মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ৯ দাবি

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ৯ দাবি

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ৯ দাবি
নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ৯ দাবি
Advertisements

নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে

নির্বাচনসহ ৯ দাবি

বিবিসিনিউজ২৪ ডেস্ক ঃ চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন সংসদ ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। শুক্রবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশ থেকে ৯ দফা দাবি জানিয়েছে দলটি।

মহাসমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় ইসলামী আন্দোলনের আমির মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীমের দাবি, তফসিলের আগেই সংসদ ভেঙে দিতে হবে। সেই সঙ্গে সব নিবন্ধিত দলের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে নিরপেক্ষ সরকার গঠন, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, তফসিল ঘোষণার দিন থেকে বিচারিক ক্ষমতাসহ সেনা মোতায়েন করতে হবে। কোনো দলের সঙ্গে জোট না করার নীতিতে থাকা ইসলামী আন্দোলনের দাবিনামায় রয়েছে- রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তি, ভোটে সব দলের জন্য সমান সুযোগ, ইভিএম ব্যবহার না করা, কোটা সংস্কার ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলন করা শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল ও সংসদে ভোটের অনুপাতে প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতি চালু করা।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের জনসভা থেকে বিএনপির ঘোষিত সাত দফা দাবির সবই ইসলামী আন্দোলনের দাবির মধ্যে রয়েছে।চরমোনাই পীর বলেন, দাবি আদায় না হলে আন্দোলনে নামবে তার দল। দাবির সপক্ষে আগামী ১২ অক্টোবর রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল, ১৪ অক্টোবর সব জেলায় স্মারকলিপি প্রদান এবং ১৬ অক্টোবর রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দেওয়ার কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি।

জুমার নামাজের পর মহাসমাবেশ শুরু হলেও অনেক আগে থেকেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জমায়েত হতে শুরু করেন সারাদেশ থেকে আসা ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। স্থানীয় সরকারের অধীনে সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলোতে উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়ে আলোচনায় রয়েছে দলটি। গত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ভোট প্রাপ্তিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির পরই ছিল তাদের অবস্থান।

বিকেল ৩টার আগেই সমাবেশস্থল পরিপূর্ণ হয়ে যায়। সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাড়িয়ে মৎস্য ভবন থেকে শাহবাগ পর্যন্ত সড়কেও ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীদের ভিড় ছিল। তারা দলীয় প্রতীক ‘হাতপাখা’ নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন। চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পঞ্চগড়ের মতো দূরবর্তী এলাকা থেকে দলটির কর্মীরা মহাসমাবেশে আসেন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতিও ছিল ব্যাপক। মহাসমাবেশের কারণে ছুটির বিকেলেও যানজট দেখা দেয় কাকরাইল, পল্টন, শাহবাগ এলাকায়। এতে দুর্ভোগ হয় ওই পথের যাত্রীদের।

দুর্নীতি, দুঃশাসন, সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত দেশের দাবিতে অনুষ্ঠিত মহাসমাবেশে চরমোনাই পীর ঘোষণা দেন, নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি পূরণ হলে তারা ভোটে অংশ নেবেন। ৫ জানুয়ারি মার্কা নির্বাচন হতে দেবেন না। আগামী নির্বাচনে ৩০০ আসনে প্রার্থী দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

hostseba.com

বিডিআর বিদ্রোহে সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা, ব্যাংক ও শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারি, ভারতকে বাড়তি সুবিধা দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করেন ইসলামী আন্দোলনের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ মাদানী। তিনি চরমোনাই পীরের ভাই। তবে তার বক্তব্য নাকচ করে দিয়ে রেজাউল করীম বলেন, মাদানীর বক্তব্য দলের নয়, তার ব্যক্তিগত।

মহাসমাবেশে বক্তৃতা করেন দলের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম, নূরুল হুদা ফয়েজী, মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, এটিএম হেমায়েত উদ্দিন প্রমুখ।

আপনার মতামত দিন
bbc-news-24-ads

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team