মঙ্গলবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
এবার বিদ্রোহ প্রার্থী হলে খবর আছে: সেতুমন্ত্রী

এবার বিদ্রোহ প্রার্থী হলে খবর আছে: সেতুমন্ত্রী

এবার বিদ্রোহ প্রার্থী হলে খবর আছে: সেতুমন্ত্রী
এবার বিদ্রোহ প্রার্থী হলে খবর আছে: সেতুমন্ত্রী
Advertisements

এবার বিদ্রোহ প্রার্থী হলে খবর আছে

সেতুমন্ত্রী

বিবিসিনিউজ২৪ ডেস্ক ঃ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আগামী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কেউ দলের মনোনয়নের বাইরে গিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হলে এবার তার খবর আছে। বিদ্রোহ করলে সঙ্গে সঙ্গে বহিষ্কার। কাজেই অপর্কম করবেন না। কারও ব্যাপারে গিবত করবেন না। আওয়ামী লীগ যদি আওয়ামী লীগের শত্রু হয়, বাইরের শত্রুর প্রয়োজন হবে না।’

শুক্রবার আওয়ামী লীগের সপ্তাহব্যাপী নির্বাচনী গণসংযোগ কর্মসূচির পঞ্চম দিনে রাজধানীর গাবতলী বাস টার্মিনাল এলাকায় গণসংযোগকালে সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘প্রার্থী হতে চাওয়া যে কারও গণতান্ত্রিক অধিকার। কিন্তু প্রার্থী হতে গিয়ে ঘরের মধ্যে ঘর করবেন না। মশারির মধ্যে মশারি লাগাবেন না। যাকে মনোয়ন দেওয়া হয় তিনি বাকি প্রার্থীদের শত্রু ভাববেন না। যারা মনোনয়ন চাইবেন, তাদের মনোনয়নের মার্কা হবে নৌকা।’

দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শেখ হাসিনার আমলে যে উন্নয়ন হয়েছে, তা দেশের মানুষ ১০০ বছরেও দেখেনি। এই সাফল্যের সংবাদ ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।

ভোটের প্রচারে নেমে কোন কোন বিষয়ে খেয়াল রাখা উচিৎ— সে বিষয়ে বিস্তারিত পরামর্শ দিয়ে তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আজান ও নামাজের সময় সমাবেশ করলে মানুষ বিরক্ত হয়। ভোট বাড়াতে গিয়ে ভোট কমে যাবে। নামাজ ও আজানের সময় খেয়াল করবেন। রাস্তা বন্ধ করে সমাবেশ করবেন না। প্রচারপত্র বিলি করতে গিয়ে নেতাকর্মীদের বাড়াবাড়িতে ফুটপাতের ছোটোখাটো দোকান নষ্ট হলে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হবে। আর প্রচারপত্র বিলি করতে গিয়ে মানুষের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতে হবে। জনগণকে খুশি রাখতে হবে। মানুষ যাতে কষ্ট না পায়, সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে।’

জনসাধারণের মধ্যে কথা বলার সময় নেতাকর্মীদের আরও সতর্ক হতে হওয়ার পরামর্শ দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘চা দোকানে বসে বিএনপিকে নিয়ে সমালোচনা করুন। নিজের দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে কথার আক্রমণ করবেন না। নিজের দলের লোককে নিয়ে সমালোচনা করার বদঅভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।’

hostseba.com

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি কোটা আন্দোলন ও নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের ওপর ভর করে নিরাপদে ক্ষমতায় যেতে চেয়েছিল। বিদেশিদের কাছে গিয়ে নালিশসহ কান্নাকাটি করে তাদের কোনো লাভ হয়নি। শেখ হাসিনার এত উন্নয়নের মধ্যেও বিএনপি অন্ধকারের পথ খুঁজছে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে ২০০১ সালের মত রক্তপাত হবে।’

কাদের বলেন, ‘দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার অসুস্থতা ও শারীরিক অবস্থা নিয়ে আওয়ামী লীগ নয়, বিএনপিই রাজনীতি করেছে। তার অসুস্থতা নিয়ে সরকার কোনো রাজনীতি করেনি। খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় যে উপযুক্ত জায়গা সেটি আদালতও বলেছে। তাহলে সরকারের ভুল কোথায়?’

তিনি বলেন, ‘এখন লোকে বলে ধানের শীষ পেটের বিষ। এটা আমার কথা নয়। কালকেও গাড়ি দিয়ে যাচ্ছিলাম, একজন তো বলেই ফেলল পেটের বিষ নয়, ধানের শীষ সাপের বিষ। এই বিষ কী কেউ খাবে? এই বিষ বাংলার মানুষ আর পান করবে না।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এটা ২০১৪ সাল নয়, ২০১৮ সাল। বিএনপি নির্বাচন বানচাল করতে কোনো নাশকতা করলে জনগণ তার সমুচিত জবাব দেবে। বিএনপি সোজা পথ দিয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়, এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। বিএনপি বুঝে ফেলেছে সোজা পথে তাদের ক্ষমতায় যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই। জনগণ তাদের চায় না।’

বাম দলের সঙ্গে ঐক্যের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘কোনো জোটকে নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে ঐক্য করতে বলিনি। আমরা ঐক্য চেয়েছি সাম্প্র্রদায়িক অপশক্তি, নষ্ট রাজনীতি এবং স্বাধীনতার শত্রুদের বিরুদ্ধে। বামপন্থিরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস ও জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা করে। বামপন্থিদের ভেতরে কেন এত ভাঙনের সুর? আপনারা ঐক্যবদ্ধ থাকুন।’

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার প্রসঙ্গে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘ইভিএম সীমিত পরিসরে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যবহার হোক এটা আওয়ামী লীগ চায়। নির্বাচন কমিশনের কাছে সে দাবি জানানো হয়েছে। আর নির্বাচনে যেন জালিয়াতি না হয়, কারচুপি না হয়, কেউ যেন বাক্সভর্তি না করতে পারে, জাল ভোট যেন কেউ না দিতে পারে সেজন্যই ইভিএম। আধুনিক বিশ্বের একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন ব্যবস্থার অনুষঙ্গ ইভিএম।’

তিনি বলেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন বিলটি দশম জাতীয় সংসদের শেষ অধিবেশনে পাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচন কমিশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে পাঠাতে পাঠালে সংশোধন বিলটি সংসদের আগামী অধিবেশনে পাস হবে। শেষ অধিবেশনে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আসবে। তবে অধিবেশন খুবই সংক্ষিপ্ত হবে। শেষ অধিবেশন এক সপ্তাহের মত হতে পারে।

ঢাকা-১৪ আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য আসলামুল হক আসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, বন ও পরিবেশ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম প্রমুখ।

আপনার মতামত দিন
bbc-news-24-ads

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements

Our English Site

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team