বৃহস্পতিবার, ১৮ Jul ২০১৯, ১০:৫৬ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
বিবিসিনিউজ২৪ এর ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন থাই ব্যবসায়ী মেয়ের পাত্র খুঁজছেন, দেবেন লাখো ডলার শার্শায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ-১৯ পালিত ঠাকুরগাঁওয়ে ইভটিজিং দায়ে ১ যুবকের ৬ মাসের কারাদণ্ড নিখোঁজের দুইমাস পর খণ্ড-বিখণ্ড কঙ্কাল উদ্ধার বন্যার ৭তম দিনেও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত বোয়ালখালী সমাজ সেবা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীর অভিযোগ লামায় জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের মাছের পোনা অবমুক্তকরণ জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে ঝিকরগাছায় র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কেশবপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কেশবপুরে চার দিন ব্যাপী ফলদ বৃক্ষমেলার উদ্বোধন বাংলাদেশ পুরোহিত কল্যান সংস্থা কতৃক সিডিএ চেয়ারম্যান কে ফুলেল শুভেচ্ছা
যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলা প্রমাণিত হলে পাঁচ বছরের জেল1 min read

যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলা প্রমাণিত হলে পাঁচ বছরের জেল1 min read

যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হলে পাঁচ বছরের জেল
যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হলে পাঁচ বছরের জেল
Advertisements

যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলা

প্রমাণিত হলে পাঁচ বছরের জেল

বিবিসিনিউজ২৪ ডেস্ক ঃ যৌতুক দেওয়া-নেওয়া এবং যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলার ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রেখে সংসদে ‘যৌতুক নিরোধ বিল-২০১৮’ পাস হয়েছে। রবিবার মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি জাতীয় সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

কারও ক্ষতি করার জন্য যৌতুকের মামলা বা অভিযোগ করলে পাঁচ বছরের জেল অথবা ৫০ হাজার টাকা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে পাস হওয়া বিলে। আগের আইনে যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলার জন্য কোনও দণ্ডের বিধান ছিল না।

বিলে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনও এক পক্ষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অন্য পক্ষের কাছে যৌতুক দাবি করে তবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কিন্তু সর্বনিম্ন এক বছরের জেল বা ৫০ হাজার টাকার জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যৌতুক গ্রহণ বা প্রদান করলেও একই ধরনের সাজা হবে।’

এতে বলা হয়েছে, ‘এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ আমলযোগ্য ও জামিন অযোগ্য হবে। তবে আপসযোগ্য হবে।’
এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি হয়। গত ২৫ জুন বিলটি সংসদে তোলার পর তা পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

১৯৮০ সালের এ সংক্রান্ত আইন বাতিল করে নতুন করে আইন করতে বিলটি তোলা হয়েছে সংসদে। ১৯৮০ সালের ওই আইন ১৯৮২, ১৯৮৪ ও ১৯৮৬ সালে অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংশোধন করা হয়।

আপনার মতামত দিন

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Advertisements

Comments are closed.

Advertisements

অনলাইন ভোটে অংশগ্রহন করুন




Advertisements
© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team