ্গে সম্পৃক্ত” হয়েই সামাজিক পরিবর্তন লক্ষ্য করাও যাচ্ছে। পক্ষান্তরে, এমন তরুণরা মিথ্যা গুজব এবং অপপ্রচার চালিয়ে অসচেতন জনগণকে বিভ্রান্ত করছে।

পড়া শোনাকে নষ্ট করে বিশাল এক তরুণ গোষ্ঠী ফেসবুকের প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে এবং রাজনৈতিক চেতনার নামেই যেন ছোট বড় গোষ্ঠী সৃষ্টি করে সহিংসতার দিকে ধাবিত হচ্ছে। বাবা-মা তাদের সন্তানদেরকে ভালোবাসে, সন্তানের ছোট বড় সৌখিন চাহিদাও পুুরণ করে থাকে। কিন্তু-ছেলেমেয়েদেরকে যেন সখের মোবাইল ফোন কিনে দিয়ে অজান্তে ভবিষ্যত নষ্ট করছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে এই ব্যাপারে কোনো ধরনের বিকল্প পথে সুযোগ রয়েছে কি নেই তা জানা নেই। তবে এই ব্যাপারে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বি টি আর সি) চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হক বলেছে যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়ার জন্য বি টি আর সির কোনো সক্ষমতা নেই। তবে সরকার বা বিটিআরসি ‘ফেসবুককে অনুরোধ’ করতে পারে। ফেসবুক ব্যবসা করতে এই দেশে এসেছে। ফেসবুক কতৃৃপক্ষ বলেন যে ১৮ বছরের নিচের ছেলেমেয়েরা তাদের গ্রাহক। আবার ৬৫ বছরের সকল মানুষরাও একই ধরনের গ্রাহক।

ফেসবুক কিন্তু সব অভিযোগ বিবেচনায় নিতে বাধ্য নয়। ফলে, প্রযুক্তিতে ভালোর চেয়ে দিনে দিনে খারাপের দিকেই যেন ঝুঁকে পড়ছে তরুণ প্রজন্ম। গবেষকদের এক সিদ্ধান্ত, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন অতিমাত্রায় বিচরণের ফলে মাদকাসক্তির মতো খারাপ ফলাফল প্রকাশ পাচ্ছে।অনৈতিক অবক্ষয় থেকে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলছে। কোমলমতী বহু ছেলে ও মেয়েদের আচার আচরণের পরিবর্তনও হচ্ছে। আবার এও দেখা যায় যে “হাতে মোবাইল পেয়ে” তারা ঠিক মতো বাসাতেই থাকতে চায় না। উড় উড় মন, লেখাপড়াতে মনযোগ দিতেই চায় না। পড়ার টেবিলে, ঘুমের ঘরে এমন কি খেতে বসেও ফোন চালাতে দেখা যায়। এক কথাতে আসি, যখনই তাদের দেখা যায়, ঠিক তখনই তাদের হাতে ফোন নামক যন্ত্রটি থাকা চাই।

বয়ঃসন্ধি কালে পৌঁছার আগে ছেলে মেয়েরা যেন বহু নোংরা কাজে লিপ্ত হচ্ছে। মোবাইলে আসক্ত হয়েও তারাই প্রকাশ্য দিবালোকে অন্যদের মারপিট, খুন, গুম কিংবা ধর্ষণ করছে।তরুণ প্রজন্মের সব ছেলেমেয়েরা তাদের মোবাইলে গেমের পাশা পাশি ইন্টারনেটেও অনেক বেশি সময় কাটাচ্ছে সেহেতু তাদের মস্তিষ্কেও নাকি রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটছে। এ আসক্তিতে তাদের মধ্যে হতাশা এবং উদ্বেগও সৃষ্টি হচ্ছে। এই বিষয়ের প্রতি অবজ্ঞা না করে তাদের প্রতি কঠিন দৃষ্ট দিতে হবে। সুতরাং-গ্রাম হোক আর শহরই হোক না কেন, বাবা মা এবং তাদের বড়দের উচিৎ ঘরে-বাহিরে তারা কি করছে। রাত্রি বেলা না ঘুমিয়ে গেম খেলছে কিনা। লেখাপড়া শেষ করে রাত ১০টায় ঘুমিয়ে পড়ত যারা তারা রাত ১২টা বা এক টাতেও ঘুমাতে যায় না। ঘুমানোর ঘরে বালিশের নিচেই রাখে ফোন। সারাক্ষণই ফোন আর ফোন। গবেষকদের গবেষণায় জানা যায় যে, ঘুমের আগেই মোবাইলের ‘ডিসপ্লের আলোক রশ্মি’ ঘুমের হরমোনকে নাকি অনেক বাধা সৃষ্টি করে থাকে৷ তাই মা বাবাদের প্রতি গবেষকদের পরামর্শ হলো:- ঘুমের আগে যদি সন্তানকে এই ধরনের প্রযুক্তির সংস্পর্শে আসতে দেওয়া হয় তা হলে খুব ক্ষতি হবে। অবশ্যই সন্তানদেরকে ‘অহেতুক অথবা অকারণে’ এ ধরনের ইলেকট্রোনিক্স যন্ত্র ব্যবহারে বাধা দেওয়া প্রয়োজন। ঘুম না হলে অসুস্থভাবে বেড়ে ওঠা সকল কমলমত

 

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team