বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ১১:১০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
থাই ব্যবসায়ী মেয়ের পাত্র খুঁজছেন, দেবেন লাখো ডলার বিএসএফের হাতে বাংলাদেশি যুবক আটক ইয়াবা সিন্ডিকেটে যুক্ত পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তাদের রোষানলে এসআই বশির : ন‍ুসরাতের মতো পুড়িয়ে হত্যার আশঙ্কা! মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে মনোয়ারুল আলম নোবেল এর কঠোর হুশিয়ারী অল্পের জন্য রক্ষা ৩০০ যাত্রীর গাজীপুরে কোচিং শিক্ষকের ‘ধর্ষণে অন্তঃসত্ত্বা’ স্কুলছাত্রী গায়ে আগুন দিয়ে নববধূর আত্মহনন জামালপুরে বোরো ধান-চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু বকশীগঞ্জে কুড়িয়ে পাওয়া রাজকুমারীর মূল্য ২০ লাখ টাকা আট বছর পর চাকুরী ফিলে পেলেন সরকারি ইসলামপুর কলেজের অধ্যক্ষ ইসলামপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

hostseba.com

একটি ঘটনা ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে কয়টি প্রশ্ন ?

একটি ঘটনা ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে কয়টি প্রশ্ন ?

একটি ঘটনা ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে কয়টি প্রশ্ন
একটি ঘটনা ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে কয়টি প্রশ্ন

hostseba.com

একটি ঘটনা ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব

কর্তৃপক্ষের কাছে কয়টি প্রশ্ন?

আকাশ ইকবাল: ভুক্তভোগীরা প্রেস ক্লাবে কেন সংবাদ সম্মেলন করে? নিশ্চই ভুক্তভোগীরা তাদের সমস্যার কথা প্রেস ক্লাবের সাথে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদের মাধ্যমে রাষ্ট্রের মানুষের কাছে, সরকারের কাছে, আইনের কাছে বলার জন্য? যে কেউ প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করতে যে শর্তাবলীগুলো দিয়েছে সেগুলোর মধ্য অন্যতম একটি হচ্ছে রাষ্ট্রদ্রোহিতা মূলক কোন সংবাদ সম্মেলন করা যাবে না।

আর যে শর্তাবলীগুলো আছে সেগুলো যেমন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অণুষ্ঠান শেষ করা, আসবাবপত্র ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ দেওয়া, হল বরাদ্ধ পেতে আবেদন করা ইত্যাদি টাইপের তিন চারটা শর্ত। আমি এখানে দুটো শর্ত বিষয়ে একটি ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করবো। গত ১৬ অক্টোবর এসবিসি টেলিভিশন নামের একটি টিভির চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ইমতিয়াজ ফারুকী তার বিরুদ্ধে হওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদে পটিয়া হাইওয়ে পুলিশ ইনচার্জ মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের একটি হলে। অনুষ্ঠান শুরুতেই ওই প্রেস ক্লাবের সংশ্লিষ্ট একজন সিনিয়র সাংবাদিকসহ আরও বেশ কয়েকজন মিলে ইমতিয়াজ ফারুকীকে সংবাদ সম্মেলন করতে বাধা দেয়।

এবং তাকে বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করে। ইমতিয়াজ ফারুকীর অভিযোগ, কেউ কেউ তাঁর গায়ে হাতও তুলে। প্রশ্ন হচ্ছে, সংবাদ সম্মেলন করছে একজন সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একজন নির্যাতিত সাংবাদিক। যার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করছে সে বাধা না দিয়ে প্রেস ক্লাব সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কেন বাধা দিবে? যে সংবাদ সম্মেলন করছেন সে যদি কোন রাষ্ট্রদ্রোহিতা মূলক কাজ করে তাহলে প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষ কেন আবেদনের প্রেক্ষিতে হল বরাদ্ধ দিয়েছে? আসুন এবার মূল ঘটনাটি বলি, এসবিসি টেলিভিশন ঢাকা থেকে সম্প্রচারিত একটি অনলাইন ভিত্তিক টিভি চ্যানেল।

একটি ঘটনা ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে কয়টি প্রশ্ন

একটি ঘটনা ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব কর্তৃপক্ষের কাছে কয়টি প্রশ্ন

