বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯, ০৮:০৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
থাই ব্যবসায়ী মেয়ের পাত্র খুঁজছেন, দেবেন লাখো ডলার মোদিকে অভিনন্দন জানালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ধান কাটার ছবি দিয়ে গোলাম রাব্বানী সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল স্বামীকে ৭ টুকরো করে হত্যা : স্ত্রীসহ ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড চট্টগ্রামে বাস থেকে পড়ে হেলপার নিহত সীতাকুণ্ডে পুলিশ- জেলে সংঘর্ষের ঘটনায় ত্রিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত , দুই এসআই প্রত্যাহার আমাশয় রোগীর চিকিৎসায় হোমিও সমাধান চট্টগ্রামে বস্তিগুলোই মাদকের স্বর্গরাজ্য প্রতিবন্ধি ব্যক্তির নেতৃত্ব বিকাশ ও স্ব-সহায়ক ও সমাজ ভিত্তিক দল ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত আগামী ৫ জুন পবিত্র ঈদুল ফিতর! এগিয়ে নরেন্দ্র মোদি,দিদির মাথায় হাত

hostseba.com

কক্সবাজার বিআরটিএ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ!

কক্সবাজার বিআরটিএ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ!

hostseba.com

মো: জাহেদুল ইসলাম (জাহেদ), কক্সবাজার থেকে : নতুন করে তিন হাজার সিএনজি গাড়ীর লাইসেন্স দেওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছে কক্সবাজার বিআরটিএ অফিস। এতে করে কর্মকর্তাদের পকেট ভারী করার জন্যই এই বিশেষ প্রকল্প বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

কারণ প্রতিটি সিএনজির লাইসেন্স দিতে সরকারি ফি ১২ হাজার টাকা হলেও অতীতে দেখা গেছে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। তাই নতুন যোগদান করা বিআরটিএ অফিসের শীর্ষ কর্মকর্তার ইন্দনে বেশ কিছু সিএনজি গাড়ী বিক্রয়কারী প্রতিষ্টান এবং মালিক সমিতির নেতারা মিলে কক্সবাজারের যানজটকে তোয়াক্কা না করে নিজেরা প্রায় অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার পাঁয়তারা করছে বলে জানান স্থানীয়রা।

সে লক্ষে আগামীকাল শনিবার সরকারি বন্ধের দিনে বিআরটিসির বিশেষ সভার আহবান করা হয়েছে বলে গোপন সুত্রে জানা যায়।


ভূক্তভোগীরা জানান, কক্সবাজার বিআরটিএ অফিস নতুন সহকারি পরিচালক যোগদান করার পর থেকে বিআরটিএ অফিসের সব কিছুতে রেইট ডাবল হয়ে গেছে। আগে সেখানে একটি শিক্ষানবীশ ড্রাইভিং লাইসেন্স ৫০০ টাকা দিলে করা যেত সেখানে গত কয়েক মাসের মধ্যে ১২০০ টাকা হয়ে গেছে।

এছাড়া আগে সিএনজি রুট পারমিট নিতে ব্যাংকে ১১০৪ টাকা টাকা জমা দেওয়ার পরে অফিস খরচ ৫০০ টাকার মত দিলে খুশি মনে করে দিত। এখন ১৫০০ টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে। মটর সাইকেল লাইসেন্স আগে ব্যাংকে ১২০৭৩ টাকা জমা দেওয়ার পরে অফিস খরচ অল্প দিতে হতো। এখন বাড়তি ২ হাজার নির্ধারণ করে দিয়েছে অফিস।

মোট কথা সব কিছুতে এখন ডাবল টাকা গুনতে হচ্ছে সেবাপ্রার্থীদের। এছাড়া বর্তমান সহকারি পরিচালক উথোয়েন চৌধুরী সাধারণ মানুষের সাথে চরম খারাপ ব্যবহার করেন বলে জানান ভুক্তভোগীরা। এদিকে বিআরটিএর এই শীর্ষ কর্মকর্তার ইন্দনে বিশাল একটি অনিয়মের সুযোগ করে নিচ্ছে বলে জানা গেছে।


