1. seopay01833@gmail.com : Reporter : Reporter
  2. fhbadshah95@gmail.com : MJHossain : M J Hossain
  3. g21@exnik.com : isaac10j54517 :
  4. Janet-Baader96@picklez.org : janetbaader69 :
  5. tristan@miki8.xyz : katherinflower :
  6. makaylafriday74@any.intained.com : makaylafriday8 :
  7. mdrakibhasan752@gmail.com : Rakib Hasan : Rakib Hasan
  8. g39@exnik.com : meredithbriley :
  9. muhibbbc1@gmail.com : Muhibullah Chy : Muhibullah Chy
  10. olamcevoy@baby.discopied.com : olamcevoy1234 :
  11. g2@exnik.com : roseannaoreily4 :
  12. b13@exnik.com : sebastianstanfor :
  13. g29@exnik.com : tangelamedina :
  14. g24@exnik.com : teenaligar6 :
  15. b15@exnik.com : xugmerri6352 :
  16. g16@exnik.com : yzvhildegarde :

সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন

সবার দৃষ্টি আকর্ষন:
বিবিসিনিউজ২৪ডটকমডটবিডি এর পেইজে লাইক করে মুহূর্তেই পেয়ে যান আমাদের সকল সংবাদ
ব্রেকিং নিউজ :
ধোবাউড়ায় ৩ নং বিটপুলিশিং এর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত মানিকছড়িতে বাস দূর্ঘটনায় চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কে তিন ঘন্টা যান চলাচল বন্ধ সাংবাদিক হত্যার পরিকল্পনাকারীর বিরুদ্ধে থানায় আইনি ব্যবস্থা না নেয়ায় প্রতিবাদ সভা হাসিনুরের হত্যাকারীরা ধুম্রজ্বালের মধ্যে থেকে যাচ্ছে : সর্দার আতিক রাক্ষুস‌ে সাংবাদিক‌দের তা‌লিকা হ‌চ্ছে: কক্সবাজারে ‌বিএমএসএফ নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ সভা অনুষ্ঠিত কাশিমপুরে ট্রাক চাপায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধি শিশুর মৃত্যু কেএমপি’র অভিযানে গাঁজা গাছ ও মাদকসহ আটক ৭ জীর্ণ এই ডাকঘরটি জমিদার আমলের স্বাক্ষী কুড়িগ্রামে ৮৫ লাখ টাকার প্রকল্প তছরুপের ঘটনায় সকলের নজর এখন দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের দিকে।
যশোরের শার্শায় এনজিও’র প্রত্যারণার ফাঁদে পড়ে সর্বশান্ত মানুষ!

যশোরের শার্শায় এনজিও’র প্রত্যারণার ফাঁদে পড়ে সর্বশান্ত মানুষ!

ট্রাকে আগুন
ট্রাকে আগুন

Print Friendly, PDF & Email

যশোরের শার্শায় এনজিও’র

প্রত্যারণার ফাঁদে পড়ে সর্বশান্ত মানুষ!

ফিরোজ জোয়ার্দ্দার- যশোরের শার্শায় এনজিও’র প্রত্যারণার ফাঁদে পড়ে সর্বশান্ত হচ্ছে এলাকার সাধারণ মানুষ। প্রতিনিয়িত এনজিওগুলো গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করে চলেছে। এসব নামী-বেনামী এনজিওগুলোর অতিদ্রুত লাগাম ধরতে না পারলে সর্বশান্ত হবে এ এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। এছাড়া অনেকে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তার পরেও এনজিও ছোবল থেকে রক্ষা পাচ্ছে না পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। পরিবারগুলোর উপর চালানো হচ্ছে অমানবিক অত্যাচার।

 

