সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৯, ১১:৩০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
বিবিসিনিউজ২৪ এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন থাই ব্যবসায়ী মেয়ের পাত্র খুঁজছেন, দেবেন লাখো ডলার থানায় কাটলো বাসর রাত অবশেষে ভেঙ্গে গেল বাল্যবিয়ে! হাটহাজারীতে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার হাটহাজারীতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় কাটিরহাট-যোগীরহাট সড়কের সংস্কার। চট্টগ্রামে ১টি বিদেশী গুলিসহ আসামী আটক ১ কলারোয়ায় মারামারি মামলায় আটক-১ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দের সাথে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এর মত বিনিময় সভা চট্টগ্রামে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ চুয়াডাঙ্গা মাদক ব্যাবসায়ী রনি আটক পাহাড়তলীতে মায়ের সাথে মেয়ের অভিমান অতঃপর মেয়ের গলায় ফাঁস বাল্যবিবাহ ঠেকালেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
বেকারদের জন্য নানা প্রতিশ্রুতি-প্রলোভন নিয়ে হাজির সব দলের নেতারা

বেকারদের জন্য নানা প্রতিশ্রুতি-প্রলোভন নিয়ে হাজির সব দলের নেতারা

Advertisements

বিবিসিনিউজ২৪ডেক্স: চলমান লোকসভা নির্বাচনে অন্যতম প্রধান ইস্যু হয়ে উঠেছে ক্রমবর্ধমান বেকারত্ব সমস্যা। প্রতিনিয়ত চাকরির বাজারে প্রবেশ করছে লাখ লাখ শিক্ষিত, অর্ধশিক্ষিত তরুণ। অন্যদিকে চাকরি হারাচ্ছে অনেকেই। ফলে পরিবার থেকে সমাজ ও রাষ্ট্র- সব ক্ষেত্রে এর বিরূপ প্রভাব পড়ছে। কিন্তু বেকারত্ব সমস্যা বড় চ্যালেঞ্জ হলেও এ নিয়ে প্রকৃত সমাধানের কথা ভাবছে না রাজনৈতিক দলগুলো। তারা বরং এটা নিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে ব্যস্ত। বরাবরের মতো এবারের নির্বাচনেও বেকারদের জন্য নানা প্রতিশ্রুতি-প্রলোভন নিয়ে হাজির নেতারা।

এগুলোকে কোটি তরুণের ভোট বাগিয়ে নিতে ‘রাজনৈতিক টোপ’ হিসেবেই দেখছেন বিশ্লেষকরা। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অর্থনীতির ক্ষেত্রে বড় অগ্রগতি অর্জন করেছে দেশটি। কিন্তু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে সমানতালে চাকরির বাজার তৈরি করতে পারেনি। ফলে বেকারত্ব সমস্যা মোকাবেলা ক্রমেই কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে যাচ্ছে। অন্যতম প্রধান কারণ, ভারতের ১৩৫ কোটির বিশাল জনসংখ্যা। এর মধ্যে অর্ধেকের বয়সই ২৭ বছরের কম। কোটি কোটি তরুণের মধ্যে পড়াশোনা শেষে প্রতি মাসেই চাকরির বাজারে প্রবেশ করছে প্রায় ১৩ লাখ।

বিশ্বব্যাংক সম্প্রতি জানিয়েছে, আগামী বছরগুলোতে দেশটির অর্থনীতি আরও বড় হবে। প্রবৃদ্ধি থাকবে ৭.৩ শতাংশ। কিন্তু প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বাড়বে বেকারত্বের হারও। প্রতি বছর অন্তত ৮০ লাখ তরুণের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে। ২০১৪ সালে ভারতের সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরেন্দ্র মোদি ও তার দল বিজেপি নির্বাচনী প্রচারণার একটি বড় অংশ জুড়ে ছিল তরুণ প্রজন্মের জন্য পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি। প্রতি বছর দুই কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবেন বলে তরুণ ভোটারদের মাঝে তুমুল সাড়া জাগিয়েছিলেন মোদি। ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন নতুন পদ্ধতি ও পরিকল্পনা হাতে নিয়ে সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষার চেষ্টা অব্যাহতও রাখেন তিনি। ২০১৮ সালের শেষ দিকে ভোট সামনে তিনি দাবি করেন, ‘গত অর্থবছরে শুধু ফরমাল সেক্টরেই ৭০ লাখ চাকরির সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।’ ফের ক্ষমতায় এলে এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়ে দেন। কিন্তু ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে সেন্টার ফর মনিটরিং ইন্ডিয়ান ইকোনমির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ভিন্ন চিত্রই উঠে এসেছিল। তারা জানিয়েছিল, ২০১৮ সালে ভারতের ১.১ কোটি মানুষ চাকরি হারিয়েছে। আর ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে বেকারত্বের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭.৪ শতাংশে। ভারতের শ্রম অধিদফতর থেকে করা বার্ষিক পরিবার জরিপের ফলাফল থেকে জানা গিয়েছিল, ২০১৩-১৪ থেকেই দেশটিতে বেকারত্বের হার ধারাবাহিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী, এবং ২০১৮ সালে এসে সেই ধারা আরও প্রবলভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বেকারত্ব সমস্যাকে নিজেদের প্রচারণার অন্যতম অস্ত্র করেছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস ও এর নেতারা। দলটির নির্বাচনী ইশতেহারে একে ভারতের ‘সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রতিশ্রুতি, সরকারে গেলে ২০২০ সালের মার্চের মধ্যে ২০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। দারিদ্র্য কমাতে সমাজের সবচেয়ে দরিদ্র ২০ শতাংশ জনগণকে হিসাবের খাতায় ৭২ হাজার রুপি করে দেয়ার প্রতিশ্রুতিও রয়েছে। তবে কংগ্রেসের এই প্রতিশ্রুতি নিয়ে ক্ষমতাসীন বিজেপিসহ জনতার একাংশও সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।

তবে মোদি সরকার কখনই দেশের বেকারত্বের এই ভয়াবহ চিত্র মেনে নিতে চায়নি। যেমন- সেই ২০১৮ সালের আগস্টেই মোদি বলেছিলেন, বেকারত্বের পরিসংখ্যান এত বেশি, কারণ চিরাচরিত জরিপ পদ্ধতি ভারতের নতুন ধাঁচের অর্থনীতি ব্যবস্থায় সৃষ্ট নতুন চাকরিগুলোকে পরিমাপের জন্য উপযুক্ত নয়। কিন্তু তার এই সব কথাকেই এই মুহূর্তে ফাঁকা বুলি মনে হচ্ছে, বিশেষ করে গত মাসের শেষ দিনে বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকায় ভারতের সাম্প্রতিক কর্মসংস্থান জরিপের প্রতিবেদন ফাঁসের মাধ্যমে।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team