শুক্রবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯, ০৩:১৭ অপরাহ্ন

বিজ্ঞপ্তি :
আমাদের নিউজে আপনাকে স্বাগতম... আপনি ও চাইলে আমাদের পরিবারের একজন হতে পারেন । আজই যোগাযোগ করুন ।
ব্রেকিং নিউজ :
ভিন্নতর মাতৃভাষা দিবস উদযাপনে চট্টগ্রামের বাইকিং সংগঠন ‘স্ট্রিট লিগেছি’ পর্যটনের অপার সম্ভাবনাময় তেঁতুলিয়া ডাকবাংলো! শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের এর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ঈগল ক্লাব এর নেতৃবৃন্দ! শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন একতা সংঘ! কলারোয়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন বিবিসি নিউজ ২৪ পরিবার! চট্টগ্রামের ৯নং ওয়ার্ড ফিরোজশাহ এলাকাবাসীর জন্য সু-খবর! বান্দরবান সীমান্ত থেকে মিয়ানমারের সেনা সদস্য আটক! আবার ভেঙে যাচ্ছে পাকিস্তান? কলারোয়ায় একুশের প্রথম প্রহরে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানালেন উপজেলা প্রশাসন ও থানা প্রশাসন! কলারোয়ায় ইয়াবা বড়িসহ সাজাপ্রাপ্ত আসামী আটক-২

যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলা প্রমাণিত হলে পাঁচ বছরের জেল

যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলা প্রমাণিত হলে পাঁচ বছরের জেল

যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হলে পাঁচ বছরের জেল
যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হলে পাঁচ বছরের জেল

যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলা

প্রমাণিত হলে পাঁচ বছরের জেল

বিবিসিনিউজ২৪ ডেস্ক ঃ যৌতুক দেওয়া-নেওয়া এবং যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলার ক্ষেত্রে পাঁচ বছরের জেল ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রেখে সংসদে ‘যৌতুক নিরোধ বিল-২০১৮’ পাস হয়েছে। রবিবার মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি জাতীয় সংসদে বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।

কারও ক্ষতি করার জন্য যৌতুকের মামলা বা অভিযোগ করলে পাঁচ বছরের জেল অথবা ৫০ হাজার টাকা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করার বিধান রাখা হয়েছে পাস হওয়া বিলে। আগের আইনে যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলার জন্য কোনও দণ্ডের বিধান ছিল না।

বিলে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনও এক পক্ষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে অন্য পক্ষের কাছে যৌতুক দাবি করে তবে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কিন্তু সর্বনিম্ন এক বছরের জেল বা ৫০ হাজার টাকার জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যৌতুক গ্রহণ বা প্রদান করলেও একই ধরনের সাজা হবে।’

এতে বলা হয়েছে, ‘এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ আমলযোগ্য ও জামিন অযোগ্য হবে। তবে আপসযোগ্য হবে।’
এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি হয়। গত ২৫ জুন বিলটি সংসদে তোলার পর তা পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

১৯৮০ সালের এ সংক্রান্ত আইন বাতিল করে নতুন করে আইন করতে বিলটি তোলা হয়েছে সংসদে। ১৯৮০ সালের ওই আইন ১৯৮২, ১৯৮৪ ও ১৯৮৬ সালে অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংশোধন করা হয়।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

bbc_news_sidebar_Ads_1




Sidbar_gif

© All rights reserved © 2017-27 Bbcnews24.com.bd
Theme Developed BY ANI TV Team