রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ০৯:৩৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
বোয়ালখালীতে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, এক আনসার সদস্য খুন, আটক-২ সাতকানিয়ায় গ্রাম আদালতের শালিসে আওয়ামীলীগ নেতাকে মারধর: আটক ১ রামপালে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে ডক্টর ফরিদ ছেলের হাতে বাবা খুন সিলেটের শাহপরান এলাকা থেকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার। সিলেট রেজিস্টারী মাঠে বিশাল সমাবেশ; জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তীব্র গণজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে-পীর সাহেব চরমোনাই সুনামগঞ্জের ছাতকে সংঘর্ষে নিহত ইয়াকুব আলী স্মরণে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল কুরশী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সমাপনী পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংম্বর্ধনা সীতাকুণ্ডে পিএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে স্বপ্নীল যুব কল্যাণ সোসাইটির শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ সীতাকুণ্ডে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী পরীক্ষার্থী ৮০৭৪ জন

ধসে পড়ল চট্টগ্রামের রিংরোড শহর রক্ষা বাঁধ

Advertisements

বিবিসিনিউজ২৪,ডেস্ক ঃ চট্টগ্রাম শহর রক্ষায় নির্মিতব্য ‘উপকূলীয় বাঁধ কাম আউটার রিং রোড’র পতেঙ্গা চরপাড়ায় সাগরের পাশ ঘেঁষা হাঁটার রাস্তার (ওয়াকওয়ে) কয়েকটি অংশ ভেঙে দেবে গেছে।ধবসে পড়েছে কিছু অংশ।

শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে এ ঘটনা ঘটে।

প্রকল্প পরিচালক ও চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস  বলেন, সাগরে পানি বেড়ে যাওয়ায় ঢেউয়ের কারণে ব্লক সরে বিশাল অংশ দেবে গেছে। ওয়াকওয়ের পাশে রিটেইনিং ওয়াল ছিল। সবকিছু বিবেচনা রেখে কাজ হয়েছে। ধসে পড়া স্থানগুলো পুন:নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে।

 

দেখা যায়, বাঁধের ব্লক সরে মাটি তলিয়ে যাওয়া সিসি ঢালাইয়ে তৈরি ওয়াকওয়েটি ধসে পড়েছে। এ অবস্থায় ওই অংশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। হঠাৎ ওয়াকওয়েটির বিশাল অংশ ধসে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ওয়াকওয়ে তৈরির জন্য সাগরের বালি দিয়ে জায়গাটি ভরাট করা হয়।এখনো ওয়াকওয়ে তৈরির কাজ শেষ হয়নি। এরমধ্যে সেটি দেবে গেছে।  চাপ বেশি পড়ে বলে এটি রড দিয়ে কংক্রিট (আরসিসি) ঢালাই করার দরকার ছিল। কিন্তু ওয়াকয়েটি সিসি ঢালাই দিয়ে করা হয়েছে।

hostseba.com

 

উল্লেখ্য, জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)২০০৫ সাল থেকে পতেঙ্গা হতে ফৌজদারহাট পর্যন্ত বেড়িবাঁধ কাম আউটার রিং রোড নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়। যাচাই শেষে ২০০৭ সালে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে চুক্তি করে জাইকা।

২০১৬ সালের জুলাইয়ে চার লেনের এ সড়কটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। আড়াই হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিডিএ)।

উপকূলীয় বাঁধ কাম আউটার রিং রোড নির্মাণ নামে এ প্রকল্পের আওতায় ১৭ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ হবে। এর মধ্যে ১৫ দশমিক ২০ কিলোমিটার মূল ও ২ দশমিক ১৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক। এ ছাড়া প্রায় সাড়ে ৫ কিলোমিটার ওয়াকওয়ে তৈরি করা হবে।

শুরুতে এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৮৬৫ কোটি ২৮ লাখ ৬০ হাজার টাকা। দুই বার সংশোধনের পর বর্তমানে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ৪২৬ কোটি ১৪ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ১ হাজার ৭২০ কোটি ১১ লাখ ৮০ হাজার ও জাইকার সহায়তা ৭০৬ কোটি টাকা।

ইতোমধ্যে প্রকল্পের বেশিরভাগ কাজ শেষ হয়েছে। ২০১৯ সালে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team