সোমবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৯, ১১:৩৩ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
বিবিসিনিউজ২৪ এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন থাই ব্যবসায়ী মেয়ের পাত্র খুঁজছেন, দেবেন লাখো ডলার থানায় কাটলো বাসর রাত অবশেষে ভেঙ্গে গেল বাল্যবিয়ে! হাটহাজারীতে গৃহবধুর লাশ উদ্ধার হাটহাজারীতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় কাটিরহাট-যোগীরহাট সড়কের সংস্কার। চট্টগ্রামে ১টি বিদেশী গুলিসহ আসামী আটক ১ কলারোয়ায় মারামারি মামলায় আটক-১ জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ নেতৃবৃন্দের সাথে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এর মত বিনিময় সভা চট্টগ্রামে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ১ চুয়াডাঙ্গা মাদক ব্যাবসায়ী রনি আটক পাহাড়তলীতে মায়ের সাথে মেয়ের অভিমান অতঃপর মেয়ের গলায় ফাঁস বাল্যবিবাহ ঠেকালেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের অস্ত্র মামলায় ১৪ বছরের কারাদন্ড।

পেকুয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের অস্ত্র মামলায় ১৪ বছরের কারাদন্ড।

Advertisements

মোঃজাহেদুল ইসলাম(জাহেদ): কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে অস্ত্র মামলায় ১৪ বছর সাজা প্রদান করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে আদালত।

বৃহস্পতিবার ৯ মে কক্সবাজারের জেলা ও দায়রা জজ খোন্দকার হাসান মোঃ ফিরোজ ১৯৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯ (এ) ধারায় পেকুয়া জাহাঙ্গীর আলমকে এসপিটি ১৫৮/২০১৭ নম্বর মামলায় উক্ত সাজা প্রদান করে জেল হাজতে প্রেরন করেন।রায় ঘোষণাকালে আদালতে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীর।

তাই সাথে সাথেই তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।একই মামলায় অপর তিনজন আসামীকে আদালত বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়েছে।কক্সবাজার জেলা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এস.এম আব্বাস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।প্রসঙ্গত,পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি,সাজাপ্রাপ্ত জাহাঙ্গীর আলম গত ২৪ মার্চ অনুষ্ঠিত পেকুয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্ধিতা করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে সম্প্রতি শপথ নিয়ে দায়িত্বভারও গ্রহণ করেছেন।

কিন্তু দায়িত্বগ্রহণ করে গুছিয়ে উঠার আগেই তাকে যেতে হলো কারাগারে।হিসেবে সদ্য দায়িত্ব দায়িভার গ্রহণ করা জাহাঙ্গীর আলমের ১৪ বছর এবং কারাগারের পাঠানোর ঘটনা মুহূর্তেই ছড়িয়ে গেছে।বিষয়টি এখন ‘টক অব দ্য ডিস্ট্রিক্ট’এ পরিণত হয়েছে।মামলার সুত্র মতে,২০০৭ সালের ১৩ আগষ্ট নিজ বাড়ি থেকে দশ রাউন্ড কার্তুজ,তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১৭ লাখ টাকাসহ তৎকালীন জেলা পরিষদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করেছিল র‌্যাব।এসময় তার আরো চারভাইকেও আটক করা হয়েছিল।

কক্সবাজারের তৎকালীন র‌্যাব-৭ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর রুহুল আমিন এই অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।ঘটনায় র‌্যাব বাদি হয়ে অস্ত্র মামলা দায়ের করেছিলেন।উক্ত মামলায় ১৫ দিন জেলে কেটে কারামুক্ত হয়েছিলেন জাহাঙ্গীর আলম।দীর্ঘ ২১ মাস ধরে ওই মামলার বিচারকার্য দিবসের শুনানী এবং সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মামলার প্রধান আসামী সদ্য নির্বাচিত পেকুয়ার উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেন আদালত এবং অন্যান্য আসামীদের বেকসুর খালাস প্রধান করেন।

এ বিষয়ে,পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপিএ এডভোকেট মমতাজ আহমদ জানান,সাক্ষ্য প্রমাণে মামলার প্রধান আসামী জাহাঙ্গীরের বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয়।তাই আইন মতে আদালত তাকে ১৪ বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।রায় ঘোষণাকালে বিচারকের সামনে জাহাঙ্গীরসহ অন্যান্যরা দাবি করেন তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সাথে আঁতাত করে র‌্যাব পরিকল্পিতভাবে ওই অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা ঘটিয়েছিলেন।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team