গোপন সূত্রে জানা গেছে, আগামীকাল ১১ মে শনিবার সরকারি বন্ধের দিনে বিআরটিসির সভা আহবান করে সেখানে প্রায় ৩ হাজার সিএনজির লাইসেন্স অনুমোদন করিয়ে নেওয়ার পায়তারা করা হচ্ছে। জেলা বিআরটিএ অফিস সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার সিএনজির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে এর পরে আবারো প্রায় ৩ হাজার লাইসেন্স দেওয়ার কোন যুক্তিকতা আছে কিনা বা আদৌ প্রয়োজন আছে কিনা সেটা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জেলার সচেতন মহল।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু ভূক্তভোগীরা বলেন, অতীতে আমরা দেখেছি সিএনজির লাইসেন্স দিতে গিয়ে বড় দূর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে সরকারি ভাবে ব্যাংক জমা দেওয়া হয়েছে ১২ হাজার টাকা তবে সিএনজি মালিকদের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। তাই বর্তমানে সেই কৌশল অবলম্বন করে বিপুল টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্যই এই কাজে নেমেছে তারা কক্সবাজার আইনজীবি সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদকও এপিপি এড. জিয়া উদ্দিন আহামদ বলেন, পর্যটন নগরী হলেও রাস্তার আয়তন এবং বাস্তব অবস্থা মিলে একটি ঘিঞ্জি শহরে পরিনত হয়েছে কক্সবাজার।

সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত তীব্র যানজটের মধ্যে পড়তে হয় কক্সবাজারবাসীকে তার উপর পর্যটন মৌসুমে বাইরের গাড়ী আসলে আরতো কথাই নেই পুরু শহর স্থবির হয়ে পড়ে। তাই প্রায় সময় রাস্তা থেকে অবৈধ গাড়ী চলাচল বন্ধ করা ফুটপাথ দখলমুক্ত করার মত সিদ্ধান্ত আসে বার বার। আমার মতে বর্তমানে যে গাড়ী আছে সেটা যথেষ্ট নতুন করে সিএনজি গাড়ীর লাইসেন্স দেওয়ার কোন যুক্তিকতা নেই।


কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সহ সভাপতি মমতাজ উদ্দিন বাহারী বলেন, প্রায় সময় যানজটের কথা আসলে টমটমের কথা উঠে আসে কিন্তু শহরে কয়েক হাজার সিএনজি বা অটোরিক্সার কথা উঠে খুব কম। সিএনজি খুব বেশি আছে বলেই যত্রতত্র তাদের গাড়ীর ষ্টেশন করতে হচ্ছে।

আমার মতে কয়েক লাখ টাকা রাজস্বের জন্য জেলার লাখ লাখ মানুষকে কষ্ট দেওয়ার কোন মানে নেই। নতুন করে কোন গাড়ীন অনুমোদন দেওয়া মোটেও উচিত হবেনা।


খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কেডিএম এন্টারপ্রাইজ, বাজাজ শোরুম, এমএস এন্টারপ্রাইজ এর কর্মকর্তা বর্তমান সহকারি পরিচালকের সাথে যোগসাজসে এই বিপুল পরিমান সিএনজি গাড়ী লাইসেন্স করিয়ে নেওয়ার পায়তারা করছে। তারা গোপনে চুক্তি করে প্রতি গাড়ী থেকে সরকারি ব্যাংক হিসাব বাদে বিপুল টাকা আত্মসাৎ করে কক্সবাজারবাসীকে ডুবানোর জন্য পায়তারা করছে। যদি নতুন করে আরো ৩ হাজার সিএনজি রাস্তায় নামানো হয় তাহলে রাস্তার অবস্থা খুবই করুন হবে এবং মানুষের দুর্ভোগের সীমা থাকে না।

শহরের তারাবনিয়ারছড়ার ইরফান নামের একজন জানান, আমার লাইসেন্স নবায়ন করতে এসেছি আগে ব্যাংকের জন্য ২৭০০ টাকা ছাড়া ১০০০ টাকা বাড়তি দিলে সব কাজ উনারা করে দিত এখন সব মিলিয়ে ৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তারা বলছে নতুন কর্মকর্তা তাই ফিও বেশি।


এ ব্যাপারে কক্সবাজার বিআরটিএ অফিসের কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম বলেন, ২০১৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ হাজার সিএনজির লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। তবে যানজট বাড়ার মূল কারন হচ্ছে টমটম কারন ২৫০০ টমটমের কথা বলে অন্তত ৭ হাজার টমটম চলে। আর সিএনজি সরকারকে রাজস্ব দিয়ে আসে তারা তাই সিএনজি লাইসেন্স পাওয়ার জন্য বৈধ। যদি সিএনজি লাইসেন্স না হয় তাহলে সরকার রাজস্ব পাবে কিভাবে। আর ১১ মের সভার জন্য এখনো দেড়শত মত আবেদন জমা পড়েছে মাত্র। তবে কমিটি চাইলে কয়েক হাজারের জন্য অনুমোদন দিতে পারে।


এ ব্যাপারে কক্সবাজার বিআরটিএ কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক উথোয়েইন চৌধুরী বলেন, আমার অফিসে বাড়তি কোন টাকা নেওয়ার বিষয়ে আমার জানা নেই বরং আপনাদের কাছে এরকম কোন অভিযোগ থাকলে তাকে আমার কাছে নিয়ে আসেন। বাকি কোন বিষয়ে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

onestream

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bbc_news_sidebar_Ads_1




Sidbar_gif

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team