সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৯, ১১:২৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
বিবিসিনিউজ২৪ এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন থাই ব্যবসায়ী মেয়ের পাত্র খুঁজছেন, দেবেন লাখো ডলার থানায় কাটলো বাসর রাত অবশেষে ভেঙ্গে গেল বাল্যবিয়ে! হাটহাজারীতে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার হাটহাজারীতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় কাটিরহাট-যোগীরহাট সড়কের সংস্কার। চট্টগ্রামে ১টি বিদেশী গুলিসহ আসামী আটক ১ কলারোয়ায় মারামারি মামলায় আটক-১ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দের সাথে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এর মত বিনিময় সভা চট্টগ্রামে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ চুয়াডাঙ্গা মাদক ব্যাবসায়ী রনি আটক পাহাড়তলীতে মায়ের সাথে মেয়ের অভিমান অতঃপর মেয়ের গলায় ফাঁস বাল্যবিবাহ ঠেকালেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
তীব্র তাপদাহ : যশোর হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা!

তীব্র তাপদাহ : যশোর হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা!

Advertisements

এবিএস রনি, যশোর প্রতিনিধি: তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। খাঁ খাঁ রোদে পুড়ছে খেটে খাওয়া মানুষ। নাভিশ্বাস উঠেছে রোজাদারদের। জরুরি প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া কেউ ঘরের বাহির হচ্ছেন না।

গরমের প্রভাবে প্রতিদিন নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে মানুষ। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্ক রোগীর সংখ্যাই বেশি। বাড়তি রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সদের। পর্যাপ্ত ওষুধ ও বেড না থাকায় বিপাকে পড়ছেন রোগীরা।

তবে দ্রুত ওষুধ সংকট দূর করার আশ্বাস দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। যশোর আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য মতে, গত এক সপ্তাহ ধরে যশোর অঞ্চল দিয়ে তাপদাহ চলছে। গেল সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবার দেশের মধ্যে যশোরে সর্বোচ্চ ৪১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। শনিবার এ জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সর্ব নিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ২৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই অবস্থা রোববারও।

এমন তাপদাহ আরও কয়েকদিন থাকবে বলেও জানায় আবহাওয়া অধিদফতর। এদিকে গরম বাড়ার সাথে সাথে হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। গত কয়েকদিন চলছে তীব্র ভ্যাপসা গরম। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ায় নানা রোগে আক্রন্ত হয়ে শিশু ও বয়স্করা ভর্তি হচ্ছেন যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে। এদের মধ্যে শ্বাসকষ্ট, ডায়রিয়া, আমাশয় ও পানিবাহিত নানান রোগে আক্রান্তের সংখ্যাই বেশি।

ফলে ডায়রিয়া ও শিশু ওয়ার্ডে বেড ফাঁকা না থাকার কারণে বারান্দায় ও মেঝেতে থাকতে হচ্ছে অনেকের। হাসপাতালে রোগীর চাপ বেড়ে যাওয়ায় হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তব্যরত নার্সদের। তারা বলেন, সাধ্যমত সেবা দেয়ার কথা। যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে রবিবার শিশু ওয়ার্ডে গিয়ে দেখা যায়, বেড রয়েছে ২৪টি। সেখানে রোগী ভর্তি ছিল ৭০ জন।

আর ডায়রিয়া ওয়ার্ডে বেড রয়েছে পাঁচটি সেখানে রোগী ভর্তি ছিল ৩০ জন। শহরতলীর রামনগর থেকে সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা মাসুদ রানা বলেন, বমি ও পাতলা পায়খানা হচ্ছিল। তাই হাসপাতালে এসেছিলাম। ডাক্তার দেখেশুনে ভর্তি করে দিল। এখন আগের চেয়ে ভালো লাগছে। তবে হাসপাতালে আসা অনেক রোগীর অভিযোগ সরকারি ওষুধ পাচ্ছেন না তারা। ফলে বাধ্য হয়ে বাইরের দোকান থেকে ক্রয় করে আনতে হচ্ছে। ফলে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে দরিদ্র মানুষের।

হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বাড়লেও সাপ্লায় না থাকার কারণে রোগীদের ওষুধ ক্রয় করতে হচ্ছে বাইরে থেকে। রয়েছে বেড সংকট। তাই হাসপাতালের বাইরে ও মেঝেতে থাকতে হচ্ছে। যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আবুল কালাম আজাদ লিটু বলেন, গরমের কারণে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।

তবে আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, আমাদের কিছু ওষুধের সাপ্লাই না থাকার কারণে রোগীদের কিছু ওষুধ বাইরে থেকে ক্রয় করতে হচ্ছে। আমরা খুব দ্রুত সাপ্লাইয়ের ওষুধ পেয়ে গেলে এ সংকট কেটে যাবে।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team