তবে এ এলাকার এনজিওগুলো কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছে অনেকেই! স্বাভাবিক পরিস্থিতিকে অস্বাভাবিক করার পিছনে ইন্দন দিচ্ছে ইউএনডিপিসহ দেশী- বিদেশী দাতা সংস্থারা। তার ধারবাহিকতায় যশোরের শার্শায় এনজিওগুলোর দুর্নীতির আখড়া পরিণত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট এনজিও ব্যুরো নিয়ন্ত্রণ নেই। গত কয়েক বছর থেকে সরকারের বিভিন্ন উপজেলায় এনজিওগুলোর উপর নজরদারীর নির্দেশ দিলেও বাদ পড়েছে যশোরের শার্শা। সরকারি ভাবে এনজিও গুলোর উপর তেমন কোন নজরদারী নেই। আর এ সুযোগ কে কাজে লাগিয়ে এনজিওগুলো দুর্নীতির আখড়া পরিণত করেছে। মানব সেবার আর্দশ নিয়ে গঠিত হলেও বাস্তবে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছে এসব এনজিওগুলো। এ কারনে দরিদ্র জনগোষ্ঠির ভাগ্য পরিবর্তন না হলেও এনজিও প্রতিষ্ঠাতাদের আর্থ- সামাজিক ও অবস্থান মর্যাদার উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়েছে।

 

অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, দীর্ঘদিন ধরে যশোরের শার্শা এলাকায় সুনিদিষ্ট নীতিমালা প্রনয়নের বিষয়টি সরকারের নজরদারী না থাকার ফলে এনজিওগুলোর দুর্নীতি সীমাহীন বৃদ্ধি পেয়েছে। এনজিও গুলোর স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য নিবন্ধন প্রক্রিয়া কঠোর করা হয়নি। এসব এনজিও রেজিস্ট্রশন হয় দ্য সোসাইটিজ রেজিস্ট্রশন আক্ট,১৯৮০ এর অধিনে। এ আইনে স্বচ্ছতা, জবাবদিতিা নিশ্চিতকরণও দুর্নীতিরোধের কোন দিকনির্দেশনা নেই। সুত্রে জানায়, আন্তর্জাতিক সাহায্যে সাহায্যেকারী এনজিও গুলো দ্যা ফরেন ডোনেশনস রেগুলেশন রুলস-১৯৭৮ এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্য্যালয়ের ২০০১ সালের ২৯ মে জারিকৃত পরিপত্রের অনুয়ায়ী চলে আসছে। উক্ত আইনে নিবন্ধনের পর হতে পাচঁ বছর পর্যন্ত প্রত্যেক বেসরকারি এনজিও কে নিবন্ধন নবায়নের আবেদন করার বিধি নিষেধ রয়েছে।

 
hostseba.com
 

 

এবং আবেদনের সঙ্গে এনজিও’র পাঁচ বছরের কার্যক্রম, বার্ষিক প্রতিবেদন ও নিরিক্ষা প্রতিবেদন দাখিল করার বিধান রাখা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বছরের পর বছর যশোরের শার্শা এলাকার এনজিও গুলোর সামগ্রিক কার্যক্রম মনিটরিং ও তদারকি হচ্ছে না। যার ফলে এনজিওগুলো নিজের ইচ্ছে মত কাজ করে চলেছেন। কোন কিছুর তোয়াক্কা না করে অনিয়ম দুর্নীতি করে চলেছে তারা। শার্শায় এনজিও ঋণের জালে জড়িয়ে সর্বশান্ত হচ্ছে এলাকার নিরিহ মানুষ। ভিটে- মাটি বিক্রি করেও এনজিওর টাকা পরিশোধ করতে না পেরে পথে বসেছে উপজেলার শত’শত পরিবার।

 

অনেকে এনজিওগুলোর উপর্যুপরি চাপে ঘর বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, মানুষের দরিদ্রতাকে পুঁজি করে এ অঞ্চলে এনজিও সংস্থাগুলোর পাশাপাশি বেশকিছু স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও সমিতি সমাজসেবা থেকে নিবন্ধন নিয়ে রীতিমত প্রতারণায় নেমে পড়েছে। এরা পল্লী কর্মসংস্থান ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) থেকে ৬ শতাংশ হারে সুদে অর্থ সংগ্রহ করে এনজিওর আদলে মাইক্রোক্রেডিট প্রোগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের চোখে ধুলো দিয়ে ২৫ থেকে ৪২ শতাংশ সুদ আদায় করছে।

 

