রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
বোয়ালখালীতে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ, এক আনসার সদস্য খুন, আটক-২ সাতকানিয়ায় গ্রাম আদালতের শালিসে আওয়ামীলীগ নেতাকে মারধর: আটক ১ রামপালে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে ডক্টর ফরিদ ছেলের হাতে বাবা খুন সিলেটের শাহপরান এলাকা থেকে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার। সিলেট রেজিস্টারী মাঠে বিশাল সমাবেশ; জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তীব্র গণজাগরণ সৃষ্টি করতে হবে-পীর সাহেব চরমোনাই সুনামগঞ্জের ছাতকে সংঘর্ষে নিহত ইয়াকুব আলী স্মরণে শোক সভা ও দোয়া মাহফিল কুরশী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সমাপনী পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংম্বর্ধনা সীতাকুণ্ডে পিএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে স্বপ্নীল যুব কল্যাণ সোসাইটির শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ সীতাকুণ্ডে প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী পরীক্ষার্থী ৮০৭৪ জন
০১৯ এর মধ্যে নতুন কালুরঘাট সেতুর কাজ হওয়ার সম্ভাবনা নেই

০১৯ এর মধ্যে নতুন কালুরঘাট সেতুর কাজ হওয়ার সম্ভাবনা নেই

Advertisements

বোয়ালখালী প্রতিনিধি, মোহাম্মদ আলী (রিপন)ঃ ৯টা রেল ও সড়ক সেতু প্রকল্পটি ফেরত আসার সময় প্রধানমন্ত্রীর কিছু নির্দেশনাও ছিল। সেই নির্দেশনা মত আমরা ডেডিকেটেড দুই মুখী রেল সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছি। ইতোমধ্যে কোরিয়ান দাতা সংস্থার সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে কয়েক দফা। তারাও আমাদের চাহিদামত সেই পথে এগোচ্ছে।

’ নতুন রেল সেতুর সমীক্ষা যাচাইসহ সব ধরনের পেপারওয়ার্ক শেষ করতে আনুমানিক আরও এক বছরের বেশি সময় লাগবে বলেও জানান ওই কর্মকর্তা। পদাধিকারবলে এ প্রকল্পটির পরিচালক হয়ে থাকেন রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী। জানতে চাইলে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল জলিল বলেন, ‘আগের প্রকল্পটি একনেক থেকে ফেরত আসার পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মত আমাদের রেল ভবন কাজ করছে। বর্তমান বিষয়টি সম্পূর্ণ সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের সিদ্ধান্তের বিষয়।

তাই আমার জায়গা থেকে কোনো মন্তব্য করতে পারব না।’ বাংলাদেশ রেলওয়ের প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমরা দুই মুখী ডেডিকেটেড রেল সেতুর জন্য ইতোমধ্যে দক্ষিণ কোরিয়ার দাতা সংস্থার সঙ্গে বৈঠক করেছি। তারাও সেই পথে এগোচ্ছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও মন্তব্য দিতে পারবেন ডিজি স্যার বা মন্ত্রী মহোদয়।’ কর্ণফুলী নদীর ওপর বর্তমানে দুটি সেতু রয়েছে।

কালুরঘাট রেল সেতুর পাশাপাশি ভাটায় শাহ আমানত সেতু ঠাঁই দাঁড়িয়ে কর্ণফুলীর বুকে। যদিও নতুন শাহ আমানত সেতুর বিরোধিতা করেছিলেন তৎকালীন মেয়র আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী। তার যুক্তি ছিল, কর্ণফুলীতে পিলার সেতু হলে নদী নাব্যতা সংকটে পড়ে ভরাট হয়ে যাবে। বাধাগ্রস্থ হবে বন্দরকেন্দ্রিক জাহাজ চলাচল। পরে মহিউদ্দিনের দাবির প্রেক্ষিতে ওই সময়ে শাহ আমানত সেতুর নকশায় কিছুটা পরিবর্তন করা হয়েছিল। কিন্তু তিনটি পিলার থাকার কারণে কর্ণফুলীর নাব্যতা সংকট হচ্ছে।

ভরাট হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের লাইফলাইন বন্দরের প্রাণ কর্ণফুলী। ফলে সরকারকে বাধ্য হয়ে কর্ণফুলী ড্রেজিং প্রকল্প হাতে নিতে হয়েছে শত শত কোটি টাকা ব্যয়ে। এমনকি একনেক থেকে ফেরত আসা কালুরঘাট সড়ক ও রেল সেতুর সমীক্ষা যাচাইয়ের সময়ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আপত্তি ছিল। সেই সময় বন্দরের আপত্তির মুখে বর্তমান ব্রিজ থেকে আরো দশ মিটার উঁচুতে ডিজাইন করা হয়েছিল ব্রিজটির। এখন প্রশ্ন উঠেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মতে যদি কালুরঘাটে সড়ক ও রেলের জন্য পৃথক দুটি সেতু হয় তখন কর্ণফুলীর নাব্যতা কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?

আপনার মতামত দিন

hostseba.com

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team