শনিবার, ১৭ অগাস্ট ২০১৯, ১১:৫০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
বিবিসিনিউজ২৪ এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন থাই ব্যবসায়ী মেয়ের পাত্র খুঁজছেন, দেবেন লাখো ডলার মধুপল্লী গেটে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা না থাকায় দুর্ভোগ! কলারোয়ায় এসপি গোল্ডেন লাইন পরিবহনের সুপারভাইজারসহ আটক ৬ অবসর নিয়ে সময় চাইলেন মাশরাফি চট্টগ্রামে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থ গৃহ পরিদর্শন করেন বিশ্ব সন্ত্রাস বিরোধী সংগঠন (ওয়াটো)-চট্টগ্রাম বিভাগের নেতৃবৃন্দ। ৯নং উত্তর পাহাড়তলী ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের শোক সভা ফুটবল মাঠ জবর দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন এলো বৃষ্টিভেজা শরৎ বাংলা ঋতু অনুযায়ী ভাদ্র-আশ্বিন দুই মাস শরৎকাল গণধর্ষণ মামলায় জামিন পেয়েই কিশোরীকে অপহরণ ‘আমি অনেক খুশি, যা মুখে প্রকাশ করার মতো না’-বুবলী নয়াপল্টনে ছাত্রদলের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু
বরিশালে ইউএনও’র রোষানলে পালিয়ে বেড়াচ্ছে অনিয়মিত কর্মচারী

বরিশালে ইউএনও’র রোষানলে পালিয়ে বেড়াচ্ছে অনিয়মিত কর্মচারী

Advertisements

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল : পারিশ্রমিক ছাড়া কাজ করতে অনিহা প্রকাশ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে অনিয়মিত কর্মচারীর বিরুদ্ধে কখনও ২০ লাখ, কখনও ২৫ লাখ আবার কখনও ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার। একপর্যায়ে থানা পুলিশের হয়রানীর মুখে গত ১৫দিন পর্যন্ত নিজ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ওই কর্মচারী। একজন সামান্য অনিয়মিত টেকনিশিয়ান সরকারী এ বিপুল পরিমান অর্থ কিভাবে আত্মসাত করেছে তা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি জেলার মুলাদী উপজেলার.


অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেনের রোষানলে পুলিশ দিয়ে ওই টেকনিশিয়ানকে গ্রেফতারের ভয়দেখিয়ে এক রাত আটক করে রাখার পর পূর্ণরায় হয়রানী করায় গত ১৫দিন থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অনিয়মিত কর্মচারী বেলাল হোসেন। ফলে তার (বেলাল) পরিবারকে সরকারী পিয়ন ও নাইটগার্ডদের মাধ্যমে বাসায় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। অসহায় বেলাল হোসেন সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের মাধ্যমে নায্য বিচার পেতে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


নিজ এলাকা থেকে পালিয়ে বেড়ানো তথ্য ও যোগাযোগ অধিদপ্তরের ইনফো সরকার-২ প্রকল্পে মুলাদী উপজেলা টেকনিশিয়ান (অনিয়মিত কর্মচারী) বেলাল হোসেন অভিযোগ করে বলেন, গত ২৮ এপ্রিল সন্ধ্যা রাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকির হোসেন ফোন করে আমাকে তার অফিসে ডাকেন। আমি এশার নামাজের আগেই অফিসে ঢুকে দেখতে পাই ইউএনও, থানার ওসিসহ একদল পুলিশ অফিসে বসে আছেন।

আমি অফিসে প্রবেশের সাথে সাথে ইউএনও স্যার আমাকে বলেন, আপনি অফিসের প্রায় ২০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন। কিছুক্ষণ পর উপজেলা চেয়ারম্যানের কাছে জানায় আমি ২৫ লাখ টাকা আত্মসাত করেছি। পরবর্তীতে আমার স্ত্রীর কাছে ইউএনও জানায় আমি ৩০ লাখ টাকা আত্মসাত করেছি।


বেলাল আরও জানান, মুলাদী থানার ওসি জিয়াউল আহসান আমাকে একটি কক্ষে আটকে রেখে হুমকি দিয়ে বলেছেন আমি ইউএনও’র চাহিদা অনুযায়ী টাকা জমা না দিলে আমাকে একাধিক পেন্ডিং মামলায় গ্রেফতার করে জেলহাজতে প্রেরণ করবে। ওইসব মামলায় আমাকে জীবনের শেষসময় পর্যন্ত কারাগারে কাটাতে হবে।


নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক জনপ্রতিনিধিরা বলেন, ইউএনও’র অভিযুক্ত বেলাল হোসেন একজন সামান্য অনিয়মিত টেকনিশিয়ান। তার কাছে সরকারী এতো বিপুল পরিমান অর্থ থাকার কথা নয়, সেখানে সে (বেলাল) কিভাবে অর্থ আত্মসাত করেছে বিষয়টি রহস্যজনক।


এ ব্যাপারে মুলাদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাকির হোসেন বলেন, অর্থ আত্মসাতের ব্যাপারে তদন্ত চলছে তাই এখনও সঠিক করে মোট টাকার পরিমান বলা যাচ্ছেনা। তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। বিষয়গুলো পরবর্তীতে গণমাধ্যমকে জানানোর কথা বলে তিনি এ ব্যাপারে

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team