ফলে এ অঞ্চলের মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ অনেকটা ইচ্ছার বিরুদ্ধেই এনজিও ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ছেন। ফলে দরিদ্র জনগণ ঋণ পরিশোধে নিজের সহায় সম্বল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছ। আবার অনেকে ঋণ পরিশোধ করতে অন্য এনজিও থেকে নতুন ঋণ নিচ্ছেন। তাও আবার পরিশোধে ব্যর্থ হয়ে এনজিও কর্মীদের অব্যাহত চাপের মুখে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে অনেক। প্রতি সপ্তাহে কিস্তির টাকা যোগাড় করতে এখন সুদি মহাজনদের দারস্থ হচ্ছে। আইন অনুযায়ী এনজিও হলো অলাভজনক, অরাজনৈতিক, সেবামূলক সংস্থা। অথচ স্বল্প সংখ্যক এনজিও বাদে সব এনজিওই লাভজনক সংস্থা হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

 

ক্ষুদ্র ঋণের নামে এনজিও গুলো দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে ঋণজালে জড়িয়ে ফেলছে। বর্তমানে ঋণ আদায়ের ক্ষেত্রে এনজিও গুলোর দৌরাত্ম্য কাবুলিওয়ালাদের দৌরাত্ম্যকেও ছাড়িয়ে গেছে। বর্তমানে শার্শায় ব্র্যাক, গ্রামীণ ব্যাংক, আশা, রুরাল রিকন্স্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আর,আর,এফ), জাগরণী চক্র ফাউন্ডেশন, বন্ধু কল্যাণ ফাউন্ডেশন, নওয়াবেকী গণমুখী ফাউন্ডেশনসহ কয়েক ডজন এনজিও এবং সমিতি প্রতিষ্ঠান তাদের ক্ষুদ্র ঋণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। অধিকাংশ এনজিও ক্রম হ্রাসমান পদ্ধতির স্থলে সমন্তরাল পদ্ধতির মাধ্যমে ৪২ শতাংশ সুদ আদায় করছে আর নওয়াবেকী গণমুখী ফাউন্ডেশন সুদ আদায় করছে ৪৪ শতাংশ।

 

এরা কোন নিয়মনীতির ধার ধারে না। এর মধ্যে কোন কোন এনজিওর মাইক্রোক্রেডিট প্রোগ্রাম ছাড়া অন্য কোন প্রোগ্রাম নেই। কোন কোন এনজিওর শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পশুপালন বিষয়ক প্রোগ্রাম থাকলেও তা নিতান্তই অপ্রতুল। নিয়মানুযায়ী কোন এনজিওকে মাইক্রোক্রেডিট প্রোগ্রাম চালু করতে হলে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটার অথরিটি আইন ২০০৬ এর সনদ প্রাপ্ত হতে হয়। অথচ বর্তমানে শার্শায় হাতেগোনা কিছু এনজিও ছাড়া অনেক এনজিওর মাইক্রোক্রেডিট অথরিটি আইন ২০০৬ এর সনদ নেই। তারা স্থানীয়ভাবে উপজেলা সমাজ সেবা অফিস থেকে সমিতি নিবন্ধন করে এনজিওর আদলে সুদের কারবার চালিয়ে যাচ্ছে। ঋণ গ্রহীতা মোট ঋণের বিপরীতে যে পরিমাণ টাকা প্রথম কিস্তিতে পরিশোধ করছে সেই সম পরিমাণ টাকা শেষ কিস্তিতেও পরিশোধ করতে হচ্ছে।

ফলে এনজিও গুলোর সর্বোচ্চ ৭% হারে সুদ নেয়ার বিধান থাকলেও এরা শতকরা ২৫ থেকে ৪২ টাকা পর্যন্ত সুদ আদায় করছে। আর এই হিসাব গ্রামের অশিক্ষিত, সহজ-সরল অনেক মানুষ জানে না। ফলে শার্শায় ফ্রি-স্ট্রাইলে চলছে মাইক্রোক্রেডিট প্রোগ্রাম। আর এনজিওগুলো সাধারণ মানুষের অজ্ঞতাকে পুঁজি করে নিজেরা রাতারাতি কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। আবার এনজিওর ঋণদান কর্মসূচি শুধু মহিলা কেন্দ্রীক। শুধু মহিলা সদস্যরাই ঋণ পাওয়ার যোগ্য। ফলে এনজিও কর্মীরা কৌশলে এ সকল মহিলাদের কিস্তির টাকা ও সময়ে

আপনার মতামত দিন

Tayyaba Rent Car BBC News Ads

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Comments are closed.




© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team