রবিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৯, ০৮:০৪ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় আঞ্চলিক সংগঠন (ইউপিডিএফ) প্রসিত গ্রুপ, কে নিষিদ্ধ করার দাবিতে  মানববন্ধন সাঁথিয়া সরকারি হাই স্কুলে প্রশ্নপত্র না থাকায় নির্বাচনী পরীক্ষা দিতে পারেনি ১৮৯জন শিক্ষার্থী ইনানী মেরিন ড্রাইভ সড়কে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ উদ্ধার অভিভাবক সংগঠনঃ সম্মিলিত সামাজিক উন্নয়ন পরিষদের ১ম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠিত কেশবপুরে মহাকবি মাইকেল মধুসূদন গোল্ডকাপ ফুটবল উদ্বোধন শিক্ষকতায় শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন চট্টগ্রাম জেলা যুব কমিটির বিশাল মিছিল সম্রাটের অনুষ্ঠানে যোগ দাওয়ার উদ্দেশে জাপান যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি যুবলীগের সম্মেলন: বিভিন্ন পদে দেখা যেতে পারে নতুন মুখ বাজার থেকে তুলে নিচ্ছে বেবি পাউডার জনসন অ্যান্ড জনসন
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে সহিংসতায় ১২ জনের মৃত্যু

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে সহিংসতায় ১২ জনের মৃত্যু

Advertisements

বিবিসিনিউজ২৪,ডেস্কঃ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সহিংসতায় ১২ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন স্থানে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

এর মধ্যে চট্টগাম বিভাগের ৬ জেলায় ৮ জন, রাজশাহীতে ২জন, বগুড়া, ও নরসিংদীতে একজন করে প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানা গেছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক ও জেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর: 

চট্টগ্রাম: নির্বাচনী সহিংসতায় চট্টগ্রাম বিভাগের ছয় জেলায় ৮ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা জেলায় নিহত হয়েছেন দুইজন করে চারজন। অন্যান্য জেলার মধ্যে কক্সবাজারের পেকুয়া, রাঙ্গামাটি, নোয়াখালী ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একজন করে নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন কিশোর ও একজন আনসার সদস্য রয়েছেন। 

কেন্দ্র দখল, ভোট গ্রহণে বাধাদান ও প্রভাব বিস্তার করতে গিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে তারা নিহত হয়েছেন।

hostseba.com

এর মধ্যে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা ঝিরি ইউনিয়নের পশ্চিম মালিয়াপাড়া এলাকায় আওয়ামী লীগ-বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আবু সাদেক (১৮) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। কেন্দ্র দখল করতে গিয়ে রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের এডিশনাল এসপি আফরুজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের পটিয়া সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন খান বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আবু সাদেক নিহত হন। সংঘর্ষের কারণে ওই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ সাময়িকভাবে স্থগিত ছিল। পরে আবার শুরু হয়। এখন পরিস্থিতি শান্ত আছে।

জেলার বাঁশখালী উপজেলার বড়ইতলি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শনিবার গভীর রাতে ভোটকেন্দ্র দখল নিয়ে সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। তার নাম আহমেদ কবির (৫৫)। 

জানা গেছে, রাত ২টার দিকে ভোটকেন্দ্রে বুথ সাজানোর পর কর্মকর্তারা ঘুমাচ্ছিলেন। এ সময় মাইক্রো, মোটরসাইকেল এবং সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে ৮ থেকে ১০ জন এসে পুলিশ পরিচয়ে কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করে। আগে থেকে এ কেন্দ্রের আশেপাশে অবস্থান নেওয়া বিএনপি প্রার্থী জাফরুল ইসলাম চৌধুরী, জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহমুদুল ইসলাম ও জামায়াত সমর্থিত জহিরুল ইসলামের সমর্থকরা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় সংঘর্ষ বাধলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গুলি চালায় পুলিশ। গোলাগুলির এক পর্যায়ে নিহত হয় কবির। সংঘর্ষে পুলিশের এসআই বিমল, কনস্টেল আবু সুফিয়ান ও ফরহাদ আহত হয়। তাদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। 

রাঙামাটি: জেলার কাউখালি উপজেলায় বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে এক যুবলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। এছাড়া আরও ১০ জন আহত হয়েছেন। 

