মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ০৪:০৪ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।

কে শোনে কার কথা ,চলছে মা ইলিশ নিধন ?

কে শোনে কার কথা ,চলছে মা ইলিশ নিধন
কে শোনে কার কথা ,চলছে মা ইলিশ নিধন
Advertisements

কে শোনে কার কথা

চলছে মা ইলিশ নিধন

বিবিসিনিউজ২৪ ডেস্ক ঃ মা ইলিশ রক্ষায় সরকারের দেয়া নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে দিনে ও রাতের আঁধারে শরীয়তপুরে ইলিশ ধরছে জেলেরা। তাদের প্রতিরোধ করতে মৎস্য বিভাগসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর অভিযান চালালেও থেমে নেই মাছ ধরা। এক্ষেত্রে প্রশাসনের আরও কঠোর হওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

জেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা শুরু হওয়ার পর থেকে শরীয়তপুর জেলায় ১৩৬ জেলেকে কারাদণ্ড, ২৬ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৪ লাখ ১৫ হাজার মিটার জাল ও ১ হাজার ২১৫ কেজি ইলিশ জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা ইলিশ স্থানীয় এতিমখানা ও গরিবদের মাঝে বিতরণ এবং জাল পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এছাড়া ৭ দিনে ২৬টি মোবাইল কোর্ট ও ৮০টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

জাজিরা, নড়িয়া, ভেদরগঞ্জ ও গোসাইরহাট উপজেলার পদ্মা ও মেঘনা নদীর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, জাজিরার শফি কাজির মোড়, পালের চর, নাওডোবা, নড়িয়া সুরেশ্বর, চরাত্রা, নওপাড়া, ভেদরগঞ্জ তারাবুনিয়া, কাঁচিকাটা, দক্ষিণ তারাবুনিয়া, গোসাইরহাট মাঝেরচর, সাতপাক, কিশানবালা, ঠান্ডার বাজার, চরজালালপুর ও কুচাইপট্টি এলাকায় ইলিশ ধরতে একাধিক জাল ফেলে রেখেছেন জেলেরা। এ সময় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও সাংবাদিকদের ক্যামেরা দেখে নৌকা, জাল ও মাছ রেখে পালিয়ে যান তারা।

মৎস্যজীবী ও স্থানীয়দের অভিযোগ, কিছু অসাধু এবং লোভী জেলে প্রতি বছরই এভাবে প্রজনন মৌসুমে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ ধরে থাকেন।

কাদির শিকদার, মোস্তফা মিজি, কাদির মিজি, সাত্তার মিজি, শাহজাহান মল্লিক, মিজান গাজিসহ একাধিক জেলে বলেন, সরকারের ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা মেনে আমরা মাছ ধরা বন্ধ রাখলেও কিছু লোভী এবং অসাধু জেলে প্রতি বছরই প্রজনন মৌসুমে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে ইলিশ শিকার করে থাকে। তাই তাদের প্রতিরোধ করতে মৎস্য বিভাগসহ প্রশাসনের আরও নজরদারি বাঁড়ানো প্রয়োজন।

সখিপুর আলুর বাজার ফেরিঘাটের আড়ৎদার ও পাইকারি মাছ ব্যবসায়ী শামিম ঢালী, হানিফা শেখ, নাসির মিজি ও আক্তার শেখ বলেন, নিষেধাজ্ঞা মেনে আমাদের জেলেরা মাছ ধরা বন্ধ রেখেছে। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে জেলেদের এখনও কোনো সাহায্য সহযোগিতা দেয়া হয়নি।

hostseba.com

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজিদা ইয়াসমিন বলেন, ইলিশের প্রজনন মৌসুমকে নিরাপদ করতে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ, নড়িয়া থানা পুলিশ ও নৌ পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে যাচ্ছে। কিন্তু তারপরও কিছু অসাধু জেলে ইলিশ ধরছে। তাই জেলেদের আটক করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা, জেল ও জরিমানা করা হচ্ছে।

নড়িয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সরদার গোলাম মোস্তফা বলেন, ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞার এই এক সম্পাহে নড়িয়ায় পদ্মা নদীতে ১২টি মোবাইল কোর্ট ও ১৪টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৭১ জন জেলেকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে মামলা, জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া ৩ লাখ মিটার জাল, ৪০০ কেজি ইলিশ, ৬টি ট্রলার জব্দ করা হয়েছে। আগামী ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ বৈরাগী বলেন, ইলিশ শিকার বন্ধ রাখতে মৎস্য বিভাগ প্রতিনিয়িত অভিযান চালাচ্ছে। তারপরও কিছু অসাধু জেলে রাতের আঁধারে ইলিশ শিকারের চেষ্টা করছেন।

আপনার মতামত দিন
bbc-news-24-ads

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team