মিয়ানমারে বোমা হামলার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারী

0
129
মিয়ানমারে বোমা হামলার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারী
মিয়ানমারে বোমা হামলার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারী

মিয়ানমারে বোমা হামলার আশঙ্কায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারী

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মিয়ানমারে সন্ত্রাসীরা বোমা হামলা চালাতে পারে এমন খবরে রাজধানী নেইপিদোসহ দেশটির বেশ কয়েকটি বড় শহরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। গত সপ্তাহে বেশ কিছু নিরাপত্তা চৌকিতে রোহিঙ্গা বিদ্রোহীদের হামলার পর রাখাইন রাজ্যে চলমান সেনা অভিযানের মাঝেই হামলার শঙ্কায় এ সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে সরকারি এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

মিয়ানমারের ডি ফ্যাক্টো নেতা অং সান সু চি’র কার্যালয়ের ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সরকার ইতোমধ্যে সব রাজ্য, আঞ্চলিক সরকার এবং সারা দেশে নিরাপত্তা সতর্কতা ও নির্দেশনা জারি করেছে।

বিবৃতিতে বলা হয়, এ ব্যাপারে সতর্ক থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, জাতিগতভাবে লোকজনকে উসকে দেয়ার জন্য হামলা চালানো হতে পারে। এ ছাড়া ধর্মীয়ভাবে উত্তেজনা ছড়ানো, এমনকি লোকজনকে বিভ্রান্ত করারও পাঁয়তারাও হতে পারে।

বিশেষ করে জনপরিসরে জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি কোনো এলাকায় সন্দেহজনক কাউকে দেখলে কিংবা সেরকম কোনো কার্যক্রম চোখে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোরও নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

রাখাইন রাজ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে জঙ্গি হামলার শঙ্কায় মিয়ানমারের জনগণকে নিজেদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সচেতন থাকতে বলা হয়েছে। দেশজুড়ে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সরকারের সঙ্গে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

সু চির কার্যালয় বলছে, ‘জঙ্গি গোষ্ঠী’ আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (এআরএসএ) নৃশংস হামলা নস্যাৎ করে দিয়ে শান্তি এবং স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে আসছে।

গত ২৫ আগস্ট এআরএসএ’র নৃশংস হামলার পর জনগণকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেয়ার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করে যাচ্ছে বলেও দাবি করা হয়। এআরএসএ’র হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের ত্রাণ দেয়ার তথ্যও জানানো হয়।

বর্তমানে রোহিঙ্গা নির্যাতনের কারণে আন্তর্জাতিক মহলের কাছে ব্যাপক চাপের মুখে রয়েছে মিয়ানমার। তবে রাখাইন রাজ্যে সঠিকভাবেই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে দাবি করেছেন অং সান সু চি। জাতিসংঘ বলছে, সাম্প্রতিক অস্থিরতার মধ্যে জীবন বাঁচাতে মিয়ানমার থেকে এক লাখ ২৫ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।