নিহত মো. বাছির উদ্দিন ঘাগড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিনহাজুর রহমান বলেন, ঘাগড়া ইউনিয়নের রাঙ্গীপাড়া এলাকায় রোববার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে বিএনপি ও যুবলীগ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে গোলাগুলির এক পর্যায়ে নিহত হন বাছির।

সংঘর্ষে আহত আরও ১০ জনকে কাউখালি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এরশাদ মিয়া।

কুমিল্লা: জেলার নাঙ্গলকোট ও চান্দিনা উপজেলায় ভোট চলাকালে সংঘর্ষ ও গুলিতে দুইজন নিহত হয়েছেন। নাঙ্গলকোটে দু’পক্ষের সংঘর্ষে একজন এবং চান্দিনায় দু’পক্ষের সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ গুলি চালালে আরেকজন নিহত হন। 

কুমিল্লার পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম দুটি ঘটনারই সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। 

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রোববার সকাল ১১টার দিকে নাঙ্গলকোটের দোলখাড় ইউনিয়নের মোরগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে বাচ্চু মিয়া (৩৫) নামে একজন নিহত হয়। স্থানীয়রা জানান, বাচ্চু মিয়া ধানের শীষের সমর্থক ছিল। তিনি ওই এলাকার ইদ্রিস মিয়ার ছেলে। 

এদিকে, চান্দিনা উপজেলার পশ্চিম বেলাস্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে পুলিশের গুলিতে মজিবুর রহমান (৩৫) নামের একজন নিহত হয়েছেন। অতর্কিতভাবে একদল দুর্বৃত্ত ওই কেন্দ্রে হামলা চালিয়ে ব্যালট বাক্স ভাঙচুর করে। এ সময় ধানের শীষ ও নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষ বাধে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ গুলি চালালে একজন নিহত হন। 

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, নিহত মজিবুর রহমানের বাবার নাম সুজাত আলী। তার বাড়ি মুরাদনগরের ইন্দ্রাচর গ্রামে। তিনি চান্দিনা উপজেলায় ভাড়া থাকতেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া: জেলার সদর উপজেলার রাজঘর কেন্দ্রে নির্বাচনী সহিংসতায় ইসরাইল নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন খান। 

তিনি জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৩ আসনে মহাজোটের প্রার্থী মোক্তাদির চৌধুরী ওই কেন্দ্রে ভোট দিতে গেলে দুর্বৃত্তরা তার ওপর হামলার চেষ্টা করে। তখন সংঘর্ষ বাধলে একজন নিহত হন। নিহত ইসরাইল স্থানীয় আওয়ামী লীগের কর্মী বলে তার বাবা সাঈদ মিয়া জানিয়েছেন।

কক্সবাজার: জেলার পেকুয়ায় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনায় এক যুবলীগ কর্মী নিহত ও আটজন আহত হয়েছেন। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এ বি এম মাসুদ হোসেন জানান, সকালে ভোটকেন্দ্রে আসার পথে দু’পক্ষের মধ্যে ওই সংঘর্ষ হয়। এতে নিহত হন আব্দুল্লাহ। 

নোয়াখালী: জেলার বেগমগঞ্জের আলাইয়াপুর ইউনিয়নের তুলাচারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নুর নবী নামে এক আনসার সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে বিএনপি-জামায়াত কর্মীরা। ভোটের দিন দুপুর ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। 

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ আমিন মোল্লা জানান, বিএনপি-জামায়াত কর্মীরা হঠাৎ কেন্দ্রে এসে কয়েকটি গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে আনসার সদস্য নুর নবী গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

রাজশাহী: জেলার তানোর ও মোহনপুর ইপজেলায় নির্বাচনী সংঘর্ষে এক আওয়ামী লীগ নেতা ও এক যুবক নিহত হয়েছেন। রোববার সকালে এই ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, গোদাগাড়ী উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের ৮নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোদাচ্ছের আলী (৪০) ও মোহনপুর উপজেলার আব্দুস সাত্তারের পুত্র মিরাজুল ইসলাম মেরাজ (২৫)।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মোদাচ্ছের আলী ভোট দেয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ওই সময় হঠাৎ করেই বিএনপি-জামায়াতের নেতাকর্মীরা লাঠি ও হকিস্টিক নিয়ে অতির্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত ভোটারদের এলোপাথারি পিটিয়ে জখম করে। এ সময় লাঠির আঘাতে মোদাচ্ছের আলী গুরুতর জখম হন। স্থানীয় লোকজন তাকে উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলার পাঁচন্দর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন জানান, বিএনপি-জামায়াত ভোট কেন্দ্র দখল করতে এলে আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয়। ওই সময় ভোটার লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মোদাচ্ছেরের মাথার পেছনে আঘাত করা হলে ঘটনাস্থলেই সে মারা যান। পরে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক জানান আগেই তার মৃত্যু হয়েছে।

মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার মোরশেদ আলী মৃধা জানান, এ ঘটনার পর ভোটগ্রহণ ২ ঘণ্টার জন্য স্থগিত করা হয়েছিল। পরে আবারও ভোট গ্রহণ শুরু হয়। 

তানোর থানার ওসি রেজাউল ইসলাম বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশসহ বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীরা এ হামলা চালায় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে মোহনপুরে ভোট কেন্দ্র দখল করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে মেরাজুল ইসলাম মেরাজ (২৫) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। মেরাজুল পাইকপাড়া গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে। রোববার সকাল ১১টার দিকে উপজেলার জাহানাবাদ ইউনিয়নের পাকুড়িয়া সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।

মোহনপুর থানার ওসি আবুল হোসেন জানান, বিএনপি-জামায়াত কর্মীরা কেন্দ্রের দখল নিতে গেলে আওয়ামী লীগ কর্মীরা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এ সময় তারা ছাত্রলীগ লীগ কর্মী মেরাজুল ইসলামকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে মাথায় জখম করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

রাজশাহী-০৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বর্তমান সাংসদ আয়েন উদ্দিন জানান, নিহত মেরাজুল উপজেলা ছাত্রলীগের সদস্য। বিএনপি-জামায়াত ক্যাডাররা ভোট কেন্দ্র দখল করতে এসে তাকে কেন্দ্রের সামনে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে।

তবে বিএনপি প্রার্থী শফিকুল হক মিলন বলেন, মেরাজুল ছাত্রলীগ কর্মী নয়। সে ছাত্রদলের সক্রিয় নেতা। সাংসদ আয়েন উদ্দীন গাড়িতে থেকে নিজে গুলি করে তাকে হত্যা করেছে।

বগুড়া: জেলার কাহালুতে ভোটকেন্দ্রের সামনেই আজিজুল ইসলাম (৩০) নামে আওয়ামী লীগের এক নেতাকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। 

রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বাগুইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।  এ সময় নাজমুল হাসান দোয়েল নামে এক ওয়ার্ড মেম্বার আহত হয়েছেন।

নিহত আজিজুল উপজেলার বাগুইন গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে ও পাইকর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি। আহত দোয়েল উপজেলার পাইকর ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের সদস্য।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে কেন্দ্রের সামনে ভোটারদের মাঝে নৌকার স্লিপ বিতরণ করছিলেন আজিজুল ও দোয়েলসহ কয়েকজন। এ সময় বিএনপির ২০/২৫ জন সমর্থক কেন্দ্রের সামনে দিয়ে ধানের শীষের মিছিল নিয়ে যাচ্ছিলেন। এসময় আজিজুলরা ভোটের দিন মিছিলে করতে নিষেধ করলে উভয়পক্ষের সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

কাহালু থানার ওসি শওকত কবীর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সংঘর্ষে আজিজুলকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়। পরে তাকে উদ্ধার করে বগুড়ার রাফাতউল্লাহ কমউনিটি হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।  

নরসিংদী: জেলার শিবপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় মিলন মিয়া (৪৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। 

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নরসিংদী-৩ নির্বাচনী এলাকার কোন্দারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। নিহত মিলন মিয়া ওই এলাকার হযরত আলী মিয়ার ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুপুর ১২টার দিকে স্বতন্ত্র প্রার্থী সিংহ প্রতীকের সিরাজুল ইসলাম মোল্লা কোন্দারপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র পরিদর্শনে গেলে সেখানে তাকে নৌকার সমর্থকরা অবরুদ্ধ করে রাখে। এ সময় কেন্দ্রের বাহিরে নৌকা ও সিংহের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সহিংসতায় মিলন মিয়া ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন। মিলন মিয়া আওয়ামী লীগে সমর্থক বলে দাবি করেছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। সহিংসতার খবরে বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাাস্থলে উপস্থিত হলে উভয় পক্ষের সমর্থকরা সেখান থেকে সরে যায়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

আপনার মতামত দিন
bbc-news-24-ads

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team