এই চ্যানেলের চট্টগ্রাম প্রতিনিধি ইমতিয়াজ ফারুকী। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, গত ৩ অক্টোবর থেকে ছয় অক্টোবর কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে মায়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের গৃহ নির্মাণের জন্য খাগড়াছড়ি ও দেশের বিবিন্ন জায়গা থেকে রাতে কাঁঠ-বাঁশ বোঝাই ট্রাক থেকে পটিয়া ক্রসিং হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির কিছু অসাধু কর্মকর্তা ও অসাধু ফরেষ্ট কর্মকর্তাদের অবৈধ অর্থ আদায়ের তথ্য সংগ্রহ করছিল। তার সংগ্রহীত বেশ কিছু ভিডিও চিত্রে উঠেও এসেছে এমন তথ্য। এছাড়া প্রায় ১০ জন চালকের কাছ থেকে গাড়ির নাম্বার সহ ভিডিও বক্তব্য আছে। গত ৭ অক্টোবর ইমতিয়াজ ফারুকী ও তার ক্যামেরা পার্সন রায়হান হোসাইন এ বিষয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জেল বক্তব্য নিতে গেলে বক্তব্য না দিয়ে বসিয়ে রাখে।

বিষয়টি এসবিসির হেড অফিসকে জানালে চেয়ারম্যান ফাড়ির ইনচার্জের সাথে কথা বলতে চাইলে কথা না বলে ফোনের লাইন কেটে দেয়। পরবর্তীতে এএসপি চট্টগ্রাম জোন কুমিল্লা হাইওয়ে বরাবর বিষয়টি জানানো হলে এএসপি এসবিসি টিভির নিউজ বিভাগকে ফোন কনফারেন্সে রাখা অবস্থায় ফাঁড়ির ইনচার্জ তাদের বিদায় দেওয়ার কথা বলেন। সেখান থেকে বের হয়ে তারা পূর্ব নির্ধানিত কাজের বাকি অংশ শেষ করতে গন্তব্যে যাওয়ার সময় পটিয়া প্রেস ক্লাবের পরিচয় দিয়ে চার পাছ জন ব্যক্তি বাদামতলি এলাকা থেকে তাদের দুজনকে জোরপূর্বক গাড়িতে তুলে আবার পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে গেছে। সেখানে নিয়ে তাদের জিম্মি করে মারধরের হুমকি, গালাগাল, মিথ্যা ইয়াবা মামলার আসামী করা হবে বলে জোরপূর্বক ভুয়া সাংবাদিকের অঙ্গীকারনামায় স্বাক্ষর করিয়ে ছেড়ে দেয়।

এই ছিল ইমতিয়াজ ফারুকী ও তার ক্যামেরা পার্সনের অভিযোগ। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ইমতিয়াজ ফারুকী চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন করার আয়োজন করেছিল। প্রশ্ন হচ্ছে, যদি তারা কোন অন্যায় করতো তাহলে ফাঁড়ির ইনচার্জ তাদের বিরুদ্ধে এএসপিকে উল্টো অভিযোগ না দিয়ে বিদায় দিলো কেন? অবৈধ অর্থ আদায় করছে পুলিশ ফাঁড়ি তাহলে পটিয়া সাংবাদিকরা কোন তদন্ত না করে তাদের ধরে পটিয়া থানায় না নিয়ে গিয়ে ফাঁড়িতে নিলো কেন? চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের কাছে প্রশ্ন, ইমতিয়াজ ফারুকীর এই বক্তব্যে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মতো কোন অপরাধ পাওয়া যায়?

একজন নির্যাতিত একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করছে, প্রেস ক্লাব সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক কেন বাধা দিবে তাদের? কেন হুমকি দিবে, হেনস্থা করবে? কিসের স্বার্থ? প্রেস ক্লাবে যে কেউ তাদের সমস্যার কথা বলতে পারে। কেউ যদি মিথ্যা অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে তাহলে সংবাদ সম্মেলন করা অনুযায়ী সাংবাদিকরা প্রশ্ন করতে পারে। কিংবা পরবর্তীতে সংবাদ লেখার সময় সত্য না মিথ্যা সেটার তদন্ত করতে পারে। কিন্তু সংবাদ সম্মেলন করার আগেই বাধা দেওয়ার অধিকার কেউ দেয়নি? যার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করা হচ্ছে সেও বাধা দিতে পারবে না প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন চলাকালীন। পরবর্তীতে তারা পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করার অদিকার রাখে। ধন্যবাদ।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

onestream

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bbc_news_sidebar_Ads_1




Sidbar_gif

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team