বৃহস্পতিবার, ২৭ Jun ২০১৯, ১১:২৯ পূর্বাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
বিবিসিনিউজ২৪ এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন থাই ব্যবসায়ী মেয়ের পাত্র খুঁজছেন, দেবেন লাখো ডলার রিফাত হত্যাকাণ্ডের আসামিরা আটক না হলে আত্মহত্যার হুমকি রিফাত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় আটক ১ সমীকরন পাল্টে দিচ্ছে পাকিস্থান, টাইগারদের ওপর বাড়াল চাপ সুভাষ মল্লিক সবুজকে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করে সন্ত্রাসীরা কোথায় গেল মানবতা, স্ত্রীর সামনে স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা ইউসুফ চৌধুরী আর নেই বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওর্য়াক (BPWN) বার্ষিক ট্রেনিং কনফারেন্স অনুষ্ঠিত অধ্যক্ষের সহযোগীতায় রোজিনার দায়িত্ব নিল সন্দ্বীপ ১ গ্রুপ! চট্টগ্রামে অজ্ঞান পার্টির ২ সদস্য আটক চট্টগ্রামে ২৪০০ পিস ইয়াবাসহ আটক ৩

আত্মহত্যা করা গাছ!

আত্মহত্যা করা গাছ!
আত্মহত্যা করা গাছ!
Advertisements


ফিরোজ জোয়ার্দ্দার- সাতক্ষীরার কলারোয়ায়’গাছ আমাদের বন্ধু’। তবে পৃথীবিতে এমন কিছু গাছ আছে যে গাছের পাতা কিংবা কাণ্ড স্পর্শ করলেই শরীরে এতো যন্ত্রণা সৃষ্টি করে যে, মানুষ আত্মহত্যা করতে বাধ্য হয়। তাই এ গাছটি ‘আত্মহত্যার গাছ’ বলে পরিচিত। গাছটির পরিচিতি হল ড্রেনড্রকনাইট মরডেইস নামক গুল্ম প্রজাতির।

গাছটি অস্ট্রেলিয়ায় বেশি দেখা যায়। এটি গেম্পি গেম্পি, দ্য সুইসাইড প্লান্ট এবং মুনলাইটার নামেও পরিচিত। গাছটির পাতা ও কাণ্ড এক ধরনের কাঁটায় আচ্ছাদিত। ওই কাঁটা শরীরে উচ্চ নিউরোটক্সিন নির্গত করে যা এক দুঃসহ যন্ত্রণার সৃষ্টি করে।এ গাছের হুল শরীরে বিঁধলে যে ব্যথা শুরু হয় তা দুই বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ব্যথায় কোনো কাজ তো দূরের কথা ঘুমানোও অসহনীয় হয়ে ওঠে। এ ব্যথা অন্য যেকোনো ব্যথার চেয়ে অন্তত ১০ গুণ বেশি ভয়ানক। এজন্য আক্রান্ত মানুষ আত্মহত্যার চিন্তা করতে বাধ্য হয়।

ড্রেনড্রকনাইড মরইডেস’ নামক এ ধরনের প্রাণঘাতী গাছ অস্ট্রেলিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রেইনফরেস্টে দেখতে পাওয়া যায়। এটি ‘আত্মহত্যার গাছ’ হিসেবে পরিচিত, কারণ এই গাছের হুল শরীরে লাগলে তা এতটাই যন্ত্রণাদায়ক যে, শোনা যায় একজন ভুক্তভোগী ওই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন!ঝোপঝাড়ে বেড়ে ওঠা যন্ত্রণাদায়ক গুল্ম হিসেবে খ্যাত এই উদ্ভিদটি গেম্পি গেম্পি, দ্য সুইসাইড প্লান্ট, মুনলাইটার নামেও পরিচিত।

এই গাছটি সম্পূর্ণভাবে হুলে আচ্ছাদিত এবং এর হুল এতটাই পীড়াদায়ক কারণ, তা প্রবলভাবে কার্যকর উচ্চ নিওরোটক্সিন নির্গত করে। বিষাক্ত এই হুল মানব শরীরে লাগলে তা দুঃসহ যন্ত্রণাদায়ক অনুভূতি দেয়।এই গাছের হুল শরীরে বিঁধলে তার চিকিৎসা হচ্ছে, ওয়াক্স স্ট্রিপের মাধ্যমে ত্বক থেকে গাছের হুল তুলে ফেলা এবং ত্বকের আক্রান্ত স্থানে হাইড্রোক্লোরিক এসিডের দ্রবণ লাগানো। গাছটির হুল শরীরে লাগায় যে ব্যথা শুরু হয় তা দুই বছর পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। ভুক্তভোগীদের মতে, এই ব্যথা খুবই অসহনীয়।

এরনিক রাইডার নামক এক ভুক্তভোগী ১৯৬৩ সালে তার মুখ এবং ঘাড়ে এই গাছের স্পর্শ লেগেছিলো। তিনি বলেন, দুই বা তিন দিনের জন্য ব্যথা প্রায় অসহনীয় ছিল, আমি কোনো কাজ করতে পারিনি, ঘুমাতে পারিনি। এরপর তা শরীরে খুব খারাপ একটা যন্ত্রণায় পরিণত হয় এবং চলতেই থাকে।

এই যন্ত্রণা দুই বছর ধরে চলেছে এবং সবসময় আমি ঠাণ্ডা জলে শরীর আবৃত রাখতাম। এটার প্রতিদ্বন্দ্বী কিছুই নেই, অন্য যে কোনো কিছুর চেয়ে এটি দশগুণ বেশি ভয়ানক। সুতরাং আপনাকে ভীতি ধরিয়ে দেবার জন্য অস্ট্রেলিয়ায় এর চেয়ে ভয়ানক বোধহয় আর কিছু নেই।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements



Advertisements
© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team