ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ পাঠাচ্ছে ইরান

0
455
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ৬শ’ কোটি টাকা দেবে জার্মানি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নৃশংতা থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য ৬ কোটি ইউরো বা ৫৮৬
রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ৬শ’ কোটি টাকা দেবে জার্মানি মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নৃশংতা থেকে বাঁচতে বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য ৬ কোটি ইউরো বা ৫৮৬

ক্ষতিগ্রস্ত  রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ পাঠাচ্ছে ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ মিয়ানমারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের কাছে ত্রাণ সহায়তা পাঠানোর জন্য প্যাকেজ প্রস্তুত করছে ইরানের রেড ক্রিসেন্ট। বৃহস্পতিবার দেশটির গণমাধ্যমের খবরে এ তথ্য জানানো হয়েছে।আগামী শনিবার ইরানের ত্রাণবাহী বিমান বাংলাদেশে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। শুকনো খাবার, ওষুধ ও কাপড় থাকছে ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে। ত্রাণ বিতরণের সব আয়োজনও সম্পন্ন করেছে ইরান দূতাবাস।

ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি বলছে, মিয়ানমারে নৃশংসতার শিকার রোহিঙ্গা মুসলমানদের কাছে ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।রেড ক্রিসেন্ট এর একজন কর্মকর্তা মুর্তাজা সালিমি জানান, প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানির নির্দেশে রোহিঙ্গাদের সহযোগিতার জন্য কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ত্রাণ সামগ্রী পাঠানোর জন্য মিয়ানমার সরকার, আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। মিয়ানমার সরকারের অনুমতি পেলে সেখঅনেও ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হবে।

সম্প্রতি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ও প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গাদের ওপর হত্যা-নির্যাতনের নিন্দা জানিয়ে সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোহিঙ্গা গণহত্যা বন্ধের জন্য মিয়ানমার সরকারের প্রতি আহ্বানের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে।

বরাবরই রোহিঙ্গা মুসলমানদের সমস্যা সমাধানে সোচ্চার ছিল ইরান। ২৫ আগস্টের পর থেকে মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞের নিন্দাও করেছেন ইরানের সরকারি কর্মকর্তারা।জাতিসংঘ বলছে, জীবন বাঁচাতে কয়েকদিনে বাংলাদেশে প্রায় এক লাখ ৬৪ হাজার রোহিঙ্গা প্রবেশ করেছে। রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে বিভিন্ন দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং কূটনীতিকের সঙ্গে আলোচনা করছেন জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ঘোলাম আলি খোসরু।

তিনি বলেন, বিভিন্ন মুসলিম দেশের রাষ্ট্রদূত এবং মন্ত্রী পর্যায়ের লোকের সঙ্গে আমি কয়েকদিনে কথা বলেছি। আগামি সপ্তাহে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে তাদের সঙ্গে এ নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে আমার বিশ্বাস।

তিনি আরও বলেন, মিয়ানমারে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলমানদের এরকম দুরাবস্থা বন্ধে সকল মুসলমানের এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন তিনি।