রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চট্টগ্রামের ১০ শিক্ষকের জামিন মঞ্জুর

0
112

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ প্রশ্নপত্রে তুলনা টেনে জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুকে অবমাননার অভিযোগে চট্টগ্রামের বাঁশখালী থানায় দায়েরকৃত রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় ১৩ শিক্ষকের মধ্যে ১০ জনকে জামিন দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ মো. হেলাল উদ্দিন চৌধুরী তিন শিক্ষকের জামিন না মঞ্জুর করে ১০ জনের জামিন আদেশ দেন।

জামিনপ্রাপ্ত শিক্ষকরা হলেন- মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি বোয়ালখালী উপজেলার সভাপতি মো. আলী ও সাধারণ স¤পাদক আমীর হোসেন, শিক্ষক সমিতি আনোয়ারা উপজেলার সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ স¤পাদক বাদল দাশ, পটিয়া উপজেলার সভাপতি মো. ইউসুফ, সাধারণ স¤পাদক শ্যামল দে, সাতকানিয়া উপজেলার সভাপতি অজিত কারণ, সাধারণ স¤পাদক ওয়াইজ উদ্দিন এবং চন্দনাইশ উপজেলার সভাপতি বিজন ভট্টাচার্য্য ও সাধারণ স¤পাদক এএইচএম সৈয়দ হোসেন।

জামিন না মঞ্জুর করা শিক্ষকরা হলেন-বাঁশখালী বঙ্গবন্ধু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক দুকুল বড়ুয়া ও মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি বাঁশখালী উপজেলার সভাপতি তাহেরুল ইসলাম ও সাধারণ স¤পাদক মোহাম্মদ মিয়া। তারা বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন।

আসামি পক্ষের আইনজীবি ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল বলেন, কারাগারে যাওয়া ১৩ শিক্ষক মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে শিক্ষকদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করা হয়েছে। প্রশ্নপত্রের কোথাও বঙ্গবন্ধুর নাম ছিল না। এসব বিষয় আমরা আদালতের কাছে তুলে ধরেছি। শুনানি শেষে আদালত ১০জন শিক্ষকের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেছেন। জামিন না মঞ্জুর করায় তিন শিক্ষকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

আদালত সূত্র জানায়, গত বছরের জুলাই মাসে নবম শ্রেণির অর্ধবার্ষিক পরীক্ষায় বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের সৃজনশীল অংশের একটি প্রশ্নে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সহসভাপতি লিয়াকত আলীর কার্যক্রমকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে তুলনা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

এই অভিযোগে বাঁশখালী থানায় দায়ের করা রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গত ২৩ আগস্ট ১৩ শিক্ষককে কারাগারে পাঠানো হয়।